খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

পুলিশ ছাত্রদল নেতাকে চিনতে না পারায় থানার সামনে মশাল মিছিল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশ ছাত্রদল নেতাকে চিনতে না পারায় থানার সামনে মশাল মিছিল

যোগফল প্রতিবেদক:

রাজশাহীর পবায় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক তরুণকে পুলিশ চিনতে না পারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানার সামনে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে। ওই তরুণ ও তার সমর্থকেরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দারুশায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কর্ণহার থানার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভে বক্তব্য দেন সাদমান সাকিব। তার বাড়ি পবা উপজেলার দারুশা রাধানগর গ্রামে। তিনি আগে জেলা তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। গত ১৫ আগস্ট ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী। তবে ছাত্রদলে এখনো তার কোনো পদ নেই।

সাদমান সাকিবের অভিযোগ, গত ২৮ আগস্ট একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে মধ্যরাতে তার দুই কর্মী নাজমুল ও রেফাজুল তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। পথে শিশাপাড়া ঈদগাহের সামনে কর্ণহার থানা পুলিশের একটি দল তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

তার দাবি, এ সময় উজ্জ্বল নামের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তাদের হয়রানি করেন এবং তাকে কটূক্তি করেন।

সাদমান সাকিব বলেন, ‘পুলিশকে জানানো হয়েছিল তারা আমাকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে ফিরছেন। এরপরও তল্লাশির নামে তাদের হয়রানি করা হয় এবং আমাকে কটূক্তি করা হয়।’

মশাল মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি বলেন, বয়স কম দেখে তাদের হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। সন্দেহ হলে পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। তবে পুলিশের আচরণ খারাপ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তিনি স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার সমালোচনা করেন এবং কথিত পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরএমপি কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে আরএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, থানার সামনে মশাল মিছিল ও সমাবেশের ভিডিও তিনি দেখেছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সাদমানের দুই কর্মী রাত ১টার পর মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। টহল পুলিশ তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তারা সাদমান সাকিবকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসার কথা জানান। এএসআই উজ্জ্বল তখন বলেছেন, তিনি সাদমান সাকিবকে চেনেন না। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে।

আরএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

১৪ বছর পর ধরা পড়লেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৪ বছর পর ধরা পড়লেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি

 যোগফল প্রতিবেদক:

বরিশালের বানারীপাড়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মান্নান জুয়েলকে ১৪ বছর পর চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল র‍্যাব-৮-এর মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত অভি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

র‍্যাব জানায়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে র‍্যাব-৭-এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান জুয়েল (৩৫) বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে।

র‍্যাব-৮-এর মিডিয়া কর্মকর্তা জানান, শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০১২ সালে বানারীপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে জুয়েলের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার বিচার শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

তবে রায় ঘোষণার সময় জুয়েল পলাতক ছিলেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তাকে গ্রেপ্তারে বানারীপাড়া থানার পক্ষ থেকে র‍্যাব-৮-এর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকায় অভিযান চালায় র‍্যাব। অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে জুয়েলকে পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মেয়েদের স্বপ্নপূরণে খালি পায়ে দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন মা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেয়েদের স্বপ্নপূরণে খালি পায়ে দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন মা

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বামীর মৃত্যুর পর দুই মেয়েকে নিয়ে কঠিন সংগ্রামের জীবন শুরু করেন ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড জেলার রামাবাই রানভির। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে রান্নার কাজ বেছে নেওয়া ৪৭ বছর বয়সী এই নারী এবার মেয়েদের পড়াশোনার জন্য ম্যারাথনে অংশ নিয়ে খালি পায়ে দৌড়ে প্রথম হয়েছেন।

আম্বাজোগাইয়ের বাসিন্দা রামাবাই স্থানীয় একটি একাডেমিতে রাঁধুনির কাজ করেন। মুম্বাইয়ে এক দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যুর পর দুই মেয়েকে বড় করার পুরো দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। আর্থিক সংকট থাকলেও মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করতে চাননি তিনি।

বড় মেয়েকে আম্বাজোগাইয়ের একটি একাডেমিতে ভর্তি করানোর পর সেখানেই রান্নার কাজ নেন রামাবাই। প্রতিদিন সেখানে খাবার রান্না করেন তিনি। পাশাপাশি তার দুই মেয়ে পড়াশোনার সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিও চালিয়ে যাচ্ছেন।

এর মধ্যে স্থানীয় একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ‘অমৃত দৌড়’ ম্যারাথন। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে ছিল ৩ হাজার রুপি। মেয়েদের পড়াশোনার কথা চিন্তা করে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রামাবাই।

সাধারণ শাড়ি পরে তরুণদের সঙ্গে দৌড়ে নামেন তিনি। শুরুতে স্যান্ডেল পরেই দৌড় শুরু করলেও কিছুক্ষণ পর স্যান্ডেল পা থেকে খুলে যেতে থাকে। একপর্যায়ে তা হাতে তুলে নিয়ে খালি পায়েই দৌড়াতে শুরু করেন রামাবাই।

রাস্তার ঠান্ডা ও পাথর—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। শাড়ি সামলে একটানা দৌড়ে অন্য প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে শেষ পর্যন্ত সবার আগে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করেন তিনি। তার এই দৃঢ়তায় উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকেরা।

জয়ের পর রামাবাই বলেন, দৌড়ে অনেক নারী অংশ নিয়েছিলেন। তবে পুরস্কারটি জিততে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। দৌড়ের পুরো সময় তার চোখের সামনে ছিল দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ।

পুরস্কারের ৩ হাজার রুপি কী করবেন, সেটিও আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছেন তিনি। রামাবাই জানান, ওই টাকা দিয়ে মেয়েদের জন্য বই কিনবেন।

এই ম্যারাথনে রামাবাইয়ের মেয়ে পূজাও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। মায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে পূজাই তাকে উৎসাহ দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত মা-ই প্রথম হবেন, তা ভাবেননি তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জমিতে ধানের চারা রোপণের সময় বজ্রপাতে মো. দেলোয়ার হোসেন খান (৪২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চেঁচরী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেলোয়ার হোসেন ওই গ্রামের মো. হারুন খানের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে নিজের জমিতে ধানের চারা রোপণ করছিলেন দেলোয়ার। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি জমিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

চেঁচরী রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহিন খান বলেন, মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে দেলোয়ারের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

কাঁঠালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) হারান চন্দ্র পাল জানান, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম