খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফিচার: ক্ষুধার্ত দরিদ্রের কথা কেউ শোনে না

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফিচার: ক্ষুধার্ত দরিদ্রের কথা কেউ শোনে না

সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র, নিপীড়িত, নির্যাতিত অসহায় মানুষগুলির কথা কেউ শোনে না। কেউ শুনতে চায়ও না। 

সমাজের অতি চালাক ধনী লোকগুলো বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ক্ষুধার্ত দরিদ্র লোকদের কষ্ট এবং যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দেয়। কিভাবে দরিদ্র লোকদের পেশা থেকে তাদেরকে ছিটকে ফেলে দেওয়া যাবে, কিভাবে তাদের চাকরিহারা করা যাবে, কিভাবে তাদের ব্যবসা এবং কৃষিকাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে আরো দরিদ্র বানিয়ে দেয়া যাবে — সেটাই ধনী লোকদের কৌশলের একটা অংশ।

দরিদ্র, নিপীড়িত, ক্ষুধার্ত লোক ঠিকমত তিন বেলা খেতে পায় না। সন্তানদেরকে খাওয়াতে পারে না, বৃদ্ধ বাবা-মাকেও খাওয়াতে পারে না। তারা ঠিকমত সময়মত বাসা ভাড়া দিতে পারে না। অসুখ-বিসুখ হলে চিকিৎসার টাকা তাদের থাকে না, শরীরের টেস্ট বা পরীক্ষা-নিরীক্ষারও কোন টাকা থাকে না। 

উপায়ান্তর না পেয়ে তারা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে লম্বা লাইনে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখানেও টাকা লাগে। তারপরে তারা বিভিন্ন কবিরাজ, ঝার-ফুঁকের পানি খেয়ে অবশেষে ধুকে ধুকে মরে যায়। আসলে দরিদ্র লোকদের কষ্টের কোন শেষ থাকে না।

একটি সরকার অনেকদিন ক্ষমতায় থাকার পরে নতুন সরকারের দিকে তারা অধীর অপেক্ষায় বসে থাকে। ভাবে নতুন সরকার হয়তো তাদের দরিদ্রদের কথা শুনবে, তাদের দারিদ্র্য দূর করার জন্য অনেক চেষ্টা করবে। কিন্তু নতুন পরিকল্পনা, নতুন সরকারগুলো শুধু ধনী কিভাবে ধনী বানানো যায়, গরীবকে কিভাবে আরো গরিব বানানো যায় সেই পরিকল্পনাতেই সবসময় মত্ত থাকে।

কোন সমাজপতি, কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মাথায় দরিদ্রের স্বপ্ন-ইচ্ছা তত বেশি কাজ করে না। দরিদ্র লোকগুলো যেন গাছের মরা পাতা, দরিদ্র লোকগুলো যেন ধনী লোকের পায়ের ধুলো। 

ধনীরা ভাবে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে শুধু আমরাই থাকব, আমরাই বাঁচব। দরিদ্র লোকগুলো কেন আমাদের সুখ এবং আরামের বিলাসিতার প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড়ায়? 

দরিদ্র লোকগুলো তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা ঠিকমতো করাতে পারে না। গ্রামে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ঠিকমতো খাবার-দাবার দিতে পারে না। দরিদ্র আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নিতে পারে না। 

অথচ দরিদ্র মানুষেরও একটি স্বপ্ন ছিল, একটা ভবিষ্যৎ ছিল, কি সুন্দর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু যে সমাজে তার বসবাস সেই সমাজের নেতৃস্থানীয় লোকগুলো তাকে সহযোগিতা করল না, বিধায় দরিদ্র লোকটি আরো দরিদ্র রয়ে গেল।

সমাজপতিদের পরিকল্পনার মধ্যে ধনী-দরিদ্র সকলকে নিয়ে পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। তাদের পরিকল্পনায় থাকা উচিত ছিল সবার জন্য খাবার, সবার জন্য বাসস্থান, সবার জন্য শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন। 

কিন্তু দরিদ্র লোকগুলো শুধু কেঁদে গেল, আফসোস করে গেল। তাদের সুন্দর স্বপ্নটা শুধু অপূর্ণতায় রয়ে গেল।

- মোঃ মাহাবুবুর রহমান  
ফিচার সম্পাদক, বিপিসি বাংলা

নোয়াখালীর নতুন কূপে গ্যাস, দৈনিক উঠতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীর নতুন কূপে গ্যাস, দৈনিক উঠতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খনন শেষে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। কূপটিতে বর্তমানে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) চলছে। পরীক্ষা শেষ হলে গ্যাসের মজুত ও উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার কথা জানায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। এর আগে গত ২৮ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু হয়।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিন ডিএসটি পরীক্ষা চলবে। এরপর কূপটিতে মোট কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

গোপালগঞ্জে মানবপাচার মামলার পলাতক আসামি রঞ্জন মন্ডল গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে মানবপাচার মামলার পলাতক আসামি রঞ্জন মন্ডল গ্রেপ্তার

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের অন্যতম সহযোগী রঞ্জন মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন তিনি।
গোপালগঞ্জে মানব পাচার মামলার পলাতক আসামি রঞ্জন মন্ডল গ্রেপ্তার
র‌্যাব-৬-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার রাতে কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের গোপালপুর বাজার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে রঞ্জন মন্ডলকে আটক করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযানের বিষয়ে জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত রঞ্জনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য ইতিমধ্যে মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের মূল হোতা বিশু মন্ডলের প্রধান সহযোগী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি ইতালি পাঠানোর কথা বলে সবুজ মুন্সী নামের এক যুবকের কাছ থেকে প্রথমে পাসপোর্ট ও ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ইতালি না পাঠিয়ে তাকে লিবিয়ায় পাচার করে আটকে রাখা হয় এবং শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছ থেকে আরও ৪৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।
এই অমানবিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর ভাই বাহারুল ইসলাম সজিব বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই রঞ্জন মন্ডল পলাতক ছিল।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল

ছবি যোগফল

‎​ মনজুরুল ইসলাম | সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: 

বেলকুচি পৌরসভাকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আসন্ন বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বেলকুচি উপজেলা রাজপথের অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল।
‎​বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা এই নেতা দীর্ঘ দিন ধরে সততা, স্বচ্ছতা ও আদর্শের রাজনীতি বজায় রেখে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বেলকুচির উপজেলা রাজনীতিতে তিনি একজন কর্মীবান্ধব ও দক্ষ পথপ্রদর্শক হিসেবে সুপরিচিত।
‎​এলাকাবাসীর মতে, আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল সবসময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। দলের কঠিন সময়ে শক্ত হাতে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তিনি এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। বেলকুচি পৌরসভার অবহেলিত রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও নাগরিক সেবার আধুনিকায়নে একজন সৎ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা থেকেই স্থানীয় জনগণ ও কর্মীরা তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান।
‎​আসন্ন নির্বাচন ও নিজের প্রার্থিতা নিয়ে আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, "আমি ব্যক্তি স্বার্থে নয়, বেলকুচি পৌরবাসীর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সেবা করার জন্য রাজনীতি করি। পৌরবাসী আমাকে সবসময় আস্থার জায়গায় রেখেছেন। আমি বেলকুচি পৌরসভাকে একটি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত পরিচ্ছন্ন ও তিলোত্তমা পৌরসভায় রূপান্তর করতে চাই। দল ও বেলকুচির সর্বস্তরের জনগণের ভালোবাসা এবং দোয়াই আমার মূল শক্তি।"
‎​মেয়র পদে তার এই লড়াইকে ঘিরে বেলকুচি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করছেন, আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের যোগ্য নেতৃত্বে বেলকুচি পৌরসভা এক নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাবে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক