খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

অনিশ্চয়তায় শাকিব খানের ‘সোলজার’, ডিসেম্বরে মুক্তি নিয়ে শঙ্কা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনিশ্চয়তায় শাকিব খানের ‘সোলজার’, ডিসেম্বরে মুক্তি নিয়ে শঙ্কা

যোগফল প্রতিবেদক:

চলতি বছরের ডিসেম্বরে মুক্তির কথা ছিল ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘সোলজার’। তবে শুটিংয়ের বাকি কাজ শেষ না হওয়ায় ছবিটির নির্ধারিত সময়ে মুক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ফলে সিনেমাটি দেখতে শাকিবভক্তদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

গত বছরের অক্টোবরে আড়াই মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তির প্রাথমিক ঘোষণা দিয়েছিলেন নির্মাতা সাকিব ফাহাদ। কিন্তু নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এলেও ছবিটির শুটিং শেষ করতে পারেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কয়েকবার শুটিংয়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হলেও বাকি অংশের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন শাকিব খান। ঈদুল আজহায় ‘রকস্টার’ মুক্তির পর ‘সোলজার’-এর শুটিং শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নানা জটিলতায় তা আর বাস্তবায়িত হয়নি।

পরে ব্যক্তিগত কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যান শাকিব। প্রায় দুই মাস সেখানে কাটিয়ে গত আগস্টে দেশে ফিরে ‘সোলজার’-এর বাকি অংশের শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অভিনেতাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করাতে পারেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

শুটিং বারবার পিছিয়ে যাওয়ার জন্য পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে শাকিব খানের ম্যানেজার মনির জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত কয়েক বছরে শাকিবের কোনো ছবির শুটিং নিয়ে এতটা গড়িমসি হয়নি। বারবার শুটিংয়ের শিডিউল নেওয়া হয়েছে, এরপরও পরিচালক শুটিং শুরু করতে পারেননি। যে কয়বার শিডিউল নেওয়া হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যে আরামসে দুই–তিন সিনেমার শুটিং শেষ করা সম্ভব হতো। কিন্তু তারা পারেননি।’

এদিকে শুটিং আটকে থাকার পেছনে শিল্পী ও কলাকুশলীদের বকেয়া সম্মানীর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করেছেন সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক মৌমিতা হোসাইন। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সম্মানীর যে কথা উঠেছে, এটা তো ভুল। শিল্পী–কলাকুশলীদের সম্মানী তো ছবির শুটিং শেষ হওয়ার আগে পরিশোধের বিষয় নয়। এখনো তো সিনেমার শুটিংই শেষ হয়নি।’

মৌমিতা হোসাইনের ভাষ্য, খুব শিগগির শুটিং শেষ করে নতুন টিজারের মাধ্যমে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাকিব খান। চলতি মাসের শেষ দিকে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তবে দেশে ফিরেই আগামী বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তির পরিকল্পনায় থাকা ‘নিঃস্ব’ সিনেমার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন তিনি। নভেম্বরের শুরু থেকে ছবিটির শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ঈদুল আজহার সিনেমা ‘মহব্বত’-এর শুটিংয়েও ব্যস্ত হওয়ার কথা রয়েছে তার।

এমন ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে ‘সোলজার’-এর বাকি নয় দিনের শুটিং কবে শেষ হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সব মিলিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশপ্রেম ও সমাজের ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘সোলজার’। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সাকিব ফাহাদ। প্রযোজনায় রয়েছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড। এতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আরও রয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী ও এবিএম সুমন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, পিস্তল উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী (৪০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. রনিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। এ সময় একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এসআরবির দাবি, উদ্ধার করা অস্ত্রটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছিল।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এসআরবি-১১। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে এসআরবি-১১ ও ৮-এর যৌথ দল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানার শাহজাহানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনিকে গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ অক্টোবর বিকেল পৌনে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এ সময় সাহেব আলীকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কের পাশের একটি খালে পড়ে গেলে সেখানেও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

এসআরবি জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সাহেব আলীকে লক্ষ্য করে রনিকে গুলি চালাতে দেখা যায় বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। গোয়েন্দা তথ্য ও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনিতে তাঁর বাসায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর একই মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি। রনিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ৫ শিশু আহত, আইসিইউতে এক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ৫ শিশু আহত, আইসিইউতে এক

যোগফল প্রতিবেদক:

ঢাকার ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন একটি অরক্ষিত ভবনের ছাদ থেকে পড়ে পাঁচ শিশু আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আল আমিন হোসেন নামে এক শিশুর অবস্থা গুরুতর। মাথা ফেটে যাওয়া ও হাত-পা ভাঙা অবস্থায় তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ধামরাইয়ের বাগনগর মডেল টাউন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আল আমিনের বাবা বিপ্লব হোসেন ও মা খাদিজা বেগম দুজনই পোশাকশ্রমিক। তারা ধামরাই পৌরসভার পাঠানটুলা মহল্লায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগনগর মডেল টাউন এলাকায় সাইদুর রহমান একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। ভবনটিতে কোনো নিরাপত্তাবেষ্টনী নেই। ছাদে ওঠার সিঁড়িও অরক্ষিত এবং ছাদের চারপাশে কোনো সুরক্ষাবেষ্টনী নেই।

শুক্রবার আল আমিনসহ সাত শিশু ওই ভবনের ছাদে খেলাধুলা করছিল। এ সময় পাঁচ শিশু ছাদ থেকে নিচে পড়ে আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়া ভবন নির্মাণের নিয়ম নেই। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জামায়াতের সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্য, এনসিপি ছাড়লেন কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াতের সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্য, এনসিপি ছাড়লেন কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্যের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) মো. আব্দুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে দলের আহ্বায়ক বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পদত্যাগপত্রটি প্রকাশ করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে আব্দুর রহমান উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে দলের নির্বাচনী ও নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি হতাশ হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ও রাজনৈতিক জোটের ফলে কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত জামায়াতের আদর্শের বিস্তার ঘটছে। এ কারণে তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোটের প্রশ্নে এনসিপির অনেক প্রতিষ্ঠাকালীন মেধাবী, পরিশ্রমী ও সম্ভাবনাময় নেতাও দল ছেড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আব্দুর রহমান আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক জোট হলেও দুই দলের আদর্শিক অবস্থান এক হবে না—এমন ধারণা থেকেই তিনি এতদিন দলের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু দিন দিন দুই পক্ষের রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থান একাকার হয়ে যাচ্ছে। একজন কর্মী হিসেবে বিষয়টি তাঁর মৌলিক আদর্শ ও চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে সহকর্মীদের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন আব্দুর রহমান। তিনি জানান, গত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। ওই পোস্টের পর সহকর্মীদের কেউ কেউ তাঁকে ‘মুজিববাদী’ আখ্যা দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তাঁর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সহকর্মীদের প্রতি অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে এনসিপিতে যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু দলের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান তাঁর প্রত্যাশার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ মনে হওয়ায় তিনি দলটির সঙ্গে পথচলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে ভবিষ্যতে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এনসিপি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আব্দুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত জোটের মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানান। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম