খুঁজুন
রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

৮ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আব্দুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৮ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আব্দুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার আট বছর বয়সী শিশু আব্দুর রহমান অল্প সময়েই পবিত্র কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এক বছরেরও কম সময়ে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করে সে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আব্দুর রহমান কমলনগর উপজেলার করুনানগর এলাকার কৃষক আবুল কালামের ছেলে। তিনি হাজিরহাট আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

পরিবার ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে আব্দুর রহমান আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের হিফজ বিভাগে ভর্তি হয়। এর আগে অন্য একটি মাদ্রাসায় প্রায় ছয় মাস অধ্যয়ন করে ১৫ পারা কুরআন মুখস্থ করেছিল। পরে বর্তমান মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে বাকি ১৫ পারা মুখস্থ করে এক বছরেরও কম সময়ে সম্পূর্ণ কুরআনের হাফেজ হয়।

আব্দুর রহমান জানায়, তার বাবার ইচ্ছা ছিল তাকে হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন পূরণে সে আন্তরিকভাবে পড়াশোনা করেছে। শিক্ষকদের সহযোগিতায় আজ সে হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। ভবিষ্যতে একজন আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করারও ইচ্ছা প্রকাশ করে সে সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।

আব্দুর রহমানের বাবা আবুল কালাম বলেন, তার দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলেকে হাফেজ বানানোর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এতে তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন এবং ছেলেটি যেন একজন আদর্শ মানুষ ও ইসলামের খাদেম হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সেই দোয়া চান।

আল ইহদা ইসলামিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ফারহান সাকিব জায়েদ বলেন, মাত্র আট বছর বয়সে আব্দুর রহমানের কুরআনের হাফেজ হওয়া মাদ্রাসার জন্য গর্বের বিষয়। তিনি জানান, আব্দুর রহমান অত্যন্ত মেধাবী, নম্র ও পরিশ্রমী। তার জন্য সবাই দোয়া করছেন, যেন আল্লাহ তাআলা তাকে সারাজীবন কুরআনের আলোকে জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কাঁচামরিচের ঝাঁজে পুড়ছে বাজার, কেজি ৪০০ টাকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাঁচামরিচের ঝাঁজে পুড়ছে বাজার, কেজি ৪০০ টাকা

ময়মনসিংহ নগরীর কাঁচাবাজারে হঠাৎ করেই অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচামরিচের বাজার। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে প্রায় আড়াই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেড়েছে দাম। আগে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যআয়ের ক্রেতারা।

শনিবার (১ আগস্ট) নগরীর মেছুয়া বাজার, নতুন বাজার, চরপাড়া, কাচিঝুলি ও টাউনহল বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে কাঁচামরিচে। অনেক ক্রেতাকেই প্রয়োজনের তুলনায় অল্প পরিমাণ মরিচ কিনে বাজার ছাড়তে দেখা গেছে।

বাজারে ভালো মানের কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। কিছুটা নিম্নমানের মরিচও বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকায়। পাশাপাশি টমেটো ১০০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, গোল বেগুন ১৪০ টাকা, শিম ২৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা এবং লাউ আকারভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেছুয়া বাজারের ক্রেতা নিলা আক্তার বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই বেড়েছে। তার ওপর কাঁচামরিচের দাম ৪০০ টাকায় পৌঁছানোয় সাধারণ মানুষের জন্য তা কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন এক কেজি তো দূরের কথা, ২৫০ গ্রাম মরিচ কিনতেও হিসাব কষতে হচ্ছে।

নতুন বাজারের ক্রেতা রহিমা খাতুন বলেন, রান্নায় কাঁচামরিচের বিকল্প নেই। কিন্তু বর্তমান দামে মরিচ কিনতে গিয়ে সংসারের মাসিক বাজেট এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। তাই আগের তুলনায় অনেক কম পরিমাণে মরিচ কিনতে হচ্ছে।

চরপাড়া বাজারের ক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমেছে—এটি সত্য। তবে এই সুযোগে কেউ যেন অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারে, সে জন্য বাজারে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

ব্যবসায়ীদের দাবি, টানা ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় বিভিন্ন এলাকার মরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমেছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

কাচিঝুলি বাজারের সবজি বিক্রেতা দুলাল মিয়া বলেন, বৃষ্টিতে মরিচের অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। একই কারণে অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে।

মেছুয়া বাজারের আড়তদার মহসিন আলম জানান, টানা বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। তবে আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে নতুন চালান এলে বাজার কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে এবং কাঁচামরিচের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে মহানগর সুজনের সম্পাদক আলী ইউসুফ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সরবরাহ কমে গেলে সাময়িকভাবে দাম বাড়তে পারে। তবে বাজারে কার্যকর তদারকি না থাকলে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

স্ত্রীর কবর খুঁড়তে গিয়ে মিলল ২৪ বছর আগে দাফন করা স্বামীর অক্ষত লাশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্ত্রীর কবর খুঁড়তে গিয়ে মিলল ২৪ বছর আগে দাফন করা স্বামীর অক্ষত লাশ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীর দাফনের জন্য কবর খননের সময় প্রায় ২৪ বছর আগে সমাহিত স্বামী রমজান আলীর মরদেহ কাফনের কাপড়সহ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৩১ জুলাই) মনোহরগঞ্জ উপজেলার উত্তর হাওলা ইউনিয়নের উলুপাড়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রমজান আলীর স্ত্রী মারা গেলে স্বামীর কবরের পাশে তাকে দাফনের জন্য নতুন কবর খনন শুরু হয়। এ সময় কবর খননকারীরা রমজান আলীর মরদেহ কাফনের কাপড়সহ অক্ষত অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কবরস্থানে মানুষের ভিড় জমে।

কবর খননের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মরদেহটি প্রায় আগের অবস্থাতেই ছিল এবং কাফনের কাপড়ও অক্ষত দেখা যায়। এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় ২৪ বছর আগে মারা যাওয়া রমজান আলী একজন ধার্মিক, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন এবং চাল-আটার ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

উলুপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাফনে মোড়ানো মরদেহ দেখতে পান। পরে মরদেহটি যে অবস্থায় ছিল, সেভাবেই রেখে পাশেই তার স্ত্রীর দাফনের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

উত্তর হাওলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম মিন্টু বলেন, কোনো মুসলমানের মরদেহ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেলে তার সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা যেতে পারে। তবে এ ধরনের ঘটনায় শরিয়তসম্মত ও বৈজ্ঞানিক কোনো ব্যাখ্যা থাকলে সেটিও গ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত ব্যাখ্যা বা বাড়াবাড়ি না করার আহ্বান জানান তিনি।

তবে দীর্ঘ সময় পর মরদেহ অক্ষত থাকার দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ বা বিশেষজ্ঞের আনুষ্ঠানিক মতামত তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পঞ্চগড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিক্ষোভ মিছিল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ আগস্ট ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পঞ্চগড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিক্ষোভ মিছিল

ছবি: সংগৃহীত

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদকে জড়িয়ে এক সনাতনী নারীর ছবি ও ভিডিও এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে কুৎসা রটানোর অভিযোগে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরের পর ‘পঞ্চগড় জেলার সচেতন সনাতন ধর্মাবলম্বী’ ব্যানারে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সহস্রাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের সোনালী ব্যাংক এলাকা ও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সমাবেশ।

সমাবেশে বক্তব্য দেন পঞ্চগড় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব অন্যদা প্রসাদ রায়, দেবীগঞ্জ উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হরিশ চন্দ্র রায়, পাঁচপীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অজয় কুমার রায় এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের সদস্য দীপ্তি রানী ও কল্পনা রানী।

বক্তারা দাবি করেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদকে জড়িয়ে ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

পাঁচপীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অজয় কুমার রায় বলেন, প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করে প্রচার করা হয়েছে, যা সনাতন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা।

কল্পনা রানী বলেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে সনাতন সম্প্রদায় ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, তাদের সম্প্রদায় অতীতেও প্রতিমন্ত্রীর পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

হরিশ চন্দ্র রায় বলেন, প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে। এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

দীপ্তি রানী ও কল্পনা রানী বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সনাতন সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হন। পরে প্রেস ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সনাতন সম্প্রদায়ের নেতারা প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে প্রচারিত কথিত ভুয়া তথ্য ও ভিডিওর প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

আয়োজকদের দাবি, বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সহস্রাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম