খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়েছে। আজ শনিবার র‍্যালি , আলোচনা সভা, মসজিদে দোয়া মাহফিল ও মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

দিবসটি উপলক্ষে এদিন সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে  র‍্যালি বের করা হয়।  র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, ৭ই নভেম্বর শুধু একটি দিবস নয়, এটি আমাদের জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথ নির্দেশক হিসেবে আবির্ভাব হয়েছে। সিপাহি জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য যা যা করার দরকার ছিল তিনি অত্যন্ত সততার সঙ্গে সবকিছু করেছিলেন। তারই আদর্শ ধারণ করে তার সুযোগ্য পুত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক একই পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রধান নীতি সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থকে দেখতে হবে।  তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, এদেশ ও এ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে স্থানীয়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা মডেল বিশ্বিবদ্যালয়ে পরিণত করতে পারব।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, আমরা যার আদর্শে অনুপ্রাণিত হই, তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ওনার দলের প্রধান স্লোগান—ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। আমরা যদি এই দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসি এবং বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু দেখতে চাই, তাহলে আমাদের সকলের এই বিষয়টি মানা উচিত যে, ব্যক্তি ও বড় নয়, দল ও বড় নয়। বাংলাদেশ সবার আগে। আমরা যদি উন্নত হতে চাই, তাহলে আমাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে। আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সূচনা হয়েছে ৭ই নভেম্বর ১৯৭৫। এদিন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। তার বিরল নেতৃত্বেই দেশে সংহতি প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব যখন সংকটে পড়েছিলো, তখন সিপাহি জনতা ঐক্য গড়ে জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়ে ছিলো। গৌরবের সেই সার্বভৌমত্ব রক্ষা, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থী তথা তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

এছাড়াও সভায় বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল এবং বিকেলে কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার) ডা. মো. আবু জাফর।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।

দিবসটি উপলক্ষে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের এ উদ্যোগে সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

ছবি যোগফল

যোগফল প্রতিবেদন | অনলাইন

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় চলতি বছরের গত ২৪ সেপ্টেম্বর গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই তরুণী।

ভিকটিম গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর এলাকার বাসিন্দা। তরুণী'র অভিযোগ, ওসি ও তার লোকজনের হুমকির কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তরুণীসহ তার পরিবার।

অভিযোগ দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

অভিযোগে ওই তরুণী বলেন, দীর্ঘ ১ বছর ৫ মাস আগে ওসি ইফতেখার হোসেন কাশিমপুর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় ওই তরুণী ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে কাশিমপুর থানায় যান।

সেই সুযোগে ওসি ইফতেখার হোসেন তার (ভিকটিমের) মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং মোবাইলের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

অভিযোগে বলা হয়, সম্পর্ক চলাকালীন ওসি ইফতেখার হোসেন নিজেকে অবিবাহিত দাবি করেন এবং ওই তরুণীকে বিয়ে করার নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি দেন। দীর্ঘদিন ওসি ইফতেখার হোসেন তার বন্ধু সোহেলের বাসায় আমাকে (ভিকটিম) নিয়ে যেতেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক (ধর্ষণ) করতেন। ওসি ইফতেখারের এ অপরাধের সঙ্গে সোহেল সরাসরি জড়িত।

সে আমাকে নিয়মিত ওসির সঙ্গে দেখা করানোর জন্য নিয়ে যেত এবং ওসির জন্য তার নিজের বাসাকে নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করতে দিত। পরবর্তীতে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওসি ইফতেখার আমাকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে বলেন। পরে সর্বশেষ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান।

অভিযোগে ওই তরুণী আরো বলেন, এ ঘটনা জানার পর ওসি ইফতেখার হোসেনের বাবা আমাকে ফোন করে পরিবারের চরম আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে কটূক্তি ও অপমান করেন। ওসির বাবার এই দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় ওসি ইফতেখার নিজে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মানসিক নির্যাতন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।

তিনি আরো বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর ওসি ইফতেখার হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বন্ধু সোহেল এবং তার কথিত এক আংকেলকে আমার বাসায় পাঠান। এ সময় তারা আমাকে চরম ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ওসির বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত কল রেকর্ড ও মেসেজ ডিলিট করে দেয়।

বর্তমানে ওসি ইফতেখার এবং তার সহযোগী সোহেল ক্ষমতার অপব্যবহার করে যেকোনো সময় আমার ও পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এ ছাড়া মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিতে পারে। ওসি আমার মা-বাবাকে বার্তা পাঠায় যেন আমাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় এবং সে বিয়ের কিছু টাকা দেবে।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পোশাক ব্যবহারকারী ওসি ইফতেখার হোসেন এবং সোহেলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্তপূর্বক কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ওই তরুণী।

ওই তরুণী বলেন, কমিশনার সাহেবের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ওসি ইফতেখার হোসেন আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (ধর্ষণ) করেছে। বাসা থেকেও বের হতে পারছি না তাদের ভয়ে। আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, এগুলো সব কথা মিথ্যা।
গাজীপুর মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. তাহেরুল হক চৌহান জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি। এটা তদন্তে আছে। অভিযোগ পাওয়ার পর একজন অফিসার নিয়োগ করা আছে, সে তদন্ত করে রিপোর্ট দিলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

কোম্পানীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগ স্থানীয় মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কোম্পানীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগ স্থানীয় মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে

ছবি যোগফল

কোম্পানীগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে এক ইমামের বিরুদ্ধে ১৬ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের (যৌন নিপিড়ন) অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত ইমাম গা ডাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিনগত রাতে উপজেলার বটেরতল গ্রামে ইমামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ওই ইমামের নাম হাফেজ মুফতি নোমান বিন রব্বানী (৩৫)। তিনি উপজেলার বটেরতল গ্রামের গোলাম রব্বানীর ছেলে এবং শহীদ স্মৃতি টুকেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ জামে মসজিদের ইমাম। এছাড়াও তিনি দারুল আরক্বাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা কোম্পানীগঞ্জের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের সভাপতি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি, হেফাজতে ইসলামের উপজেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভুক্তভোগী ওই মাদ্রাসাছাত্র যুগান্তরকে জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মসজিদে গেলে হুজুর আমাকে বলে মাথায় ব্যথা করতেছে, আমার মাথা টিপে দাও। আমি উনার মাথা টিপে দেই এবং উনি আমাকে এশার নামাজ পড়াতে বলেন। আমি এশার নামাজ পড়াই। এরপর হুজুর বলে তুমি বাড়িতে গিয়ে বলে আস আজ আমার সাথে তোমার দাওয়াত আছে এবং রাতে আমার বাড়িতে থাকবে। দাওয়াত খেয়ে হুজুরের বাড়িতে যাই। সেখানে এক রুমে আমি ও হুজুর এবং অন্য রুমে হুজুরের বউ ঘুমায়। রাতে এক পর্যায়ে হুজুর বললেন উনার পেটে ব্যথা করতেছে, আমি যেন উনার পেটে মালিশ করে দেই। সাথে সাথে আমি মালিশ করে দিলাম।

এরপর হুজুর আমাকে বলাৎকার করে। বিষয়টি কাউকে জানালে আমাকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। ফজরের সময় হুজুর উনার বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল দিয়ে আমাকে নিয়ে মসজিদে আসেন এবং গোসল না করেই ফজরের নামাজ পড়ান। ফজরের নামাজের পরও তিনি আমাকে দিয়ে উনার পা টেপান। পরে আমি বাড়িতে এসে ঘটনার বিস্তারিত আমার মায়ের কাছে খুলে বলি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী ওই মাদ্রাসাছাত্রের মা যুগান্তরকে বলেন, আজ আমার ছেলের সাথে এমন নোংরা ঘটনা ঘটেছে। আর যেন কারো সাথে এমন ঘটনা না ঘটে এজন্য আমি হুজুরের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

শহীদ স্মৃতি টুকেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হাশেম বলেন, ভুক্তভোগী আমাকে এবিষয়ে জানিয়েছে। আমি সভাপতি সাহেবকে অবগত করেছি। তিনি ওই ভুক্তভোগীকে দরখাস্ত দিতে বলেছেন। নিয়মানুযায়ী আমাদের যে যে ব্যবস্থা নেওয়া লাগে, তা আমরা নিব।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ উছমান গনি বলেন, খোঁজ খবর নিচ্ছি। এবিষয়ে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।