খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

পিএফজি গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড।

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পিএফজি গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড।

সিলেট প্রতিনিধি:

সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে ধর্মীয় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট’ বাংলাদেশের উদ্যোগে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিগত তিন মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। এ সময় সভা পরিদর্শন করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিশ্বনাথ উপজেলা মডেল মসজিদের হলরুমে আয়োজিত সভায় আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধ, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে পিএফজির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্বনাথ পিএফজির অ্যাম্বাসেডর ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোনায়েম খানের সভাপতিত্বে এবং পিএফজির কো-অর্ডিনেটর সাংবাদিক বদরুল ইসলাম (মহসিন)-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভা পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এফসিডিও প্রতিনিধি তাসনিম সিদ্দিক, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা, ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর (এমআইপিএস) ড. নাজমুন নাহার নূর লুবনা, ইয়ুথ অ্যান্ড জেন্ডার এক্সপার্ট শারমিন সুলতানা লাবণ্য, এমআইপিএস প্রকল্পের সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম মিনা এবং মাঠ সমন্বয়ক কুদরত পাশা।

সভায় অতিথিরা বলেন, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের প্রত্যাশা ছাড়াই বিশ্বনাথ পিএফজির সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি এবং ভেদাভেদ ভুলে সম্মিলিতভাবে কাজ করার মাধ্যমেই একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংঘাত নিরসনে পিএফজির মতো উদ্যোগগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর প্রভাষক নাসরিন জাহান, সাংবাদিক তজম্মুল আলী রাজু, আন্তঃধর্মীয় কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আবুল বশর ফারুক, উপজেলা জাতীয় পার্টির একাংশের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পিএফজি সদস্য কাওছার খান, হাজী সিতাব আলী, প্রভাষক আফিয়া রশিদ, আব্দুর রব, নাজমা বেগম, রাসনা বেগম, আশিকুর রহমান রানা, হাসান মাহমুদ রিপন, মলয় ভট্টাচার্য, শফিক আহমদ পিয়ার, মুক্তা রানী, মিনা বেগম, জুসনা বেগমসহ পিএফজির সদস্যরা।

এছাড়া ওয়াইপিজির সদস্য হাসিনা বেগম, ইয়ুথ কো-অর্ডিনেটর শাহ টিপু মিয়া, আজিজুর রহমান, ফয়ছল ইসলাম, আবদুল্লাহ, তানিয়া বেগম, সুমা বেগম, লিজা আক্তার শারমিন, সোহানা বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের অবস্থান দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে ফিরুন বা তাকে ফিরিয়ে আনা হোক—সরকার প্রত্যর্পণের দাবি থেকে সরে আসবে না।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক আসামি এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে আসুন কিংবা সরকার তাকে ফিরিয়ে আনুক, প্রত্যর্পণের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে। এ বিষয়ে কোনো কৌশল বা ভিন্ন উদ্দেশ্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন এবং ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য বিরক্তিকর ও সংবেদনশীল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত চাইলে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য ও গণমাধ্যমে উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, সেটি ভারতের বোঝা উচিত। দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দেশটিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার কথা জানা গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষতা উন্নয়ন করি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু পড়তে ও লিখতে পারার মধ্যে সাক্ষরতার লক্ষ্য সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিরক্ষরমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা, সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোরা ফাতেহির মন্তব্যে এভিয়েশন কোম্পানির ব্যবসায় ধসের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোরা ফাতেহির মন্তব্যে এভিয়েশন কোম্পানির ব্যবসায় ধসের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

মরোক্কান-কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে একটি এভিয়েশন কোম্পানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোম্পানিটির চার্টার্ড উড়োজাহাজকে ‘খেলনা বিমান’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্তব্য করায় তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মামলাটির শুনানি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুম্বাই থেকে জয়পুর যাওয়ার সময় একটি উড়োজাহাজের ভেতরে ভিডিও ধারণ করেন নোরা ফাতেহি। পরে ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে উড়োজাহাজটিকে ‘খেলনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে এভিয়েশন কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির দাবি, নোরা ফাতেহির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৪ কোটি ৬০ লাখের বেশি অনুসারী থাকায় তার মন্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাবে উড়োজাহাজটির বুকিং বাতিল হতে শুরু করে এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, ভিডিওটি প্রকাশের পর কোম্পানিটির বুকিং ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে গেছে।

এভিয়েশন কোম্পানিটি নোরা ফাতেহির কাছে ৩ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উড়োজাহাজটি নিয়ে করা তার মন্তব্য, পোস্ট ও অন্যান্য কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার জন্য আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা বা স্পষ্টীকরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ারও আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন এবং নোরা ফাতেহির বক্তব্য বা মামলার বিষয়ে তার পক্ষের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম