খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩

ফুলে সাজানো রিকশায় ঘুরিয়ে সহকর্মীকে বিদায় জানালেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফুলে সাজানো রিকশায় ঘুরিয়ে সহকর্মীকে বিদায় জানালেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষ দিনে ব্যতিক্রমী বিদায় সংবর্ধনা পেলেন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মোক্তার আলী। ফুল দিয়ে সাজানো রিকশায় চড়িয়ে পুরো উপজেলা ঘুরিয়ে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন সহকর্মীরা। সহকর্মীদের এমন ভালোবাসা ও সম্মাননায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

সোমবার (২ নভেম্বর) মোক্তার আলীর অবসর উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়। তাকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

প্রথমে আনুষ্ঠানিকভাবে মোক্তার আলীকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা জানানো হয়। পরে ফুল দিয়ে সাজানো একটি রিকশায় তাকে বসিয়ে ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ঘুরিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেন সহকর্মীরা। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর-রশিদ হারুন।

দীর্ঘদিন একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে মোক্তার আলীর গড়ে উঠেছিল আন্তরিক সম্পর্ক। কর্মজীবনের নানা স্মৃতি ও একসঙ্গে কাটানো সময়ের গল্পে বিদায় আয়োজনটি হয়ে ওঠে আবেগঘন।

বিদায়ের অনুভূতি জানিয়ে মোক্তার আলী বলেন, চাকরিজীবনের শেষ সময়ে সহকর্মীরা তাকে এতটা ভালোবাসা ও সম্মান জানাবেন, তা তিনি কখনো ভাবেননি। এমন আয়োজন তাকে আনন্দিত ও অভিভূত করেছে। সহকর্মীদের এই ভালোবাসা আজীবন মনে রাখবেন তিনি। এ সময় সবার জন্য দোয়া করেন মোক্তার আলী।

ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর-রশিদ হারুন বলেন, মোক্তার আলী অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে বিদায় জানাতে গিয়ে সবারই খারাপ লেগেছে। তার অবসরজীবন সুস্থ, সুন্দর ও আনন্দময় হোক—এটাই তাদের প্রত্যাশা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তে রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তে রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার

ছবিতে গ্রেফতারকৃত যুবক

আবু মুসা | টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে রবি আলম (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ২১ নম্বর চাকমারকুল সিআইসি চেকপোস্টের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রবি আলম টেকনাফের উনচিপ্রাং ২২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/২ ব্লকের বাসিন্দা।

এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ মডেল থানায় দায়ের করা ৭৯ নম্বর মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) প্রকাশ চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। এতে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৫৭ ও ৩৮০ ধারা উল্লেখ রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে এপিবিএন সদস্যদের পাহারায় টেকনাফ মডেল থানায় পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার কথা রয়েছে।

সূত্র: এপিবিএন

গোপালগঞ্জে ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ পিতার ঠাঁই হয়েছে গাছ তলায়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ পিতার ঠাঁই হয়েছে গাছ তলায়

ছবিতে গাছ তলায় বৃদ্ধ পিতা

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

জীবনের সবটুকু সুখ ও শ্রম বিলিয়ে দিয়ে ৬ সন্তানকে বড় করেছেন বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লা (৯৫)।জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে সেই সন্তানদের কাছে তিনি এখন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ছয় সন্তানের  মধ্যে কারো কাছেই তার ঠাঁই হয়নি।ছেলে মেয়েরা সকলে মিলে জমিজমা লিখে নিয়ে তাকে রেখে দিয়েছে বাড়ির পাশে একটি গাছের নিচে।এখানে এখন দিন কাঁটছে বৃদ্ধ শামসুল হক।

বৃদ্ধ শামসুল হক গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামের  ওমেদ আলী মোল্লার ছেলে।

জানাগেছে, হাজী শামসুল হক মোল্লার দুটি ছেলে ও চারটি মেয়ে রয়েছে। ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে আজিজুল মোল্লা পেশায় একজন ফেরিওয়ালা।ছোট ছেলে রেয়াজুল মোল্লা বাসের হেলপার। 

অপরদিকে চার মেয়ের মধ্যে মায়া বেগম, সাবিনা বেগম ও সালমা বেগমকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছোট মেয়ে কাজুলী বেগম শারীরিক প্রতিবন্ধী।

বৃদ্ধ হাজী শামসুল হকের ছোট সন্তান কাজুলী বেগম বাদে আর পাঁচ সন্তান তাদের সংসার সন্তান নিয়ে ব্যস্ত।
গত কয়েক বছর আগে হাজী শামসুল হক তার জমি বিক্রি করে হজ্ব করতে যায়।তখন বাকি জমি জমা সন্তানদের মাঝে ভাগ করে দেন।কিন্তু বর্তমানে বিপত্নীক এই বৃদ্ধের কোন সন্তানই খোঁজ খবর তেমন রাখছে না। 

শামসুল হক মোল্লা গত কয়েক দিন ধরে তার বড় মেয়ে মায়া বেগমের বাড়িতে ছিলেন।
কিন্তু আজ মঙ্গলবার সকালে মায়া বেগম তার বৃদ্ধ বাবাকে ভাইদের বাড়িতে নিয়ে আসলে ভাই ও তাদের স্ত্রীরা মিলে হাজী শামসুল হক মোল্লাকে বাড়ি থেকে বের করে একটি গাছে নিচে রেখে দেয়।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মাঝে শামসুল হক মোল্লার সন্তানদের নিয়ে একটি বিরুপ প্রতিক্রিয়া হয়।

মায়া বেগম বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ্য।তার পরে আমার বাড়িতে আবার প্রতিবন্ধী ছোট বোন কাজুলী থাকে। যার কারণে আমার পক্ষে আমার বাবাকে রাখা সম্ভব নয়।

সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতেই চলছে অনুমোদনহীন ড্রেন নির্মাণকাজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতেই চলছে অনুমোদনহীন ড্রেন নির্মাণকাজ

ছবিতে নির্দেশনাসহ কাজে আগে ও পরের চিত্র

গাজীপুর প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কোনাবাড়ী এলাকার আমবাগ মিতালী হাউজিংয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই রাস্তার ওপর ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। 

তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রকৌশলগত তদারকি ছাড়া ড্রেন নির্মাণ করা হলে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল, পানি নিষ্কাশন এবং রাস্তার স্থায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার জোন ৭ (কোনাবাড়ি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মোশারফ হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক কাজটি বন্ধ করে দেন বলে জানান। পরবর্তী সময়ে ১৫ অক্টোবর উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে ১৮ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়।

শুনানিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপর পক্ষকে রাস্তা খনন ও ড্রেন নির্মাণের আগে সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন গ্রহণ, নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুনানিতে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ না করে এবং রাস্তা খননের অনুমোদন গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই পরবর্তী সময়ে পুনরায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কাজ চলাকালে সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক সুপারভাইজার নাসির হোসেনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ১১৯ ধারায় নগরীর রাস্তা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। একই আইনের ১২০ ধারায় রাস্তা নির্মাণ ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়ে কর্পোরেশনের অনুমোদন ও নির্দেশনার বিধান রয়েছে।
এ ছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘সড়ক খনন অনুমতি পদ্ধতি’ অনুযায়ী, রাস্তা খননের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন, সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরিমাপের মাধ্যমে ফি নির্ধারণ এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর অনুমতি প্রদানের প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী মো. তারেক হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কাজের অনুমোদন এখনো দেওয়া হয়নি এবং অনুমোদন পেতে সময় প্রয়োজন। 
অন্যদিকে, সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৭ (কোনাবাড়ী) জোনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজরাতুন নাঈমার কাছে বিষয়টি জানানো হলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।