খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

২০২৮ শিক্ষাবর্ষে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০২৮ শিক্ষাবর্ষে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার

যোগফল প্রতিবেদক:

শিক্ষাব্যবস্থায় মেধা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটাতে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের শিক্ষাক্রমে ব্যাপক সংস্কার আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আগে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাঠ্যক্রমে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), খেলাধুলা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মতো নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকারের শিক্ষা সংস্কারের পরিকল্পনার কথা জানান।

মাহদী আমিন বলেন, জিপিএ-৫ এর কৃত্রিম বন্যা দেখিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় বিভ্রান্তিকর বার্তা দেওয়ার পথ বন্ধ করে প্রকৃত মেধা ও দক্ষতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক ও বিস্তৃত সংস্কার আনা হবে। এতে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশে একটি টেকসই ও যুগান্তকারী শিক্ষাক্রম রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে।”

২০২৭ থেকেই যুক্ত হচ্ছে নতুন বিষয়

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে চারটি নতুন বই ও বিষয় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও শারীরিক শিক্ষাভিত্তিক ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন’ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এসব বিষয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এসএসসি ফলাফলে মূল্যায়নের স্বচ্ছতার দাবি

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের গুণগত পরিবর্তন এবং মূল্যায়নের স্বচ্ছতা নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, অতীতে পরিসংখ্যান ভালো দেখাতে কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ বাড়ানোর প্রবণতা ছিল। এবার কোনো গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়নি এবং শিক্ষার্থীরা নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য এবং শিক্ষা স্রোত থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নীতি তৈরির কথা জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, এসব তরুণকে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। প্রয়োজনে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে।

বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ

বেকারত্ব কমাতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ বা কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের দক্ষতার তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন। একই সঙ্গে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দক্ষ তরুণ-তরুণীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে এ কার্যক্রম চালু করে পরবর্তী সময়ে দেশের প্রতিটি জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ উদ্যোগে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

শিক্ষকদের হাতে যাবে ডিজিটাল ট্যাব

শিক্ষকতা পেশাকে আরও আকর্ষণীয় করা এবং শিক্ষকদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়াতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের শিক্ষকদের হাতে ডিজিটাল ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আধুনিক প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষকদের অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, “কেবল সনদসর্বস্ব শিক্ষা নয়, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি প্রজন্ম তৈরির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

 যোগফল প্রতিবেদক:

লিঙ্গ রূপান্তরের পর অবশেষে নারীদের ক্রিকেটে খেলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া বাঙ্গার। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে নারীদের বিগ ব্যাশ লিগে (ডব্লিউবিবিএল) খেলার অনুমতি দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন পাওয়ার পর অনয়ার সামনে খুলেছে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার নতুন সুযোগ। তবে তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা এবং দেশকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেওয়া।

বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাকে নারী ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়নি। এ বিষয়ে অনয়া আশাবাদী, ভবিষ্যতে ভারতীয় বোর্ড বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে এবং তার মতো ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নীতিমালা তৈরি করবে।

এক সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেন, তিনি আশা করেন বিসিসিআই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং একদিন ভারতের নারী দলে খেলার সুযোগ পাবেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাকেই তিনি নিজের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিসিসিআইয়ের অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অনয়া বলেন, রূপান্তরের পর বোর্ডের নীরবতা তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। তিনি জানতেন, লিঙ্গ রূপান্তরের পর ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে তার আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটে একটি স্পষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি তৈরি হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অনুমোদনের ফলে অনয়া এখন নারীদের ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলেও ভারতের জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে তাকে এখনও বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আফরোজা আব্বাস জানান, মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই ভালো। দেশে ফেরার জন্য তিনি বেশ আগ্রহী ছিলেন এবং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ফেরার তাগাদা দিয়ে আসছিলেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে চিকিৎসক বোর্ড তাকে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও তার চিকিৎসা চলমান থাকবে। প্রতিদিন তাকে থেরাপি নিতে হবে এবং এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি ফিজিওথেরাপি নেন।

এরও আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারালে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিমানের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিমানের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

 যোগফল প্রতিবেদক:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট বাড়ার পাশাপাশি আয়ও বাড়লে ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুটগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আয় বাড়বে। তখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিমান ভাড়া আরও কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, একসময় হজযাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো। পরে তা কমিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা করা হয়। গত হজে সর্বোচ্চ ভাড়া ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। চলতি বছর ডায়নামিক প্রাইসিং পদ্ধতিতে তা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

বিমান টিকিটের মূল্য নির্ধারণে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো যেভাবে পরিচালিত হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

অভ্যন্তরীণ রুটে, বিশেষ করে ফ্লাইট ছাড়ার সময় ঘনিয়ে এলে টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত বিমান ভাড়া প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা। এর সঙ্গে প্রায় ১৫ শতাংশ কর ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ যুক্ত হয়।

তিনি আরও জানান, ফ্লাইটের শেষ সময়ে টিকিটের মূল্য নিয়ে কারসাজি বা কালোবাজারি ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে যাত্রীরা যাতে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে এই টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট কিনতে পারবেন।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম