খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

‘১০০ টাকায়’ গরুর মাংস-ভাতের দোকানে কেন ভিড় হতো, উচ্ছেদের পর উঠছে প্রশ্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘১০০ টাকায়’ গরুর মাংস-ভাতের দোকানে কেন ভিড় হতো, উচ্ছেদের পর উঠছে প্রশ্ন

যোগফল প্রতিবেদক:

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার ফুটপাতে মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস ও ভাত বিক্রি করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন মিজানুর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দোকানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিদিনই সেখানে ক্রেতাদের ভিড় জমত। তবে সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উচ্ছেদ অভিযানে দোকানটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের কাছে ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত এই দোকানি এখন ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৯ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করে কাফরুল থানা-পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন।

কেন এত ভিড় হতো?

মিজানুরের দোকানের জনপ্রিয়তার মূল কারণ ছিল মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস ও ভাত। বাজারে গরুর মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার সময়ে এমন কম দামে মাংস-ভাত পাওয়ায় নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে দোকানটি হয়ে উঠেছিল আকর্ষণের জায়গা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিজানুর সকালে গরুর মাংস ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে দোকানে আসতেন। ফুটপাতেই রান্না করে দুপুর পর্যন্ত খাবার বিক্রি করতেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ত। এমনকি কেউ কেউ মোটরসাইকেল নিয়েও সেখানে খেতে আসতেন।

স্থানীয় নির্মাণশ্রমিক রাসেল হোসেন জানান, তিনি নিয়মিত ওই দোকানে খেতেন। তার ভাষ্য, দোকানে আসা বেশির ভাগ মানুষই ছিলেন নিম্ন আয়ের। এক কেজি গরুর মাংস কেনার সামর্থ্য অনেকের নেই। তাই কম দামে মাংস-ভাত খাওয়ার সুযোগ থাকায় তারা মিজানুরের দোকানে আসতেন।

বাজারের দামের সঙ্গে বড় পার্থক্য

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম প্রায় ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকা। অন্যদিকে আগারগাঁও ও তালতলার মাঝারি মানের রেস্তোরাঁগুলোতে এক বাটি গরুর মাংসের দাম প্রায় ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। ভাতসহ গরুর মাংস খেতে সেখানে অন্তত ২২০ থেকে ২৫০ টাকা খরচ হয়।

এই বাস্তবতায় ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করায় মিজানুরের দোকানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটির ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়লে ভিড় আরও বাড়তে থাকে।

অভিযানে উচ্ছেদ দোকান

গত রোববার তালতলা এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালায় ডিএনসিসি। অভিযানে মিজানুরের দোকানসহ ফুটপাতের অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়।

অভিযানের পর সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো ফুটপাত ফাঁকা। পড়ে আছে ভাঙা কাঠামো, বাঁশ, টিন ও কাঠের টুকরো। যেখানে আগে মানুষ বসে খাবার খেতেন, সেখানে এখন আর কোনো দোকান নেই।

ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী জানান, সিটি করপোরেশনের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় দোকানিরা প্রশ্ন তুলেছেন, আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চললেও তালতলার এই অংশেই কেন অভিযান চালানো হলো।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ফুটপাতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ হলেও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যে গরুর মাংসের দাম আনার কার্যকর কোনো উদ্যোগ হবে কি না। মিজানুরের দোকানটি বন্ধ হয়ে গেলেও কম দামে এক প্লেট গরুর মাংস-ভাতের চাহিদা যে এখনো রয়েছে, স্থানীয়দের ভিড়ই তার প্রমাণ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার চাপায় শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার চাপায় শিশুর মৃত্যু

যোগফল প্রতিবেদক:

ভোলার লালমোহনে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার চাপায় জিসান (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের প্যায়ারীমোহনের বটতলা এলাকায় রায়চাঁদ-লর্ডহাডিঞ্জ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জিসান ওই এলাকার রুবেলের ছেলে। সে স্থানীয় গঙ্গারাম দাস মন্দিরের পাঠশালায় শিশু শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্লাস শেষে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় জিসান। সড়ক পার হওয়ার সময় হঠাৎ একটি অটোরিকশার নিচে পড়ে যায় সে। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জিসানকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, “নিহত শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পুলিশ পরিবারের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফারুক কেন আলাদা ছিলেন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফারুক কেন আলাদা ছিলেন

যোগফল প্রতিবেদক:

অভিনয়ের মাধ্যমে কখনো দর্শকদের কাঁদিয়েছেন, কখনো হাসিয়েছেন। কখনো প্রতিবাদী যুবক, কখনো নিঃশব্দ প্রেমিক, আবার কখনো সাদামাটা গ্রামের মানুষের চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক তাই দর্শকের কাছে আজও ‘মিয়া ভাই’ নামেই পরিচিত।

আজ ১৮ আগস্ট প্রয়াত এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে ফিরে দেখা যায় তাঁর অভিনয়জীবনের সেই বৈশিষ্ট্য, যা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ফারুকের। তবে দর্শকের ব্যাপক পরিচিতি পান খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘সুজন সখী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৭৫ সালের এই সিনেমায় সুজন চরিত্রে তাঁর স্বাভাবিক ও আবেগঘন অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কবরী।

এরপর আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমনি’ সিনেমায় নয়ন চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন ফারুক। গ্রামীণ এক যুবকের চরিত্রে তাঁর সহজাত অভিনয় দর্শকের মনে গভীর ছাপ ফেলে। পরবর্তীতে ‘সারেং বউ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘লাঠিয়াল’, ‘লাল কাজল’সহ একাধিক সিনেমায় গ্রামীণ মানুষের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন অনন্য।

ফারুকের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল গ্রামীণ মানুষের আবেগ, প্রতিবাদ, জেদ ও ভালোবাসাকে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে পর্দায় তুলে ধরা। চলচ্চিত্রের শিক্ষক ও নির্মাতা মতিন রহমানের মতে, ফারুক গ্রামীণ মানুষের স্বভাবগত জিদ, তাড়না ও প্রতিবাদের ভাষা অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন। তাঁর অভিনয়ের এই সহজাত ভঙ্গিই তাঁকে অন্য শিল্পীদের থেকে আলাদা করেছে।

‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ সিনেমার একটি দৃশ্য তাঁর অভিনয়প্রতিভার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আছে। সিনেমায় মিলন চরিত্রে অভিনয় করা ফারুককে বিষ খাওয়ানো হয়। বিষক্রিয়ার যন্ত্রণা মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমে প্রায় আড়াই মিনিটের একটি দৃশ্যে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। সংলাপ ছাড়াই তাঁর অভিনয় দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছিল।

সত্তর ও আশির দশককে ফারুকের ক্যারিয়ারের স্বর্ণসময় বলা হয়। সে সময় গ্রামীণ পটভূমির কোনো গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা হলে পরিচালকদের পছন্দের তালিকায় থাকতেন ফারুক। তাঁর অভিনীত ‘নয়নমনি’, ‘সুজন সখী’, ‘সারেং বউ’ ও ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’সহ বহু সিনেমা আজও দর্শকের কাছে স্মরণীয়।

ফারুকের জনপ্রিয় ‘মিয়া ভাই’ পরিচয়ের পেছনেও রয়েছে তাঁর অভিনয়ের স্বকীয়তা। চরিত্রকে শুধু অভিনয় না করে নিজের মধ্যে ধারণ করতেন তিনি। পর্দায় তাঁর আচরণ, কথা বলার ধরন ও স্বাভাবিক অভিনয় দর্শকের কাছে তাঁকে আপন করে তুলেছিল।

তবে আশির দশকের শেষভাগ থেকে বাংলা সিনেমায় গ্রামীণ পটভূমির গল্প ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সিনেমার গল্পে শহুরে জীবন, চাকচিক্য ও নতুন ধরনের উপস্থাপনা জায়গা করে নেয়। ফলে ফারুকের মতো গ্রামীণ চরিত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনয় করতে পারা নায়কদের জন্যও সুযোগ কমে যায়।

ফারুকের জন্ম মানিকগঞ্জের ঘিওরের এক গ্রামে হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা পুরান ঢাকায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এইচ আকবর, এ টি এম শামসুজ্জামান ও প্রবীর মিত্রের মতো শিল্পী-নির্মাতাদের সংস্পর্শ তাঁর অভিনয়জীবনকে সমৃদ্ধ করে। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে মেশার অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে চরিত্র নির্মাণে তাঁকে সহায়তা করেছে।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ফারুক পেয়েছেন নানা স্বীকৃতি। ‘লাঠিয়াল’ সিনেমার জন্য ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। পরে ২০১৬ সালে অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন ফারুক। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রায় পাঁচ দশকের বর্ণিল ক্যারিয়ার শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

তবে পর্দায় তাঁর রেখে যাওয়া চরিত্রগুলো এখনো দর্শকের মনে জীবন্ত। গ্রামের সহজ-সরল মানুষ থেকে প্রতিবাদী যুবক—বিভিন্ন চরিত্রে ফারুকের অভিনয় তাঁকে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্বতন্ত্র এক অবস্থান দিয়েছে। আর সেই কারণেই তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, দর্শকের কাছে চিরকালীন ‘মিয়া ভাই’।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাবনায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান, ২ ট্রাকচালককে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাবনায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান, ২ ট্রাকচালককে জরিমানা

যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনার সদর উপজেলার মেরিল বাইপাস এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে দুই ট্রাকচালককে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী তিনটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে যানবাহনে নির্ধারিত মানমাত্রার চেয়ে বেশি শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন ব্যবহার ও স্থাপনের অপরাধে দুটি ট্রাকের চালককে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী তিনটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হিমেল মিয়া। পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল মমিন প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।

পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এবং যানবাহনে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হর্নের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম