খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে সহপাঠীরা মেধাবী শিক্ষার্থীর পিঠে চালাল চাইনিজ কুড়াল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে সহপাঠীরা মেধাবী শিক্ষার্থীর পিঠে চালাল চাইনিজ কুড়াল

ছবিতে মেধাবী শিক্ষার্থী ইমন কাজী

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

মেধাবী শিক্ষার্থী ইমন কাজী (১৮)। গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগের এ শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.৭৫ পেয়েছে। ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার মাঝগাতি ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামে অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করছেন । ওই শিক্ষার্থীর বাবার নাম ছিদ্দিক কাজী। 

সোমবার (২ নভেম্বর) গোপালগঞ্জ শহরের অপটিমাম কোচিং সেন্টার এ কোচিং করতে আসেন । কোচিং শেষ করে বাড়ি যাবার পথে শহরের ট্রাস্ট ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে বাবার পাঠানো ১৯ হাজার ও মামা ইকরাম কাজীর পাঠানো ৭০ হাজার টাকা সহ মোট ৮৯ হাজার টাকা উত্তোলন করে। পরে বন্ধু হামীম মীরের মোটর সাইকেলে করে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেন তারা । তাদের মোটর সাইকেল বেদগ্রাম হাজী নাদের আলী সাদেক আলী স্কুলের সামনে পৌঁছালে বাপ্পী কাজী, শামীম কাজী, তামিম কাজী মোটরসাইকেল ব্যারিকেট দিয়ে রাস্তার ওপর ফেলে দেয় । পরে শামীম কাজী চাইনিজ কুড়াল দিয়ে ইমনের পিঠে ৭টি কোপ দেয়। এছাড়া হাত-পা, মুখ ও মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পেটায় । রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা আলেয়া বেগম বাদী হয়ে গোপীনাথপুর গ্রামের নওশের কাজী ছেলে তুহিন কাজী, আমিনুর কাজী, আমিনুর কাজীর ছেলে বাপ্পী কাজী, জাকির কাজীর ছেলে শামীম কাজী, তামিম কাজীকে আসামী করে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আহত শিক্ষার্থী ইমন কাজী বলেন, চাচাতো ভাই ইসলাম কাজীর ছেলে সালমান কাজী আমার সাথে চলাফেরা করে। ১৫ দিন আগে গ্রামের একটি  তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাপ্পী, শামীমের সাথে  সালমানের বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় আমি ঐ স্থানে উপস্থিত ছিলাম। পরে স্থানীয়রা এটি মিটিয়ে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা আমার ওপর হামলা চালিয়ে হাতুড়ি পেটা ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। এ সময় তারা নগদ ৮৯ হাজার টাকা, আই ফোন ও একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় ভয়ে হামীম মীর নিরাপদে আশ্রয় নেয়। বেদগ্রামের অনেকে এটি দেখেছে। তারা  আমাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসে, কিন্তু চাইনিজ কুড়াল দেখে আতংকে কাছে কেউ আসেনি।

মাঝিগাতী দশপল্লী নেছার উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী আল মামুন বলেন, ইমন কাজী ২০২৪ সালে আমাদের স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়েছিল। মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে সে ভালো রেজাল্ট করেছিল। শুনেছি সহপাঠীদের সাথে বিরোধের জের ধরে তাকে রক্তাক্ত আহত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত বাপ্পী কাজী বলেন, নারী ঘটিত ব্যাপার নিয়ে ইমন কাজী আমাদের এক ছোট ভাইকে মারপিট করতে চায়। আমি এটির প্রতিবাদ জানাই।৭দিন আগে এ বিরোধ নিয়ে ইমন আমাকে মারপিট করে । পরে আমি হাসপাতালে ভর্তি হই ও থানায় অভিযোগ করি ।স্থানীয়রা এটি মিমাংসা করে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমি ইমনকে মেরেছি। স্থানীয়রা এটি মিমাংসা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।    

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার এস আই মুকুল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে মামলা দায়ের হয়েছে । আমি মামলার তদন্ত শুরু করেছি । তদন্ত শেষে পারবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামায় মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামায় মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা দাখিল করে মামলা করার অভিযোগে মোছা. নুরহাত জাহান লিজা নামে এক নারীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নুরহাত জাহান লিজার দায়ের করা একটি মামলায় আসামি মো. তৌফিক হাসানসহ তিনজনের জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় উভয়পক্ষের দাখিল করা নথিপত্র পর্যালোচনা করেন আদালত। এ সময় বাদীর দাখিল করা জন্মসনদ এবং তৌফিক হাসানের সঙ্গে বিয়ের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত কাবিননামায় একাধিক অসংগতি পাওয়া যায়।

আদালতের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কাবিননামায় কাজির স্বাক্ষর ছিল না। এ ছাড়া ১৫ নম্বর কলামে দেনমোহরের পরিমাণ অঙ্কে ২০ হাজার টাকা লেখা থাকলেও কথায় লেখা ছিল দুই হাজার টাকা। এসব অসংগতির কারণে কাবিননামাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

পরে নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রতারণার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মামলাটি খারিজ করেন আদালত। একই সঙ্গে আসামি মো. তৌফিক হাসান (২১), মো. আনোয়ার হোসেন (৫০) ও মোছা. টপি বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলায় জাল ও ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র দাখিলের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নবীন আইনজীবী মো. আব্দুর রশিদকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁর বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে।

অন্যদিকে, মিথ্যা জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা দাখিল করে মামলা করার অভিযোগে বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে তাঁকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মানিক বলেন, এ ধরনের ভুয়া মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার অনেক নজির রয়েছে। যারা প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়, তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য, মেয়েটির সঙ্গে ছেলেটির ধর্মীয়ভাবে বিয়ে হলেও আইনগতভাবে তা সম্পন্ন হয়নি। পরে নকল কাবিননামা তৈরি করে মামলা করা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অন্যকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ মামলায় আদালত ন্যায়বিচার করেছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু মোকারমকে (৪৪) দুই বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল (সর্দার বাড়ি) এলাকার আবু তালেবের ছেলে।

এসআরবি-১১ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে আবু মোকারমসহ অন্য আসামিরা তাঁর বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রাখেন। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় আবু মোকারম ছিলেন প্রধান আসামি।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৩ সালের ১৯ মে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

এসআরবি জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরদিন ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে বন্দিরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি করা মই দিয়ে কারাগারের উঁচু সীমানাপ্রাচীর টপকে অনেক বন্দি পালিয়ে যান। তাঁদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবু মোকারমও পালিয়ে যান।

পালানোর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তিনি দীর্ঘ দুই বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-১১-এর একটি আভিযানিক দল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম