খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

সূর্যের শক্তিতে ছুটছে অ্যাম্বুলেন্স, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে চিকিৎসাসেবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সূর্যের শক্তিতে ছুটছে অ্যাম্বুলেন্স, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে চিকিৎসাসেবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বাস্থ্যসেবা ও বিদ্যুতের সংকটে থাকা দুর্গম মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে তৈরি হয়েছে সৌরশক্তিচালিত অ্যাম্বুলেন্স ‘স্টেলা জুভা’। নেদারল্যান্ডসের একদল শিক্ষার্থীর তৈরি এই যানটি শুধু রোগী পরিবহন নয়, প্রয়োজন হলে একটি ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবেও কাজ করতে পারে।

আফ্রিকার অনেক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে দীর্ঘ দূরত্বে বসবাস করেন। একই সঙ্গে দুর্গম বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ-সংযোগ না থাকায় চিকিৎসাসেবা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই স্টেলা জুভা তৈরি করা হয়েছে।

আইন্দহোভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিসহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৩ শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে গঠিত ‘সোলার টিম আইন্দহোভেন’ এই প্রকল্পটি তৈরি করেছে। দলটির দাবি, স্টেলা জুভা বিশ্বের প্রথম সৌরশক্তিচালিত অ্যাম্বুলেন্স।

যানটির ছাদে সৌর প্যানেল রয়েছে, যা চলার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। আবার গাড়ি থামানো অবস্থায় অতিরিক্ত চার্জের জন্য প্রসারণযোগ্য সৌর প্যানেল মেলে দেওয়া যায়। ফলে প্রচলিত জ্বালানি বা চার্জিং অবকাঠামোর ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে যায়।

স্টেলা জুভায় রয়েছে এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসাউন্ড, ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম। অর্থাৎ রোগীদের শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিদ্যুৎ সরাসরি প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দিতে পারে এটি।

চলতি মাসে কেনিয়ায় বেসরকারি সংস্থা আম্রেফ হেলথ আফ্রিকার সঙ্গে যৌথভাবে যানটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়। দুর্গম ও কাঁচা রাস্তায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পাশাপাশি দূরবর্তী এলাকায় পৌঁছে চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো চালানোর সক্ষমতাও পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা যায়, গাড়িটি থামানো অবস্থায় ভেতরের চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো একসঙ্গে ব্যবহার করার পরও উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ ব্যবহারের চেয়ে বেশি ছিল। দুই দিনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রায় ২০০ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হতো বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কেনিয়ায় পরীক্ষার সময় স্টেলা জুভার সাহায্যে ৮০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কেনিয়ার নারোক অঞ্চলের বিদ্যুৎবিহীন মোসিরো এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও যাত্রা করা হয়। দুর্গম ও ধুলোময় রাস্তায় কয়েক ঘণ্টার যাত্রার পরও যানটি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে বলে জানান প্রকল্পের সদস্যরা।

আম্রেফ হেলথ আফ্রিকার কর্মকর্তারা বলছেন, মোসিরোর মতো এলাকায় বিদ্যুতের অভাবে বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের আলট্রাসাউন্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা পাওয়া কঠিন। এসব অঞ্চলে সৌরশক্তিচালিত মোবাইল স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সোলার টিম আইন্দহোভেন ২০১৩ সাল থেকে টেকসই যানবাহন তৈরির বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পে কাজ করছে। এর আগে তারা সৌরশক্তিচালিত ক্যাম্পারভ্যান ‘স্টেলা ভিটা’ এবং অফ-রোড সৌরযান ‘স্টেলা টেরা’ তৈরি করেছে।

প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের আশা, স্টেলা জুভার মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।