খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

১৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে টেস্টে নতুন ইতিহাস গড়লেন পান্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে টেস্টে নতুন ইতিহাস গড়লেন পান্ত

যোগফল প্রতিবেদক:

টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাট হাতে আরও একটি অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ভারতের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ঋষভ পান্ত। টেস্টে মাত্র ৫১ ম্যাচে ১০০ ছক্কা হাঁকিয়ে দ্রুততম সময়ে এই কীর্তি গড়ার নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

সোমবার (১৮ আগস্ট) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে চলমান প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনে দ্রুতগতির ফিফটি করার পথে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন পান্ত। লং লেগের ওপর দিয়ে পুল শটে ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ২০তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। একই ছক্কায় পূর্ণ হয় তার ১০০ টেস্ট ছক্কার কোটা।

এর মধ্য দিয়ে টেস্টে ১০০ বা তার বেশি ছক্কা হাঁকানো চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন পান্ত। এর আগে এই কীর্তি ছিল ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস, নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্টের।

তবে শুধু ৫১ টেস্টে ১০০ ছক্কা নয়, বলের হিসাবেও নতুন রেকর্ড গড়েছেন পান্ত। মাইলফলকটি ছুঁতে তাকে খেলতে হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৯১৮ বল

এর আগে টেস্টে দ্রুততম ১০০ ছক্কার রেকর্ডটি ছিল অ্যাডাম গিলক্রিস্টের দখলে। ২০০৭ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি ৬ হাজার ৫৭৮ বল খেলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। প্রায় ১৯ বছর ধরে অক্ষুণ্ন থাকা সেই রেকর্ড এবার নিজের করে নিলেন পান্ত।

দ্রুততম ১০০ ছক্কার তালিকায় পান্তের পর রয়েছেন গিলক্রিস্ট, বেন স্টোকস ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। স্টোকস ৯ হাজার ৪২ বল এবং ম্যাককালাম ৯ হাজার ৭৫৬ বল খেলে এই কীর্তি গড়েছিলেন।

টেস্টে মোট ছক্কার হিসাবেও স্টোকস সবার ওপরে। তার নামের পাশে রয়েছে ১৩৮টি ছক্কা। ১০৭ ছক্কা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ম্যাককালাম। আর গিলক্রিস্ট ও পান্তের ছক্কার সংখ্যা এখন সমান—১০০টি করে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার চাপায় শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার চাপায় শিশুর মৃত্যু

যোগফল প্রতিবেদক:

ভোলার লালমোহনে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার চাপায় জিসান (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের প্যায়ারীমোহনের বটতলা এলাকায় রায়চাঁদ-লর্ডহাডিঞ্জ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জিসান ওই এলাকার রুবেলের ছেলে। সে স্থানীয় গঙ্গারাম দাস মন্দিরের পাঠশালায় শিশু শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্লাস শেষে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় জিসান। সড়ক পার হওয়ার সময় হঠাৎ একটি অটোরিকশার নিচে পড়ে যায় সে। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জিসানকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, “নিহত শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পুলিশ পরিবারের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফারুক কেন আলাদা ছিলেন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফারুক কেন আলাদা ছিলেন

যোগফল প্রতিবেদক:

অভিনয়ের মাধ্যমে কখনো দর্শকদের কাঁদিয়েছেন, কখনো হাসিয়েছেন। কখনো প্রতিবাদী যুবক, কখনো নিঃশব্দ প্রেমিক, আবার কখনো সাদামাটা গ্রামের মানুষের চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক তাই দর্শকের কাছে আজও ‘মিয়া ভাই’ নামেই পরিচিত।

আজ ১৮ আগস্ট প্রয়াত এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে ফিরে দেখা যায় তাঁর অভিনয়জীবনের সেই বৈশিষ্ট্য, যা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ফারুকের। তবে দর্শকের ব্যাপক পরিচিতি পান খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘সুজন সখী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৭৫ সালের এই সিনেমায় সুজন চরিত্রে তাঁর স্বাভাবিক ও আবেগঘন অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কবরী।

এরপর আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমনি’ সিনেমায় নয়ন চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন ফারুক। গ্রামীণ এক যুবকের চরিত্রে তাঁর সহজাত অভিনয় দর্শকের মনে গভীর ছাপ ফেলে। পরবর্তীতে ‘সারেং বউ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘লাঠিয়াল’, ‘লাল কাজল’সহ একাধিক সিনেমায় গ্রামীণ মানুষের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন অনন্য।

ফারুকের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল গ্রামীণ মানুষের আবেগ, প্রতিবাদ, জেদ ও ভালোবাসাকে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে পর্দায় তুলে ধরা। চলচ্চিত্রের শিক্ষক ও নির্মাতা মতিন রহমানের মতে, ফারুক গ্রামীণ মানুষের স্বভাবগত জিদ, তাড়না ও প্রতিবাদের ভাষা অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন। তাঁর অভিনয়ের এই সহজাত ভঙ্গিই তাঁকে অন্য শিল্পীদের থেকে আলাদা করেছে।

‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ সিনেমার একটি দৃশ্য তাঁর অভিনয়প্রতিভার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আছে। সিনেমায় মিলন চরিত্রে অভিনয় করা ফারুককে বিষ খাওয়ানো হয়। বিষক্রিয়ার যন্ত্রণা মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমে প্রায় আড়াই মিনিটের একটি দৃশ্যে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। সংলাপ ছাড়াই তাঁর অভিনয় দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছিল।

সত্তর ও আশির দশককে ফারুকের ক্যারিয়ারের স্বর্ণসময় বলা হয়। সে সময় গ্রামীণ পটভূমির কোনো গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা হলে পরিচালকদের পছন্দের তালিকায় থাকতেন ফারুক। তাঁর অভিনীত ‘নয়নমনি’, ‘সুজন সখী’, ‘সারেং বউ’ ও ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’সহ বহু সিনেমা আজও দর্শকের কাছে স্মরণীয়।

ফারুকের জনপ্রিয় ‘মিয়া ভাই’ পরিচয়ের পেছনেও রয়েছে তাঁর অভিনয়ের স্বকীয়তা। চরিত্রকে শুধু অভিনয় না করে নিজের মধ্যে ধারণ করতেন তিনি। পর্দায় তাঁর আচরণ, কথা বলার ধরন ও স্বাভাবিক অভিনয় দর্শকের কাছে তাঁকে আপন করে তুলেছিল।

তবে আশির দশকের শেষভাগ থেকে বাংলা সিনেমায় গ্রামীণ পটভূমির গল্প ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সিনেমার গল্পে শহুরে জীবন, চাকচিক্য ও নতুন ধরনের উপস্থাপনা জায়গা করে নেয়। ফলে ফারুকের মতো গ্রামীণ চরিত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনয় করতে পারা নায়কদের জন্যও সুযোগ কমে যায়।

ফারুকের জন্ম মানিকগঞ্জের ঘিওরের এক গ্রামে হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা পুরান ঢাকায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এইচ আকবর, এ টি এম শামসুজ্জামান ও প্রবীর মিত্রের মতো শিল্পী-নির্মাতাদের সংস্পর্শ তাঁর অভিনয়জীবনকে সমৃদ্ধ করে। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে মেশার অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে চরিত্র নির্মাণে তাঁকে সহায়তা করেছে।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ফারুক পেয়েছেন নানা স্বীকৃতি। ‘লাঠিয়াল’ সিনেমার জন্য ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। পরে ২০১৬ সালে অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন ফারুক। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রায় পাঁচ দশকের বর্ণিল ক্যারিয়ার শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

তবে পর্দায় তাঁর রেখে যাওয়া চরিত্রগুলো এখনো দর্শকের মনে জীবন্ত। গ্রামের সহজ-সরল মানুষ থেকে প্রতিবাদী যুবক—বিভিন্ন চরিত্রে ফারুকের অভিনয় তাঁকে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্বতন্ত্র এক অবস্থান দিয়েছে। আর সেই কারণেই তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, দর্শকের কাছে চিরকালীন ‘মিয়া ভাই’।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাবনায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান, ২ ট্রাকচালককে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাবনায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান, ২ ট্রাকচালককে জরিমানা

যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনার সদর উপজেলার মেরিল বাইপাস এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে দুই ট্রাকচালককে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী তিনটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে যানবাহনে নির্ধারিত মানমাত্রার চেয়ে বেশি শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন ব্যবহার ও স্থাপনের অপরাধে দুটি ট্রাকের চালককে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী তিনটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হিমেল মিয়া। পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল মমিন প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।

পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এবং যানবাহনে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হর্নের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম