খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

হাসপাতালে নার্স অনুপস্থিত, ঘটনাস্থল থেকেই বদলির নির্দেশ মন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাসপাতালে নার্স অনুপস্থিত, ঘটনাস্থল থেকেই বদলির নির্দেশ মন্ত্রীর

 যোগফল প্রতিবেদক:

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত এক নার্সের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঝটিকা সফরে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান মন্ত্রী। আকস্মিক পরিদর্শনে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ সরবরাহ, খাবারের মান ও শৌচাগারের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে একটি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন, অপারেশন থিয়েটারের জনবল বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের কথাও জানান তিনি।

পরিদর্শনের সময় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এক নার্স দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আসে। বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতাল থেকেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি) ফোন করেন তিনি। পরে সংশ্লিষ্ট সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রিনা আক্তারকে সদরপুরে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর করতে জরুরি ভিত্তিতে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ ও একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আরও আধুনিক ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ এবং চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফর আলী হাসপাতালে উপস্থিত হন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন, ফিরছেন জেলে-পর্যটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন, ফিরছেন জেলে-পর্যটক

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণসহ পর্যটন কার্যক্রম আবারও চালু হবে। একই সঙ্গে বন বিভাগের নির্ধারিত নিয়ম মেনে সুন্দরবনে প্রবেশের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদের উৎসের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আধার। ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ও পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফরেস্ট স্টেশনগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ জানায়, মাছের প্রজনন মৌসুম ও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ সময়ে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, গোলপাতা ও মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়।

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞায় বননির্ভর জেলে পরিবারগুলো আর্থিক সংকটে পড়েছে। স্থানীয় জেলেরা জানান, সংসারের খরচ চালাতে অনেককে ধারদেনা করতে হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় এখন নৌকা ও জাল মেরামত করে আবার সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরাও দীর্ঘ তিন মাস কর্মহীন ছিলেন। নীলডুমুর ট্রলার মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম জানান, সাতক্ষীরা রেঞ্জে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পাঁচ শতাধিক ট্রলার পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। নিষেধাজ্ঞার সময়ে এসব ট্রলারের চালক ও শ্রমিকদের অনেকেই ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, সুন্দরবনের বড় একটি অংশ অভয়ারণ্য হিসেবে বন্ধ থাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ এলাকায় বিষ দিয়ে মাছ শিকার ও হরিণ ধরার ফাঁদ পেতে থাকে। তাদের দাবি, মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য আরও বেশি এলাকা নির্দিষ্টভাবে উন্মুক্ত করা হলে অবৈধ শিকার কমানো সম্ভব হতে পারে।

নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবন খুলে দেওয়ায় একদিকে যেমন বননির্ভর মানুষের কর্মসংস্থান ফিরবে, অন্যদিকে পর্যটন খাতেও আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লি

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় দেড় বছরের ছেলে সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা মো. মারুফের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মারুফ ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় কাঠমিস্ত্রি। ঘটনার পর তিনি ঢাকায় চলে গেছেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার সকালে মারুফ তার মা মাহফুজা বেগমকে দিয়ে ছেলে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে নেন। এরপর বাজারে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা ফিরে না আসায় স্বজনরা খোঁজ শুরু করেন।

পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মারুফ জানান, দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে লিখিতভাবে শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছেন। এ সময় এক লাখ টাকা নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।

শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, প্রায় চার বছর আগে মারুফ সাভারের বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে প্রায় তিন বছর পর মুসার জন্ম হয়। পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর মারুফও ঢাকায় চলে যান। শুক্রবার সন্ধ্যার আগে তিনি বাড়িতে ফেরেন।

দাদি বলেন, শনিবার সকালে মারুফের কথামতো তিনি নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দেন। পরে জানতে পারেন, শিশুটিকে অন্যের কাছে রেখে তিনি চলে গেছেন। নাতিকে দ্রুত ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা ইমরান হোসেনের দাবি, মারুফ আগে থেকেই তার কাছে শিশুটিকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে শিশুটিকে দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে চরকাজল এলাকার যার কাছে রাখা হয়েছে, সেখান থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি শিশুটির বাবাকে ঢাকা থেকে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ওসি বলেন, টাকা-পয়সা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির বাবা-মায়ের সম্পর্কের অবনতির বিষয়টিও তদন্তে বিবেচনা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

খাদ্যগুদামের অনিয়ম-সিন্ডিকেটে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খাদ্যগুদামের অনিয়ম-সিন্ডিকেটে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী

 যোগফল প্রতিবেদক:

খাদ্যগুদামকেন্দ্রিক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেছেন, সরকারি খাদ্য কর্মসূচিতে নির্ধারিত অর্থ ও প্রকৃত সেবাগ্রহীতাদের প্রাপ্ত অর্থের ব্যবধানের সুফল কোনোভাবেই সিন্ডিকেটের পকেটে যেতে দেওয়া হবে না।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে আকস্মিকভাবে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা খাদ্যগুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে কি না এবং সেগুলো নিরাপদ ও মানসম্মত অবস্থায় আছে কি না, তা নিশ্চিত করাই তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ জন্য পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে।

তিনি জানান, মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত ধান, গম ও আটা মজুত রয়েছে। এসব খাদ্যশস্যের গুণগতমানও সন্তোষজনক বলে জানান তিনি।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, দুর্যোগ বা সংকটের সময় দ্রুত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রতিটি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের সব জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে এবং কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই।

খাদ্যগুদামে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা খাদ্যশস্যের মান নিয়ে কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

সম্প্রতি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম