খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বাসচাপায় ৭ নিহত, চালকের বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ময়মনসিংহে বাসচাপায় ৭ নিহত, চালকের বিরুদ্ধে মামলা

যোগফল প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক পরিবারের চারজনসহ সাতজন নিহতের ঘটনায় বাসের অজ্ঞাতনামা চালককে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের মো. মোবারক আলী বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করেন। রাত ১২টার পর লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কে ঢাকা থেকে জামালপুরগামী ‘রাজীব পরিবহন’-এর একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার সাত আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

নিহত সবাই জামালপুর জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন হলেন—দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তাঁর ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), নাতনি মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মিনান।

নিহত অন্য তিনজন হলেন অটোরিকশাচালক মো. সুজন আলী (৪৪), বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী ও তাঁর স্ত্রী মমতা বেগম।

কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন সরকার জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার সকালে নিজ নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এক পরিবারের চারজনের মৃত্যু

নিহত মোফাজ্জল হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গাজীপুরের হোতাপাড়ায় বসবাস করতেন। মা রাশিদা বেগম, অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে মর্জিনা ও নাতি মিনানকে গাজীপুরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নান্দিনা থেকে অটোরিকশায় করে ময়মনসিংহ বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।

স্বজন মোবারক আলী বলেন, ‘আমার মা, ভাই, ভাতিজি ও নাতি একসঙ্গেই চলে গেল। আমাদের চার প্রজন্মের চারজন মানুষ এক মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেল।’

রাজীব পরিবহনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জামালপুর শহরের ফৌজদারি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা রাজীব পরিবহনের গায়েবানা জানাজা ও প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-জামালপুর রুটে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য রাজীব পরিবহনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ধারাবাহিক সড়ক দুর্ঘটনার কারণে পরিবহনটির বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে চলতি মাসের শুরুতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুর্ঘটনার পর বাস ও ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রেমের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে চীনা যুবক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে চীনা যুবক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়। এরপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে প্রেমিকাকে বিয়ে করতে সুদূর চীন থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে এসেছেন এক যুবক। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।

চীনা ওই যুবকের নাম শিওং ঝেনতিং। তিনি চীনের শিনজিয়াংয়ের আলার শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিপুর উপজেলার বীরগড় গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে নাসিমা আক্তার ঢাকার একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ফেসবুকের মাধ্যমে চীনা যুবক শিওং ঝেনতিংয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে নাসিমা আক্তারকে বিয়ে করতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন শিওং ঝেনতিং। এরপর থেকে তিনি নাসিমার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

চীনা যুবকের বাংলাদেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তাকে দেখার আগ্রহ তৈরি হয়। তবে নাসিমা ও শিওং ঝেনতিংয়ের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী কিংবা স্থানীয়দের কথা বলতে দিচ্ছেন না পরিবারের সদস্যরা।

নাসিমার মা-বাবা বলেন, ‘ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করলে মেয়ে ও চীনা ছেলের সম্মান নষ্ট হতে পারে। তাই আমরা কাউকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছি না।’

পরিবারের এমন অবস্থানের কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা চীনা যুবক ও নাসিমার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি।

এ বিষয়ে হরিপুর থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক যোগফল. কম 

গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ২২৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ২২৮

যোগফল প্রতিবেদক: 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ২২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৮৮ জন। শনিবার (৩ অক্টোবর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও সাতজনের মরদেহ পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে দুজন আগে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবং একজনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ২০ জন।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ৫২ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮৩৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া শতাধিক মরদেহের একসঙ্গে দাফন করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা ১০৫টি মরদেহ নিয়ে স্বজনরা গণজানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেন। এ ঘটনার ছবি ও তথ্যও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মেনোপজের পর রক্তপাত হতে পারে জরায়ুর ক্যানসারের লক্ষণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেনোপজের পর রক্তপাত হতে পারে জরায়ুর ক্যানসারের লক্ষণ

যোগফল প্রতিবেদক: 

মেনোপজের পর যেকোনো ধরনের রক্তপাতকে স্বাভাবিক হিসেবে না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি জরায়ুর ভেতরের আবরণে হওয়া এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত হতে পারে।

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসার জরায়ুর ভেতরের আবরণে শুরু হয়। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে নারীদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা গাইনোকলজিক্যাল ক্যানসারগুলোর একটি। বিশ্বজুড়ে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে।

গ্লোবোক্যান ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬২০ জন নতুন করে এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। এ রোগে মারা গেছেন ১ লাখ ৬৮০ জন। সব ধরনের ক্যানসারের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যার হিসাবে এটি ১৬তম অবস্থানে রয়েছে।

ভারতে ২০২৪ সালে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৩০৮ জন এবং মারা গেছেন ৬ হাজার ৩৬২ জন।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো অস্বাভাবিক জরায়ু রক্তপাত। বিশেষ করে মেনোপজের পর যেকোনো ধরনের রক্তপাত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

মেনোপজের আগে অনিয়মিত বা স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত রক্তপাতও এ রোগের লক্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত যোনিপথের স্রাব, তলপেটে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, পেট ফাঁপা এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিও দেখা দিতে পারে।

যেসব কারণে ঝুঁকি বাড়ে

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণে এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

স্থূলতা, কখনো গর্ভধারণ না হওয়া, অল্প বয়সে মাসিক শুরু হওয়া, দেরিতে মেনোপজ হওয়া, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), শুধু ইস্ট্রোজেনযুক্ত হরমোন থেরাপি এবং ট্যামোক্সিফেন ব্যবহারের সঙ্গে এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপও ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অন্যদিকে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং কিছু ধরনের মুখে খাওয়ার গর্ভনিরোধক ব্যবহারের সঙ্গে তুলনামূলক কম ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

জেনেটিক কারণও রয়েছে

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের ক্ষেত্রে বংশগত কারণও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লিঞ্চ সিনড্রোম থাকলে এ রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

লিঞ্চ সিনড্রোম ডিএনএ মেরামতের সঙ্গে জড়িত কিছু জিনের পরিবর্তনের কারণে হওয়া একটি বংশগত রোগ। এ সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের জীবদ্দশায় এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

যেভাবে শনাক্ত করা হয়

অস্বাভাবিক রক্তপাতের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে সাধারণত সেখান থেকেই রোগ নির্ণয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সাধারণত ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু করা হয়। প্রয়োজন হলে এন্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে হিস্টেরোস্কপি বা ডাইলেশন অ্যান্ড কিউরেটাজের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করা হতে পারে।

ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর টিউমারের গ্রেড, গঠনগত বৈশিষ্ট্য ও মলিকিউলার ধরন নির্ধারণ করা হয়। টিউমার জরায়ুর দেয়ালে কতটা ছড়িয়েছে তা জানতে পেলভিক এমআরআই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।

চিকিৎসা কী

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের চিকিৎসা রোগের ধরন ও পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জরায়ু অপসারণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্যালোপিয়ান টিউব, ডিম্বাশয় ও লিম্ফ নোড পরীক্ষা বা অপসারণ করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ের কম ঝুঁকির ক্যানসারে অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারই যথেষ্ট হতে পারে। তবে রোগের ঝুঁকি বা পর্যায় অনুযায়ী রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপির প্রয়োজন হতে পারে।

তাই মেনোপজের পর রক্তপাত হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দ্রুত শনাক্তকরণ এ রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম