খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ ধ্বংস, অক্ষত সবুজ বাড়ির পরিবার উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ ধ্বংস, অক্ষত সবুজ বাড়ির পরিবার উদ্ধার

 যোগফল প্রতিবেদক:

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় চারপাশের ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেলেও প্রবল স্রোতের মাঝেও অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল একটি সবুজ রঙের দোতলা বাড়ি। বাড়িটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

বন্যার তীব্র স্রোতে কাদা-পানি ও ধ্বংসাবশেষের তোড়ে আশপাশের একের পর এক ঘরবাড়ি ভেসে যেতে দেখা যায়। কিন্তু প্রবল পানির মধ্যে সবুজ বাড়িটি শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় নজর কাড়ে নেটিজেনদের।

এরই মধ্যে জানা যায়, বাড়িটির ভেতরে একটি পরিবার আটকা পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকে। পরিবারটির জন্য প্রার্থনাও করেন তারা।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে জানানো হয়, বাড়ির ভেতরে থাকা পরিবারের সব সদস্যই নিরাপদে আছেন এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরে আসে নেটিজেনদের মধ্যে।

বাড়িটি কীভাবে ভয়াবহ স্রোতের মধ্যেও অক্ষত থাকল, তা নিয়েও অনলাইনে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই ভবনটির নির্মাণকৌশল ও মজবুত কাঠামোর প্রশংসা করেছেন।

ঘটনার ভিডিওগুলো ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ তা দেখেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফসলরক্ষা বাঁধের ২ হাজার ব্লক উধাও,

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফসলরক্ষা বাঁধের ২ হাজার ব্লক উধাও,

 যোগফল প্রতিবেদক:

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ডিঙাপোতা হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ থেকে দুই হাজারের বেশি কংক্রিটের ব্লক তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ১৮ আগস্ট রাত থেকে গাগলাজুর ইউনিয়নের করাচাপুর গ্রামের সামনে বাঁধের বিভিন্ন অংশ থেকে এসব ব্লক সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে আগামী বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকেরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো হলেও ব্লক সরিয়ে নেওয়া বন্ধে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ ঘটনায় গত ২৩ আগস্ট মোহনগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন।

পাউবো সূত্রে জানা যায়, ডিঙাপোতা হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় ২০১৯ সালে ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটার অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ব্লক দিয়ে স্থায়ী ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৮ আগস্ট রাতে বাঁধ থেকে দুই হাজারের বেশি ব্লক তুলে নেওয়া হয়। পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে পাউবোর পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, এরপরও রাতের আঁধারে বাঁধ থেকে ব্লক সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগেও প্রায় দেড় মাস আগে দুর্বৃত্তরা বাঁধের কয়েকটি অংশ কেটে দিয়েছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তখনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।

বরান্তর গ্রামের বাসিন্দা বজলু মিয়া অভিযোগ করেন, ১৮ আগস্ট রাতে তিনি ধরুন বানিয়াহারী গ্রামের ২৫ থেকে ৩০ জনকে নৌকায় করে বাঁধের ব্লক তুলে নিতে দেখেন। বাধা দিলে তাকে গালাগাল ও দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়। পরে পরদিন রাতে তার মাছের আড়তে হামলা চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

গাগলাজুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফ চৌধুরী বলেন, ধরুন বানিয়াহারী গ্রামের লোকজন রাতের আঁধারে বাঁধের ব্লক নিয়ে গেছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। সংশ্লিষ্টদের বাড়িতে এসব ব্লক পাওয়া যাবে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও ব্লক নেওয়া বন্ধ হয়নি। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে ব্লকগুলো ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

বরান্তর গ্রামের কৃষক তানিম খান আদনান বলেন, ১৮ আগস্ট রাত থেকে প্রায় প্রতিদিনই বাঁধের ব্লক তুলে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পাশাপাশি থানায় জিডি করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

একই গ্রামের যুবক বায়েজিদ হোসেন বলেন, বাঁধ থেকে ব্লক সরিয়ে নেওয়া হলে সামান্য বন্যাতেই বাঁধ ভেঙে হাওরের বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কৃষকেরা। তিনি ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে লুট হওয়া ব্লকগুলো আগের জায়গায় ফিরিয়ে দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং যারা ব্লক নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাড়িতেও খোঁজ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ব্লকগুলো আগের জায়গায় ফিরিয়ে দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ব্লক সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বে থাকা পাউবোর কর্মকর্তা থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে ব্লকগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

২৪ ঘণ্টায় মনপুরায় নিখোঁজ ৩ শিশু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২৪ ঘণ্টায় মনপুরায় নিখোঁজ ৩ শিশু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভোলার মনপুরায় প্রায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন শিশুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ শিশুদের মধ্যে দুজন স্থানীয় একটি মাঠে খেলতে গিয়ে এবং অপরজন ঢাকার যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

নিখোঁজের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাদের সন্ধান না পাওয়ায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ তিন শিশুর মধ্যে দুজন মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এবং অপরজন একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

নিখোঁজ শিশুরা হলো—উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. নাজিমুদ্দিন মঞ্জুর ছেলে মো. জুনায়েদ (১২), একই এলাকার আরাফাত (১২) এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. কামালের ছেলে হাবিবুর রহমান (১৩)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার কলেজ মাঠে খেলতে যায় জুনায়েদ ও আরাফাত। সন্ধ্যার পরও তারা বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ করেন। তবে তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

জুনায়েদের বাবা মো. নাজিমুদ্দিন মঞ্জু জানান, তার ছেলে ও আরাফাত একসঙ্গে খেলতে গিয়েছিল। এরপর থেকে তারা আর বাড়িতে ফেরেনি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অপর নিখোঁজ শিশু হাবিবুর রহমান ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মুরাদপুর এলাকার ‘মাদরাসাতুল দারুল কুরআন’-এ পড়াশোনা করে। তার বাবা মো. কামাল জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ পড়তে যাওয়ার পর হাবিবুর আর মাদ্রাসায় ফিরে আসেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান মেলেনি।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, শিশু নিখোঁজের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিভাবক থানায় লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

নিখোঁজ তিন শিশুর সন্ধান পেলে দ্রুত তাদের পরিবারের সদস্যদের জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতের পাঞ্জাবে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ আগস্ট মনজিৎ কৌর নামে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা রেকর্ড না করার অভিযোগে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত শুভি ও পিন্ডা তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ এলাকায় ডেকে পাঠান। সেখানে তাকে মারধরের পর জোর করে একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের একটি বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশের ভাষ্য, বনাঞ্চলে নেওয়ার পর অভিযুক্তরা মনজিতকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। পরে এক পরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় মনজিতকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতাল হয়ে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিৎ সচেতন ছিলেন এবং নিজের বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেনি।

গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের মৃত্যু হয়। এরপর পিজিআই পুলিশ পোস্ট থেকে খারার সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসপাতালে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ থানায় নিয়ে তার জবানবন্দি নেওয়া হয়। বুধবার রাতে এ ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার পিজিআইএমইআরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনা চণ্ডীগড়ে হওয়ায় এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল চণ্ডীগড় পুলিশের। খারার পুলিশ নিহতের মাকে সহযোগিতা করেছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে বলেও জানিয়েছে তারা।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার ঘটনাটি পুনর্নির্মাণ করে তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ কেন কাজে লাগানো হয়নি, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম