খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইনুর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ হয়নি, খালাস চেয়ে আপিল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনুর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ হয়নি, খালাস চেয়ে আপিল

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ তো দূরের কথা, কোনো ফৌজদারি অপরাধও প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার সিফাত মাহমুদ। প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্যে কোনো অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হয়নি দাবি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সাজা বাতিল ও ইনুর খালাস চেয়ে আপিল করেছেন তার আইনজীবীরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিফাত মাহমুদ। এদিন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন ইনুর আইনজীবীরা।

সিফাত মাহমুদ বলেন, গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করেন। আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ওই রায়ের বিরুদ্ধে বুধবার ২৩টি যুক্তি বা গ্রাউন্ডে আপিল করা হয়েছে। এতে হাসানুল হক ইনুকে খালাস দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে।

আপিলের যুক্তি তুলে ধরে ইনুর আইনজীবী বলেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণে প্রসিকিউশন যেসব তথ্য-উপাত্ত ও সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে, সেগুলো যথেষ্ট নয়। তা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনাল তাকে সাজা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

সিফাত মাহমুদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রসিকিউশন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথন, ১৪ দলের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

তবে এসব কর্মকাণ্ডের পক্ষে উপস্থাপিত মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি এসব সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাধারণ ফৌজদারি অপরাধও প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন ইনুর এই আইনজীবী।

মামলার তদন্তের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরে সিফাত মাহমুদ বলেন, তদন্তে ঘাটতি ও সীমাবদ্ধতা ছিল বলে ট্রাইব্যুনাল তার রায়ে উল্লেখ করেছেন। এরপরও ত্রুটিপূর্ণ তদন্তের ভিত্তিতে ইনুকে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তদন্তের দুর্বলতা এবং উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিলে এ সাজা টেকসই হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিফাত মাহমুদ আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র বিবেচনায় না নিয়ে প্রসিকিউশনের রাজনৈতিক বয়ানের ওপর নির্ভর করে মামলাটি পরিচালনা করা হয়েছে। তার ভাষায়, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং এতে অনুমাননির্ভর রায় দেওয়া হয়েছে।

এসব যুক্তি তুলে ধরেই আপিলে হাসানুল হক ইনুর খালাস চাওয়া হয়েছে বলে জানান তার আইনজীবী।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় স্কাউট সমাবেশ পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় স্কাউট সমাবেশ পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

ছবি যোগফল

এম. জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার পাইকগাছায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭ম উপজেলা স্কাউট সমাবেশ-২০২৬। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত স্কাউটদের কুচকাওয়াজ ও প্যারেড উপভোগ করেন। এ সময় স্কাউটদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও অংশগ্রহণে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, “শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের সুস্থ মেধা ও মানসিক বিকাশে স্কাউটের ভূমিকা অপরিসীম। স্কাউটিং তরুণদের আত্মনির্ভরশীল, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশানারা পারভীন, একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, জেলা সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন ও জামায়াত নেতা এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

এ ছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস পাইকগাছা উপজেলা শাখার কমিশনার মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আজহার আলী, উপজেলা শাখার সম্পাদক ও ডেপুটি কমিশনার রহিমা আখতার শম্পা, প্রোগ্রাম চিফ প্রদীপ কুমার শীল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল আলীম গাজী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, জেলা স্কাউট লিডার মো. আব্দুল্লাহ হাওলাদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, স্কাউট লিডার ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বাদঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান নিয়ে আতঙ্ক কেন, তদন্ত চান সচেতন মহল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাদঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান নিয়ে আতঙ্ক কেন, তদন্ত চান সচেতন মহল

ছবি যোগফল

আমির হোসেন | সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযানকে কেন্দ্র করে দোকানপাট বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে বাজারের ফার্মেসিগুলোর কার্যক্রম ও ওষুধ বিক্রির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের অভিযান চলাকালে দোকান বন্ধ রাখার অভিযোগের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং বাজারের ওষুধের দোকানগুলোতে নিয়মিত তদারকির দাবি উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজারের কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। তবে কোন অভিযানে কতটি ফার্মেসি বন্ধ ছিল এবং কী কারণে সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে প্রশাসনের অভিযানের সময় ফার্মেসি বন্ধ রাখার অভিযোগ ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোতে বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স রয়েছে কি না, মেয়াদোত্তীর্ণ কিংবা অননুমোদিত ওষুধ মজুত বা বিক্রি করা হচ্ছে কি না এবং ওষুধ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগেও বাদাঘাট বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর বাজারের ওষুধ, মুদি ও কসমেটিকসসহ পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর বাদাঘাট বাজারের চারটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও মূল্যতালিকাসংক্রান্ত অনিয়মের কারণে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সর্বশেষ পাওয়া প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বাদাঘাট বাজারে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি দোকানে অননুমোদিত খাদ্যপণ্য, মসলা, আয়ুর্বেদিক পণ্যসহ ক্ষতিকর সামগ্রী মজুত ও বিক্রির অপরাধে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তবে এসব পুরোনো অভিযানের তথ্য দিয়ে বর্তমানে বাজারের সব ফার্মেসিতে অনিয়ম হচ্ছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এ জন্য প্রয়োজন সরেজমিন পরিদর্শন, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য।

সচেতন মহলের মতে, ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল কিংবা অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির সুযোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী ফার্মেসিগুলো যেন অযথা হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

এ অবস্থায় বাদাঘাট বাজারের সব ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স, ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণব্যবস্থা এবং অনুমোদিত পণ্য বিক্রির বিষয়গুলো যাচাই করতে উপজেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দাবি উঠেছে।

পাশাপাশি প্রশাসনের অভিযানের সময় কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে কি না, তা অনুসন্ধান করে প্রকৃত কারণ প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কপোতাক্ষের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কপোতাক্ষের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

ছবি যোগফল

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এ সময় নদীভাঙন রোধে জরুরি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের মাহমুদকাটী খেয়াঘাটসংলগ্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নদীভাঙনের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীভাঙন উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে। এতে কৃষিজমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে।

তিনি বলেন, সামনে ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম। এর আগেই নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মাহমুদকাটীসহ আশপাশের ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন, ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আতাউর রহমান, চেয়ারম্যান প্রার্থী মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান ও ডা. কালিদাস রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী।