খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২০ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক পাচ্ছেন ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক পাচ্ছেন ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ‘গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পাচ্ছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই অধ্যাপক। তারা হলেন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান এবং অধ্যাপক ড. মোরসালিন বিল্লাহ।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০০ জন শিক্ষককে এবার এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। তালিকায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন। পাশাপাশি চিকিৎসা, কৃষি, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্রের শিক্ষকদেরও নির্বাচিত করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান প্রায় দুই দশক ধরে শিক্ষকতা করছেন। ২০০৩ সালে স্নাতক (সম্মান) শেষ করার পর ২০০৫ সালে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন তিনি। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর উপকূলের মানুষের দুর্ভোগ কাছ থেকে দেখার পর এ বিষয়ে গবেষণায় আগ্রহী হন অধ্যাপক নাসিফ আহসান।

তিনি নেদারল্যান্ডসের ওয়াখেনিনগেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ে মাস্টার্স এবং জাপানের জাতীয় নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। গবেষণার কাজে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং গবেষক হিসেবেও কাজ করেছেন।

অধ্যাপক নাসিফ আহসানের গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা। কম খরচে আগাম সতর্কীকরণ প্রযুক্তি তৈরি করে উপকূলের মানুষের কাছে স্থানীয় ভাষা বা উপভাষায় দুর্যোগের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও তিনি কাজ করছেন।

অধ্যাপক ড. মোরসালিন বিল্লাহ

অন্যদিকে অধ্যাপক ড. মোরসালিন বিল্লাহ জীবপ্রযুক্তি, জীবরসায়ন ও অণুজীববিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় কাজ করছেন। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীবরসায়ন ও অণুজীববিজ্ঞানে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবন ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও রয়েছে অধ্যাপক মোরসালিন বিল্লাহর। তিনি লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ফেলো, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা বিজ্ঞানী, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং অধ্যাপক এবং এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং গবেষক ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং একাডেমিক ও কমনওয়েলথ রাদারফোর্ড ফেলো হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

তার গবেষণার মধ্যে রয়েছে ধানশিল্পের তরল বর্জ্যকে পরিবেশবান্ধব বায়োপ্লাস্টিকে রূপান্তর, খাদ্য সংরক্ষণের জন্য জীবাণুরোধী প্যাকেজিং তৈরি এবং বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সার্স-কোভ-২-এর ঝুঁকি ও রোগের মৃত্যুহার নিয়ে গবেষণা।

এবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১২ জনের পরিবর্তে ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হলেও এবার ১০০ জন শিক্ষককে এক লাখ টাকা করে সম্মাননা দেওয়া হবে।

শিক্ষক নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিটি বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষকদের নির্বাচন করেছে। ওই নীতিমালায় শিক্ষকদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৩টি মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল.কম 

চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং ‘১২০৭’-এর মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং ‘১২০৭’-এর মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এলাকাভিত্তিক কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কিশোর গ্যাং ‘১২০৭’-এর মূলহোতাসহ দুই লিডারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার লনীশ্বর গ্রামের তারেক হোসেন সৈকত এবং কোমারডোগা গ্রামের মো. জাফর আহমেদ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্যাংয়ের সদস্যরা দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ায় সামাজিক শান্তি ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছিল।

এ পরিস্থিতিতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান (পিপিএম)-এর নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ‘১২০৭’ নামের কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক তারেক হোসেন সৈকত ও তার অন্যতম সহযোগী জাফর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে কিশোর গ্যাং ও যেকোনো অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল ব্রাহ্মণপাড়ার সজিবের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল ব্রাহ্মণপাড়ার সজিবের

ছবি সংগৃহীত:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জীবিকার তাগিদে সুদূর সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার তরুণ মো. সজিব (২৫)। সেখানে কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন বুনছিলেন তিনি। তবে আকস্মিক এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় থেমে গেল তার সব স্বপ্ন। সৌদি আরবের জুবাইল শহরে হামলার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এই বাংলাদেশি যুবক।

রোববার (৪ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাতে জুবাইল শহরে এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত সজিব উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের জুবাইল শহরে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

সৌদি আরবে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সজিবের সহকর্মী আল আমিন মুঠোফোনে তার নিহত হওয়ার বিষয়টি দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের নিশ্চিত করেন। পরে সজিবের মৃত্যুর খবর বাগড়া গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সচ্ছলতার আশায় প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন সজিব। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারের একমাত্র আশা-ভরসার আলো নিভে গেছে।

সজিবের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে দাফনের ব্যবস্থা করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার স্বজনরা।

শশীদল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, সজিবের অকাল মৃত্যু পুরো এলাকার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। তার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পরিবারের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 


পুলিশের সহায়তায় ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশের সহায়তায় ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়নের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পুলিশের দাবি, প্রিজনভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পলায়নের ঘটনাটি কোনো দুর্ঘটনা নয়; বরং টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করা হয়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদরদপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার।

পুলিশ কমিশনার জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে ২৯ জন আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পথে কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল এলাকার পশ্চিমে হাজতি বন্দি পিচ্চি রাজা (৩৪) কৌশলে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় কোনাবাড়ী থানায় দণ্ডবিধির ২২৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে মামলাটির তদন্তভার জিএমপি ডিবি দক্ষিণ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা এসআই প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন, মো. সাকিব, শাকিল হোসেন এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

পুলিশ কমিশনার বলেন, তদন্তে নেমে ডিবি বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আলামত সংগ্রহ করে। এতে জানা যায়, আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রিজনভ্যানটি থামানো হয়। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস চালক নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা ও অপর হাজতি খাইরুল বাশারকে ভ্যান থেকে নামান।

পরে খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনের অংশে রাখা হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর প্রিজনভ্যানে ওঠেননি। বরং আগে থেকেই অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে করে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়।

পরবর্তীতে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কোনাবাড়ী এলাকায় পিচ্চি রাজার পলায়নের নাটক সাজানো হয় বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা, স্কট লিডার এসআই প্রবীর কুমার এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চালক কামাল হোসেনের বাড়ি থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ কমিশনার আরও জানান, পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম