খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১ কার্তিক, ১৪৩৩

ভোলায় ভুয়া ট্যাক্স কালেক্টর চক্রের দুই সদস্য আটক, বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোলায় ভুয়া ট্যাক্স কালেক্টর চক্রের দুই সদস্য আটক, বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

ছবিতে অভিযুক্ত দুই প্রতারক

বি এম শামিম  হাওলাদার ।। ভোলা প্রতিনিধি:

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়  হাসান নগর ইউনিয়নের  নিজেদের ট্যাক্স কালেক্টর পরিচয় দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বসতভিটার কর আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার সাচড়া, কাচিয়া, পক্ষিয়া ও হাসাননগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় টিনের ঘর থেকে ৩০০ টাকা এবং পাকা ঘর থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থানার মো. মজিদুল ইসলাম (৩৮) এবং নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার মাহবুব ইসলাম সাগর (২৪)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ছয় থেকে সাতজন জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের ট্যাক্স কালেক্টর পরিচয় দিয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বসতভিটার কর দেওয়ার কথা বলে টাকা সংগ্রহ করতেন। টিনের ঘরের জন্য ৩০০ টাকা এবং পাকা ঘরের জন্য ৫০০ টাকা করে আদায় করা হতো বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এসব টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য আদায় করা হচ্ছিল কি না, কিংবা তাদের কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৈধ অনুমোদন ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয় গতকাল উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে টাকা সংগ্রহ করতে গেলে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক তাদের পরিচয় ও টাকা আদায়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা কোন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ট্যাক্স আদায় করছেন এবং আদায় করা টাকা কোথায় জমা দেওয়া হবে, তা জানতে চান। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। এতে তাদের কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে গত রাতে তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আরও অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসক ও সচিবের সঙ্গে যোগসাজশ করে কার্যক্রম চালাতেন। ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারদের সহযোগিতা নিয়ে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে টাকা আদায় করা হতো বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ফলে এ ঘটনায় সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্যাক্স আদায়ের এ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, সরকারি কর্মকর্তা বা ইউনিয়ন পরিষদের লোক পরিচয় দিয়ে কেউ টাকা চাইলে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রতারণার শিকার হতে পারেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সরকারি কর আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় অনেকেই পরিচয় যাচাই না করেই টাকা দিয়ে দিতে পারেন। স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, সরকারি কর আদায়ের নামে এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে কারা টাকা আদায়ের অনুমতি দিয়েছিল, আদায় করা অর্থ কোথায় গেছে এবং এর পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

স্থানীয়দের মতে, শুধু আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হবে না; এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র কিংবা অন্য কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি যেসব ব্যক্তি টাকা দিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আদায় করা অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। সরকারি কর বা ফি আদায়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয়, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং অর্থ জমা দেওয়ার নিয়ম স্পষ্ট করা হলে এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধ করা সম্ভব বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং কথিত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে আটক ব্যক্তিদের দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অব পেনসিলভানিয়া ইউএসএ ইনকের ২০২৭-২০২৯ মেয়াদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শরাফত উল্লাহ সোহাগ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় ৬২ রিচফিল্ড রোড, আপার ডারবি, পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করে।

কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন টিপু এবং সহসভাপতি হয়েছেন মো. সাহিদ কামাল সবুজ।

কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহসাধারণ সম্পাদক নূর করিম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন এরশাদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউসুফ নবী, সহকারী কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক জহিরুল আলম নয়ন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মেদ আরিফুর রহমান তারেক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাইনুর রহমান জনি এবং ক্রীড়া সম্পাদক বেলাল হোসাইন রতন।

এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য হয়েছেন ইকবাল চৌধুরী রিপন, ইউসুফ নবী, সালেহ উদ্দিন, আরিফুল হক রনি ও নূরুল আফসার রাজিব।

কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহফুজুল হক চৌধুরীর ছেলে ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন। তার নেতৃত্বে প্রবাসে কোম্পানীগঞ্জের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে প্রবাসীরা।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্যও।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়।

মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে তাহিরপুরে উত্তেজনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে তাহিরপুরে উত্তেজনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

ছবিতে কৃপেশ রায়

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে কৃপেশ রায় (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের রাজারগাঁও গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কৃপেশ রায় রাজারগাঁও গ্রামের ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র রায়ের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি পুলিশের সাবেক বা বর্তমান সদস্য হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর চাকরির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) 'Kripash Ray' নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মুসল্লিসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কৃপেশ রায়। তাঁর দাবি, পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই পন্টি রায় তাঁকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তাঁর ফেসবুক পরিচয় ব্যবহার করে অথবা ভুয়া পোস্টের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি সুরক্ষা চেয়ে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে তাহিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, কৃপেশ রায় তাঁকে সামাজিক ও আইনিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন। জিডি করার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ওসি আরও জানান, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজারগাঁও গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, ঘটনার পর এলাকায় শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির নেতারা। দলটির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা এবং তাঁদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানি বা ক্ষতির শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসনের সতর্ক ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন তাঁরা।