খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২০ আশ্বিন, ১৪৩৩

সৈয়দপুরে রেলওয়ের বাংলো দখলের চেষ্টা, উচ্ছেদ করল কর্তৃপক্ষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৈয়দপুরে রেলওয়ের বাংলো দখলের চেষ্টা, উচ্ছেদ করল কর্তৃপক্ষ

ছবি সংগৃহীত:

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের ব্যস্ততম রেলওয়ে অফিসার্স কলোনি এলাকায় কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ঐতিহ্যবাহী ১১০ নম্বর রেলওয়ে অফিসার্স বাংলো ও চত্বর দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেলওয়ে পূর্ত বিভাগ।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে একদল লোক প্রকাশ্যে ওই বাংলোর চারপাশে লাল পতাকা টাঙিয়ে উঁচু টিনের বেড়া নির্মাণ শুরু করেন। দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকজন নির্মাণশ্রমিক বাংলোটির চত্বর ঘিরে টিনের বেড়া দিচ্ছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়।

নির্মাণকাজে যুক্ত শ্রমিকরা জানান, শহরের কাপুড়িয়া পট্টির ব্যবসায়ী রানা তাদের এই সীমানা প্রাচীর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। রানা তাদের কাছে দাবি করেছেন, জমিটি তিনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে পূর্ত বিভাগের (আইওডব্লিউ) কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা-পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্যদের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে শ্রমিকদের বসানো টিন, বাঁশসহ নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে জব্দ করা হয়। পরে এসব সামগ্রী ট্রাকে করে রেলওয়ের ইয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে পূর্ত বিভাগের পরিদর্শক (আইওডব্লিউ) শরিফুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে অফিসার্স কলোনির ১১০ নম্বর ভবনটি রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টের নামে বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দকৃত জমিতে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসায়ী রানা জমিটি ইজারা নেওয়ার যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। জায়গাটি দখলমুক্ত রাখতে সেখানে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দকৃত জমির পরিমাণ এক একরের বেশি। জমিটির বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ জমি ইজারা নেওয়ার কথা বলে দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই চক্রটির বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

পুলিশের সহায়তায় ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশের সহায়তায় ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়নের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পুলিশের দাবি, প্রিজনভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পলায়নের ঘটনাটি কোনো দুর্ঘটনা নয়; বরং টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করা হয়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদরদপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার।

পুলিশ কমিশনার জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে ২৯ জন আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পথে কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল এলাকার পশ্চিমে হাজতি বন্দি পিচ্চি রাজা (৩৪) কৌশলে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় কোনাবাড়ী থানায় দণ্ডবিধির ২২৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে মামলাটির তদন্তভার জিএমপি ডিবি দক্ষিণ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা এসআই প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন, মো. সাকিব, শাকিল হোসেন এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

পুলিশ কমিশনার বলেন, তদন্তে নেমে ডিবি বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আলামত সংগ্রহ করে। এতে জানা যায়, আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রিজনভ্যানটি থামানো হয়। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস চালক নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা ও অপর হাজতি খাইরুল বাশারকে ভ্যান থেকে নামান।

পরে খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনের অংশে রাখা হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর প্রিজনভ্যানে ওঠেননি। বরং আগে থেকেই অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে করে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়।

পরবর্তীতে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কোনাবাড়ী এলাকায় পিচ্চি রাজার পলায়নের নাটক সাজানো হয় বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা, স্কট লিডার এসআই প্রবীর কুমার এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চালক কামাল হোসেনের বাড়ি থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ কমিশনার আরও জানান, পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম 

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক পাচ্ছেন ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক পাচ্ছেন ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পাচ্ছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই অধ্যাপক। তারা হলেন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান এবং অধ্যাপক ড. মোরসালিন বিল্লাহ।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০০ জন শিক্ষককে এবার এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। তালিকায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন। পাশাপাশি চিকিৎসা, কৃষি, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্রের শিক্ষকদেরও নির্বাচিত করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান প্রায় দুই দশক ধরে শিক্ষকতা করছেন। ২০০৩ সালে স্নাতক (সম্মান) শেষ করার পর ২০০৫ সালে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন তিনি। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর উপকূলের মানুষের দুর্ভোগ কাছ থেকে দেখার পর এ বিষয়ে গবেষণায় আগ্রহী হন অধ্যাপক নাসিফ আহসান।

তিনি নেদারল্যান্ডসের ওয়াখেনিনগেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ে মাস্টার্স এবং জাপানের জাতীয় নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। গবেষণার কাজে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং গবেষক হিসেবেও কাজ করেছেন।

অধ্যাপক নাসিফ আহসানের গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা। কম খরচে আগাম সতর্কীকরণ প্রযুক্তি তৈরি করে উপকূলের মানুষের কাছে স্থানীয় ভাষা বা উপভাষায় দুর্যোগের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও তিনি কাজ করছেন।

অধ্যাপক ড. মোরসালিন বিল্লাহ

অন্যদিকে অধ্যাপক ড. মোরসালিন বিল্লাহ জীবপ্রযুক্তি, জীবরসায়ন ও অণুজীববিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় কাজ করছেন। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীবরসায়ন ও অণুজীববিজ্ঞানে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবন ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও রয়েছে অধ্যাপক মোরসালিন বিল্লাহর। তিনি লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ফেলো, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা বিজ্ঞানী, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং অধ্যাপক এবং এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং গবেষক ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং একাডেমিক ও কমনওয়েলথ রাদারফোর্ড ফেলো হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

তার গবেষণার মধ্যে রয়েছে ধানশিল্পের তরল বর্জ্যকে পরিবেশবান্ধব বায়োপ্লাস্টিকে রূপান্তর, খাদ্য সংরক্ষণের জন্য জীবাণুরোধী প্যাকেজিং তৈরি এবং বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সার্স-কোভ-২-এর ঝুঁকি ও রোগের মৃত্যুহার নিয়ে গবেষণা।

এবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১২ জনের পরিবর্তে ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হলেও এবার ১০০ জন শিক্ষককে এক লাখ টাকা করে সম্মাননা দেওয়া হবে।

শিক্ষক নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিটি বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষকদের নির্বাচন করেছে। ওই নীতিমালায় শিক্ষকদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৩টি মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল.কম 

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ সীমান্ত।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধনে মহিউদ্দিন আহমেদ সীমান্ত বলেন, ‘যে অপরাধ করে, তার কোনো পরিচয় নেই। তার একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।’

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধী হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবিবসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম