খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২১ আশ্বিন, ১৪৩৩

শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব, নৈতিক, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটির ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে ৬ থেকে ৮ অক্টোবর তিন দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণভাবে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হবে।

তিনি বলেন, একটি সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে শিশুদের সার্বিক বিকাশ অপরিহার্য। তবে শিশুশ্রম, সামাজিক সহিংসতা, বাল্যবিয়ে ও বৈষম্যের মতো চ্যালেঞ্জ এখনো বিদ্যমান। এসব সামাজিক ব্যাধি দূর করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি শিশু একেকটি ফুল এবং আগামী দিনের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা। আজকের শিশুর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে আগামী দিনের পথপ্রদর্শক, অভিভাবক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী কিংবা দেশের চালিকাশক্তি। তাই সঠিক যত্ন, স্নেহ ও শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, নিষ্পাপ শিশুদের হাসিমাখা মুখই নতুন বাংলাদেশের আশা ও অসীম সম্ভাবনার প্রতীক। প্রতিটি শিশুর ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা ও সৃজনশীলতা বিকশিত করার পরিবেশ তৈরি করা আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

শিশুদের কল্যাণ ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ১৯৭৮ সাল থেকে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার’ প্রতিযোগিতা চালু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শিশুদের নিরাপদে বেড়ে ওঠা ও তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আইপিইসি প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া, শিল্প-সাহিত্যসহ নানা ক্ষেত্রে আজকের শিশুরাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, শিশু অধিকার দিবস উদযাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির গৌরবময় সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের প্রধান বাতিঘর শিশু একাডেমির অর্ধশতকের এই অভিযাত্রা লাখো শিশুর কণ্ঠে সুরের ঝরনা, তুলির আঁচড়ে রঙের মেলা এবং চোখে রঙিন ভবিষ্যতের দীপ্ত স্বপ্নের প্রতীক।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী নতুন স্বপ্নে জাগ্রত হওয়ার এবং নতুন মানবিক অভিযাত্রার পথপ্রদর্শক হবে। শিশুর নির্মল হাসি, সুপ্ত স্বপ্ন ও সাফল্যের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে আগামী দিনের নিরাপদ, সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ।

শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে দেশের সব শিশু, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিশুকল্যাণে নিয়োজিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন তিনি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফুড ক্যাডেটস -এ হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির এমপ্লয়ার্স মিটিং অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফুড ক্যাডেটস -এ হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির এমপ্লয়ার্স মিটিং অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল

যোগফল প্রতিবেদন :

বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী হস্পিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে ফুড ক্যাডেটস লিপি’স ইউফোরিয়া, ইনস্টিটিউট অব কুলিনারি আর্টস অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটি থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন তারকা মানের হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ এবং চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৫ই অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ ফুড ক্যাডেটস -এ দেশের বিভিন্ন তারকা মানের হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট সহ হস্পিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে একটি এমপ্লয়ার্স মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব মেহেদি হাসান সোহেল -জিএম হোটেল হাইগার্ডেন, মিস এলিনা আক্তার -হোটেল ফার্স, মোঃ ওয়াসিফ -এম্পারিয়ান, জনাব সাজিদুর রহমান -বিএফসি, এম.এ. নাহিয়ান -ফিওনা সহ অন্যান্য হোটেলিয়াররা এবং ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিস স্কিলস কাউন্সিল (T&H ISC) -এর কর্মকর্তাগন, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফুড ক্যাডেটস লিপি’স ইউফোরিয়া’র চেয়ারম্যান জনাব সালেহ মুজাহিদ ও সিইও জনাবা নাফিজ ইসিলাম লিপি এবং SICIP- T&H ISC প্রজেক্ট এর আওতায় প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী প্রায় ১০০ জন ট্রেনিং উপস্থিত ছিল।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হোটেল ও হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ হোটেলিয়াররা ট্রেনিদের সামনে হোটেল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের অভিজ্ঞতা, কর্মপরিধি, ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা, পেশাগত আচরণ এবং নিয়ম-শৃঙ্খলাসহ ইন্ডাস্ট্রির সার্বিক বিষয় নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তারা প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা পর্ব শেষে বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ট্রেনিদের সিভি (CV) সংগ্রহ ও সরাসরি ইন্টারভিউ গ্রহণ করেন। ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বিভিন্ন অকুপেশনে ইন্টার্নশিপের জন্য নির্বাচন করেন।
ইন্টার্নশিপের জন্য যেসব অকুপেশনে ট্রেইনি নির্বাচন করা হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
Food & Beverage Production (Cooking)
Bakery & Pastry Production (Baking)
Housekeeping
Food & Beverage Service
এমপ্লয়ার্স মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা সরাসরি ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বাস্তব কর্মজীবনের ধারণা লাভের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রদর্শনের সুযোগ পান। একই সঙ্গে হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির নিয়োগদাতাদের সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীদের সরাসরি সংযোগ তৈরি হওয়ায় তাদের ইন্টার্নশিপ ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ আরও সুগম হয়েছে।
ফুড ক্যাডেটস -এর এ ধরনের উদ্যোগ দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরির পাশাপাশি দেশের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

যোগফল প্রতিবেদক: 

বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, আসন্ন কমনওয়েলথ সম্মেলনকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘কমনওয়েলথ বিজনেসউইমেনস নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী পরিচালক আরিফ জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী নভেম্বরে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় অনুষ্ঠিত হবে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলন (সিএইচওজিএম)। বৈঠকে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশকে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার দেশ হিসেবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ‘উৎপাদন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া কৃষি ও গ্রামীণ উদ্যোগ জোরদার, ব্লু-ইকোনমির টেকসই সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং ‘সার্কুলার ইকোনমি’ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ

যোগফল প্রতিবেদক: 

সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) আলজেরিয়া থেকে দীর্ঘমেয়াদি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা, মানব পাচার প্রতিরোধ, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানির সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নিরাপত্তা বাহিনীর দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়াতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, যৌথ কর্মশালা এবং আইনগত সহায়তা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুই পক্ষ মনে করে, এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

বৈঠকে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আলজেরিয়াই প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তার দেশ আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে আলজেরিয়া বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও ওষুধ আমদানি বাড়াতে পারে। পাশাপাশি ডাক্তার, নার্সসহ দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য তিনি আলজেরিয়াকে আহ্বান জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশে বিচারাধীন এক আলজেরীয় নাগরিকের আইনি জটিলতার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে আদালতের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করার পরামর্শ দেন মন্ত্রী এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম