খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯ কার্তিক, ১৪৩৩

কক্সবাজার সৈকতে লাখো মানুষের ঢল, ৪৫ মিনিটে বিসর্জন ৩৮০ প্রতিমা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কক্সবাজার সৈকতে লাখো মানুষের ঢল, ৪৫ মিনিটে বিসর্জন ৩৮০ প্রতিমা

ছবি সংগৃহীত

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার:

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন উৎসব। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সৈকতের লাবণী পয়েন্টসহ প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের ঢল নামে। আয়োজকদের হিসাবে, বিসর্জন উৎসবে তিন লাখের বেশি দর্শনার্থী অংশ নেন। মাত্র ৪৫ মিনিটে একে একে ৩৮০টি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

বুধবার দুপুর থেকেই কক্সবাজার শহরের লাবণী, সিগাল, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট এলাকায় জড়ো হতে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে ট্রাকে করে প্রতিমা নিয়ে আসেন ভক্তরা। পরে কাঁধে করে কিংবা ভ্যানে করে প্রতিমাগুলো সৈকতের বালুচরে নেওয়া হয়। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি।

বিকেল পাঁচটার দিকে মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে বঙ্গোপসাগরে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়। এরপর একে একে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। ৪৫ মিনিটের মধ্যেই ৩৮০টি প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।

বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে কক্সবাজার শহর, সদর উপজেলা, উখিয়া, টেকনাফ, রামু ও ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে আসা হয় সৈকতে। এর আগে মণ্ডপগুলোতে পূজার ঘণ্টাধ্বনি, ঢাকের বাদ্য, পুরোহিতদের মন্ত্রপাঠ ও ফুলের অঞ্জলির মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা।

সৈকতের বালুচরে প্রতিমা ঘিরে শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনা করেন ভক্তরা। অনেকে সিঁদুর খেলায় অংশ নেন। দেবীর কপালে ও পায়ে সিঁদুর ছুঁইয়ে প্রণাম করার পাশাপাশি একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে দেন তাঁরা। উৎসবের আনন্দের মধ্যেও দেবী দুর্গার বিদায়বেলায় অনেকের চোখেমুখে ছিল বিষাদের ছাপ।

শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পাল বলেন, দেবীর বিদায়ে মন খারাপ হলেও উৎসবের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। তাঁরা জগতের সব মানুষের মঙ্গল কামনা করেন।

ঘোনাপাড়ার কলেজছাত্রী আলপনা দাশ বলেন, লাখো মানুষের উপস্থিতিতে দেবীকে বিদায় জানাতে পেরে তিনি শান্তি পেয়েছেন। তবে মা চলে যাওয়ায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে।

এবার কক্সবাজার জেলায় মোট ৩২৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৫টি মণ্ডপে প্রতিমাপূজা এবং ১৬৯টিতে ঘটপূজা হয়। উপজেলাগুলোর মধ্যে চকরিয়ায় সর্বোচ্চ ৭১টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া কুতুবদিয়ায় ৪৪টি, রামুতে ৩৭টি, কক্সবাজার সদরে ৩১টি, ঈদগাঁওয়ে ২৯টি, মহেশখালীতে ২৮টি, কক্সবাজার পৌরসভায় ২৬টি, চকরিয়া পৌরসভায় ২৫টি, পেকুয়ায় ৯টি, উখিয়ায় ৯টি, মহেশখালী পৌরসভায় ৬টি ও টেকনাফে ৬টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমা বিসর্জন উৎসবকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে সমুদ্রসৈকত ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উদয় শংকর পাল বলেন, গত বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, পর্যটন শহর কক্সবাজার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর।

তিনি উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পর্যটন নগরীকে নতুনভাবে সাজানোর কাজ চলছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কয়েক লাখ মানুষের উপস্থিতিতে এই বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন উৎসব প্রমাণ করেছে, কক্সবাজার সম্প্রীতির শহর। যেকোনো মূল্যে এই সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফর রহমান কাজল ও শামীম আরা স্বপ্না, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার এ এম সাজেদুর রহমান, রামকৃষ্ণ মিশন কক্সবাজারের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ সোমেশ্বর চক্রবর্তী, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দোলন ধর এবং দীপক শর্মা।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের উৎসব দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল। সঞ্চালনা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন দাশ।

সার্বিকভাবে, বিপুল জনসমাগম, সুশৃঙ্খল আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন উৎসব সম্পন্ন হয়।

 তুলি আক্তার/ অনলাইান ডেস্ক/ যোগফল. কম 


নোয়াখালীতে পূর্বশত্রুতার জেরে তরুণকে গুলি, মোটরসাইকেল ছিনতাই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে পূর্বশত্রুতার জেরে তরুণকে গুলি, মোটরসাইকেল ছিনতাই

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে কামরুল হাসান (২৪) নামে এক তরুণকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড় নেওয়াজপুর গ্রামের আক্কাছ পাটোয়ারী বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ কামরুল হাসান ওই বাড়ির মো. ইউছুফের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দর্জি।

কামরুলের খালাতো ভাই মো. শান্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল চট্টগ্রামে দর্জির কাজ করেন। দুদিন আগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন তিনি। শনিবার বিকেলে মোটরসাইকেলে খালাতো ভাই রাকিবকে (২০) নিয়ে আলাইয়াপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের এক পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন।

পথে বাড়ির সামনের সড়কে পৌঁছালে বাংলাবাজার এলাকার হারুন ও আওয়ামী লীগ নেতা সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। একপর্যায়ে নুরু তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে কামরুলের বুকের ডান পাশে ও ডান হাতের বাহুতে গুলি লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কামরুল হাসপাতালে ভর্তি হন। তার এক হাতের বাহুতে বুলেটের আঘাত রয়েছে। পেটের ওপরের অংশেও বুলেটের মতো আরেকটি আঘাত আছে, তবে সেখানে কোনো বুলেট পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে নুরুর মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুল কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এরই মধ্যে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার্জার ও ৯ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার্জার ও ৯ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় একটি চার্জার ও ৯ রাউন্ড চায়না গুলিসহ শামিম মিয়া (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের জয়নগর বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক শামিম মিয়া গোপিনাথপুর ইউনিয়নের বড়ঠুডা গ্রামের আল আমিন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ডেকোরেশন শ্রমিক।

কসবা থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের খিরনাল গ্রামে একটি অনুষ্ঠানে লাইটিংয়ের কাজ করছিলেন শামিম। বিকেলে কাজ শেষে ফেরার পথে জয়নগর বাজারের পাশে একটি চার্জার ও ৯ রাউন্ড চায়না গুলি পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে কৌতূহলবশত সেগুলো তুলে নেন।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, চট্টগ্রামে আরআরএফে কর্মরত মাহমুদুল হাসান নামে এক পুলিশ সদস্য শামিমের কাছে চার্জার ও গুলি দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো জব্দ করে এবং শামিমকে আটক করে।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় শামিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, নিহত ২

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, নিহত ২

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর বাগেরহাট গ্রামের পুকুর খুড়ির দোলা ক্যানেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কচুয়া সরদারপাড়া এলাকার এজারুল ওরফে রেজাউল কানা (৪৫) এবং কোলকোন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা সাদিকুল ইসলাম (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি টের পান তিনি। এরপর তিনি চিৎকার শুরু করলে পাশের মসজিদের মাইকে ‘চোর, চোর’ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। মাইকের ঘোষণা শুনে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিসহ স্থানীয় লোকজন অটোরিকশাসহ ওই দুই ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন।

একপর্যায়ে তারা অটোরিকশাটি ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর পানাপুকুর এলাকার পুকুর খুড়ির দোলায় একটি ধানক্ষেত থেকে তাদের আটক করেন। সেখানে উত্তেজিত লোকজনের গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সবুর বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অটোরিকশা চুরির পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে ওই দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম