খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য সংসদে দুই হাত তুলে দোয়া করলেন জামায়াত আমির

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

যোগফল প্রতিবেদক:

এসআরবি বিল নিয়ে আলোচনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ইতিবাচক অবস্থানের প্রশংসা করে তার জন্য দোয়া করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘এসআরবি বিল ২০২৬’ নিয়ে আলোচনার সময় এ ঘটনা ঘটে। বিলটির রিপোর্ট প্রদানের সময় বাড়ানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইতিবাচক অবস্থানের প্রশংসা করেন জামায়াত আমির।

বক্তব্যের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের প্রশংসা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনার মধ্যে একটা রুহানি তাজল্লি আছে।’

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সাগর যেমন মহান, উদার এবং বিশাল—উনি আলহামদুলিল্লাহ, এর কিছু আসর পড়ার কারণে উনি দুই দিন থেকে চার দিন, পাঁচ দিন পর্যন্ত এগিয়ে গেছেন, এজন্য উনাকে মোবারকবাদ।’

একপর্যায়ে দুই হাত তুলে মোনাজাতের ভঙ্গিতে জামায়াত আমির বলেন, ‘হে রাব্বুল আলামিন, তুমি উনার দিলটাকে অনেক বড় করে দাও। আল্লাহ তায়ালা, জাতির স্বার্থেই বড় করে দিন।’

এ সময় সংসদের নিজ আসনে বসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ‘আমিন’ বলে মুখে হাত বুলাতে দেখা যায়।

বিশেষায়িত বাহিনী গঠনে শর্তসাপেক্ষে সমর্থন

বক্তব্যে র‍্যাব বিলুপ্তির পর নতুন কোনো বিশেষায়িত বাহিনী বা ব্যুরো গঠন করা হলে এ বিষয়ে বিরোধী দলের অবস্থানও স্পষ্ট করেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘যদি এই ধরনের কোনো স্পেশালাইজড ফোর্স গঠন করার জাতির স্বার্থে প্রয়োজন হয়, আমরা বাধা দেব না, ইনশাআল্লাহ।’

তবে এ ধরনের বাহিনী গঠনের আগে বিষয়টি নিয়ে যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও সমঝোতার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘একবার আমাদের চুন খেয়ে গাল ঘা হয়েছে, এখন দই দেখলেও ভয় লাগে। সে ভয়ের জায়গাটা শুধু বিরোধী দলের না, গোটা জাতির। জাতি ট্রমাটাইজড।’

র‍্যাবের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ

অতীতে র‍্যাবের বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিরোধীদলীয় নেতা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘র‍্যাবের দ্বারা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের আট খুনের মামলা এর জ্বলন্ত প্রমাণ। আরও যে কত কাণ্ড ঘটেছে এর ভুক্তভোগী আমরা সবাই।’

তিনি বিলটি আরও পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে সংসদে আনার আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রাগম্যাটিক্যালি, বাস্তবধর্মীভাবে, ব্যবহারিক দিক বিবেচনা করে এটাকে আরেকটু ডেফার করে, আরেকটু স্টাডি করে এই বিলটাকে আগামী সপ্তাহে আনুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সংসদে বিল যদি পাশ না-ও হয়, আমরা কনভিন্স হয়ে আগামীতে আরও ভালো কিছু করতে পারব, আমি আশাবাদী।’

‘মজলুমের সংসদ’ উল্লেখ করে আবেগঘন বক্তব্য

বক্তব্যে অতীতে নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘এই সংসদ মজলুমের সংসদ, মজলুমরা বড় ভয় পায়। জুলুমের কথা স্মরণ হলে এখনো অনেকে ঘুমাতে পারে না।’

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আরমানের সন্তানরা তার ফিরে আসার পরও প্রায় এক বছর পর্যন্ত তার কাছে আসতে ভয় পেত। একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার আরও অনেকে হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদেরের প্রসঙ্গও বক্তব্যে উল্লেখ করেন শফিকুর রহমান।

সবশেষে আবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের জন্য দোয়া করে তিনি বলেন, ‘হে রাব্বুল আলামিন, তুমি তার দিলটাকে বড় করে দাও।’

বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ হাসিমুখে প্রতিক্রিয়া জানান এবং বিরোধীদলীয় নেতার আবেগ ও অনুভূতিকে ধারণ করার কথা জানান।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারতের ভিসা প্রত্যাশীদের দালাল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান হাইকমিশনের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতের ভিসা প্রত্যাশীদের দালাল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান হাইকমিশনের

যোগফল প্রতিবেদক: 

ভারতে ভ্রমণের জন্য ভিসা প্রত্যাশী বাংলাদেশিদের দালাল ও অননুমোদিত এজেন্টদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ আহ্বান জানায় হাইকমিশন।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, দালালরা বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে ‘নিশ্চিত ভিসা’, ‘দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ’ এবং ‘নিশ্চিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট’-এর মতো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে।

এসব প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করলে অর্থ, ভিসা আবেদন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে হাইকমিশন।

হাইকমিশনের পক্ষ থেকে ভিসা প্রত্যাশীদের কোনো অননুমোদিত এজেন্ট বা ব্যক্তির কাছে টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য হস্তান্তর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভারতের ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সরাসরি নির্ধারিত সরকারি ভিসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন: বাণিজ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন: বাণিজ্যমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল একবারে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারণে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ বাংলাদেশের চামড়া খাতের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন গত ১১ বছর ধরে সমন্বয় করা হয়নি। বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় পর বেতন সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। তবে নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ফলে একবারে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে প্রবাহিত হবে না এবং পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন সমন্বয় না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের আয় ও বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ বিষয়টি সমন্বয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি কর্মচারীদের বেতন নয়, বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দামের বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এসব বিষয় সরকার সমন্বিতভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভোজ্যতেলের দাম প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে তেলের দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়া বা কমার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ে।

তিনি জানান, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করছে। দুই ঈদে খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রমও চলছে। একই সঙ্গে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে কি না, সেটিও নজরদারি করা হচ্ছে।

চিনির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যতম বড় রিফাইনারি মেঘনা গ্রুপের কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি মজুত রয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতের কলকাতায় সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে কলকাতা ভ্রমণের আগে অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত করাসহ কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ আগস্ট কলকাতায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ভ্রমণকারী নাগরিকদের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এসব নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।

উপ-হাইকমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কলকাতায় যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট হোটেলের বুকিং নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে হোটেলটির বর্তমান কার্যক্রম, কক্ষের প্রাপ্যতা ও অবস্থান সম্পর্কে যথাযথভাবে জেনে ভ্রমণ করতে হবে।

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় যাওয়া রোগীদের সঙ্গে থাকা অ্যাটেনডেন্টদেরও ভ্রমণের আগে হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি হোটেলের কক্ষের প্রাপ্যতা, বুকিংয়ের বৈধতা, হাসপাতাল থেকে হোটেলের দূরত্ব এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আগেই নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কলকাতার স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনাপ্রবণ কিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হতে এক মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে কলকাতায় গিয়ে আবাসনসংকটে পড়া এড়াতে অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত না করে ভ্রমণ না করার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম