খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

সূর্যের শক্তিতে ছুটছে অ্যাম্বুলেন্স, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে চিকিৎসাসেবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সূর্যের শক্তিতে ছুটছে অ্যাম্বুলেন্স, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে চিকিৎসাসেবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বাস্থ্যসেবা ও বিদ্যুতের সংকটে থাকা দুর্গম মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে তৈরি হয়েছে সৌরশক্তিচালিত অ্যাম্বুলেন্স ‘স্টেলা জুভা’। নেদারল্যান্ডসের একদল শিক্ষার্থীর তৈরি এই যানটি শুধু রোগী পরিবহন নয়, প্রয়োজন হলে একটি ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবেও কাজ করতে পারে।

আফ্রিকার অনেক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে দীর্ঘ দূরত্বে বসবাস করেন। একই সঙ্গে দুর্গম বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ-সংযোগ না থাকায় চিকিৎসাসেবা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই স্টেলা জুভা তৈরি করা হয়েছে।

আইন্দহোভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিসহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৩ শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে গঠিত ‘সোলার টিম আইন্দহোভেন’ এই প্রকল্পটি তৈরি করেছে। দলটির দাবি, স্টেলা জুভা বিশ্বের প্রথম সৌরশক্তিচালিত অ্যাম্বুলেন্স।

যানটির ছাদে সৌর প্যানেল রয়েছে, যা চলার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। আবার গাড়ি থামানো অবস্থায় অতিরিক্ত চার্জের জন্য প্রসারণযোগ্য সৌর প্যানেল মেলে দেওয়া যায়। ফলে প্রচলিত জ্বালানি বা চার্জিং অবকাঠামোর ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে যায়।

স্টেলা জুভায় রয়েছে এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসাউন্ড, ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম। অর্থাৎ রোগীদের শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিদ্যুৎ সরাসরি প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দিতে পারে এটি।

চলতি মাসে কেনিয়ায় বেসরকারি সংস্থা আম্রেফ হেলথ আফ্রিকার সঙ্গে যৌথভাবে যানটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়। দুর্গম ও কাঁচা রাস্তায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পাশাপাশি দূরবর্তী এলাকায় পৌঁছে চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো চালানোর সক্ষমতাও পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা যায়, গাড়িটি থামানো অবস্থায় ভেতরের চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো একসঙ্গে ব্যবহার করার পরও উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ ব্যবহারের চেয়ে বেশি ছিল। দুই দিনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রায় ২০০ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হতো বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কেনিয়ায় পরীক্ষার সময় স্টেলা জুভার সাহায্যে ৮০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কেনিয়ার নারোক অঞ্চলের বিদ্যুৎবিহীন মোসিরো এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও যাত্রা করা হয়। দুর্গম ও ধুলোময় রাস্তায় কয়েক ঘণ্টার যাত্রার পরও যানটি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে বলে জানান প্রকল্পের সদস্যরা।

আম্রেফ হেলথ আফ্রিকার কর্মকর্তারা বলছেন, মোসিরোর মতো এলাকায় বিদ্যুতের অভাবে বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের আলট্রাসাউন্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা পাওয়া কঠিন। এসব অঞ্চলে সৌরশক্তিচালিত মোবাইল স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সোলার টিম আইন্দহোভেন ২০১৩ সাল থেকে টেকসই যানবাহন তৈরির বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পে কাজ করছে। এর আগে তারা সৌরশক্তিচালিত ক্যাম্পারভ্যান ‘স্টেলা ভিটা’ এবং অফ-রোড সৌরযান ‘স্টেলা টেরা’ তৈরি করেছে।

প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের আশা, স্টেলা জুভার মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

 যোগফল প্রতিবেদক:

লিঙ্গ রূপান্তরের পর অবশেষে নারীদের ক্রিকেটে খেলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া বাঙ্গার। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে নারীদের বিগ ব্যাশ লিগে (ডব্লিউবিবিএল) খেলার অনুমতি দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন পাওয়ার পর অনয়ার সামনে খুলেছে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার নতুন সুযোগ। তবে তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা এবং দেশকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেওয়া।

বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাকে নারী ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়নি। এ বিষয়ে অনয়া আশাবাদী, ভবিষ্যতে ভারতীয় বোর্ড বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে এবং তার মতো ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নীতিমালা তৈরি করবে।

এক সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেন, তিনি আশা করেন বিসিসিআই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং একদিন ভারতের নারী দলে খেলার সুযোগ পাবেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাকেই তিনি নিজের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিসিসিআইয়ের অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অনয়া বলেন, রূপান্তরের পর বোর্ডের নীরবতা তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। তিনি জানতেন, লিঙ্গ রূপান্তরের পর ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে তার আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটে একটি স্পষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি তৈরি হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অনুমোদনের ফলে অনয়া এখন নারীদের ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলেও ভারতের জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে তাকে এখনও বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আফরোজা আব্বাস জানান, মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই ভালো। দেশে ফেরার জন্য তিনি বেশ আগ্রহী ছিলেন এবং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ফেরার তাগাদা দিয়ে আসছিলেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে চিকিৎসক বোর্ড তাকে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও তার চিকিৎসা চলমান থাকবে। প্রতিদিন তাকে থেরাপি নিতে হবে এবং এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি ফিজিওথেরাপি নেন।

এরও আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারালে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিমানের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিমানের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

 যোগফল প্রতিবেদক:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট বাড়ার পাশাপাশি আয়ও বাড়লে ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুটগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আয় বাড়বে। তখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিমান ভাড়া আরও কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, একসময় হজযাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো। পরে তা কমিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা করা হয়। গত হজে সর্বোচ্চ ভাড়া ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। চলতি বছর ডায়নামিক প্রাইসিং পদ্ধতিতে তা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

বিমান টিকিটের মূল্য নির্ধারণে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো যেভাবে পরিচালিত হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

অভ্যন্তরীণ রুটে, বিশেষ করে ফ্লাইট ছাড়ার সময় ঘনিয়ে এলে টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত বিমান ভাড়া প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা। এর সঙ্গে প্রায় ১৫ শতাংশ কর ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ যুক্ত হয়।

তিনি আরও জানান, ফ্লাইটের শেষ সময়ে টিকিটের মূল্য নিয়ে কারসাজি বা কালোবাজারি ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে যাত্রীরা যাতে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে এই টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট কিনতে পারবেন।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম