খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

তাহিরপুর ৫ নং বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মো: আজিজুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুর ৫ নং বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মো: আজিজুর রহমান

ছবিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: আজিজুর রহমান

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

খুব শীঘ্রই ইউনিয়ন নির্বাচন সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পর সুনামগঞ্জের  তাহিরপুর উপজেলার ৫ নং বাদাঘাট  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মো: আজিজুর রহমান। 

তিনি নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার লক্ষ্যে নির্বাচনী মাঠে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন,তিনি বাদাঘাট ইউনিয়নের বাসিন্দা মো: আজিজুর রহমান। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য এবং তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক তিনি একজন শিক্ষানুরাগী,তরুনসমাজসেবক, এলাকার উন্নয়নে নিবেদিত ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত। 

তিনি একটি জনসেবামূলক আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি আদর্শিক সেবা: মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে, কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা বৈষম্য ছাড়া স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া তাঁর জীবনের প্রধান অঙ্গীকার। ​নির্বাচনী ভিশন ও অঙ্গীকারে-​ প্রার্থী মো: আজিজুর রহমান তাঁর ইউনিয়নকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ঢেলে সাজানোর বেশ কিছু লক্ষ্য তুলে ধরেছেন-এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শ, তরুণ প্রজন্মের মেধার উদ্ভাবনী শক্তি এবং যুবকদের কর্মস্পৃহাকে কাজে লাগিয়ে ৫ নং বাদাঘাট ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্মার্ট,দুর্নীতিমুক্ত এবং জবাবদিহিতামূক ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব বলে মনে করেন।​ 

যেখানে থাকবে বৈষম্যহীন সেবাপ্রদান! কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা বৈষম্য ছাড়াই প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা পৌঁছে দেওয়া তার মূল উদ্দেশ্য। নির্বাচন প্রসঙ্গে মো: আজিজুর রহমান বলেন, আমি আমার ইউনিয়নের মানুষের সেবক হতে চাই। আমি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়, বরং ৫ নং বাদাঘাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই।তিনি আরও বলেন আমি আমার প্রিয় বাদাঘাট ইউনিয়নকে একটি মডেল,আলোকিত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছি। যেখানে থাকবে সকল জনসাধারণের সম্মানজনক অধিকার ! 

এই পথচলায় আমি আমার সম্মানিত ইউনিয়ন বাসির দোয়া,ভালবাসা, পরামর্শ, সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।এলাকার সর্বমহলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাঁর এই প্রার্থিতা ঘোষণা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারণে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে এবং সর্বজনের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন।​

বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামায় মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামায় মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা দাখিল করে মামলা করার অভিযোগে মোছা. নুরহাত জাহান লিজা নামে এক নারীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নুরহাত জাহান লিজার দায়ের করা একটি মামলায় আসামি মো. তৌফিক হাসানসহ তিনজনের জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় উভয়পক্ষের দাখিল করা নথিপত্র পর্যালোচনা করেন আদালত। এ সময় বাদীর দাখিল করা জন্মসনদ এবং তৌফিক হাসানের সঙ্গে বিয়ের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত কাবিননামায় একাধিক অসংগতি পাওয়া যায়।

আদালতের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কাবিননামায় কাজির স্বাক্ষর ছিল না। এ ছাড়া ১৫ নম্বর কলামে দেনমোহরের পরিমাণ অঙ্কে ২০ হাজার টাকা লেখা থাকলেও কথায় লেখা ছিল দুই হাজার টাকা। এসব অসংগতির কারণে কাবিননামাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

পরে নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রতারণার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মামলাটি খারিজ করেন আদালত। একই সঙ্গে আসামি মো. তৌফিক হাসান (২১), মো. আনোয়ার হোসেন (৫০) ও মোছা. টপি বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলায় জাল ও ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র দাখিলের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নবীন আইনজীবী মো. আব্দুর রশিদকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁর বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে।

অন্যদিকে, মিথ্যা জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা দাখিল করে মামলা করার অভিযোগে বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে তাঁকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মানিক বলেন, এ ধরনের ভুয়া মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার অনেক নজির রয়েছে। যারা প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়, তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য, মেয়েটির সঙ্গে ছেলেটির ধর্মীয়ভাবে বিয়ে হলেও আইনগতভাবে তা সম্পন্ন হয়নি। পরে নকল কাবিননামা তৈরি করে মামলা করা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অন্যকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ মামলায় আদালত ন্যায়বিচার করেছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু মোকারমকে (৪৪) দুই বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল (সর্দার বাড়ি) এলাকার আবু তালেবের ছেলে।

এসআরবি-১১ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে আবু মোকারমসহ অন্য আসামিরা তাঁর বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রাখেন। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় আবু মোকারম ছিলেন প্রধান আসামি।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৩ সালের ১৯ মে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

এসআরবি জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরদিন ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে বন্দিরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি করা মই দিয়ে কারাগারের উঁচু সীমানাপ্রাচীর টপকে অনেক বন্দি পালিয়ে যান। তাঁদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবু মোকারমও পালিয়ে যান।

পালানোর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তিনি দীর্ঘ দুই বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-১১-এর একটি আভিযানিক দল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম