খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০ কার্তিক, ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৯৭, মাদকসহ আটক অনেকে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৯৭, মাদকসহ আটক অনেকে

ছবী সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্যসহ ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জেলার সাতটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৪৫ জন মাদকসেবী, বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ২০ জন, তিনজন ছিনতাইকারী, নিয়মিত মামলার ছয়জন আসামি, অন্যান্য ধারায় ছয়জন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের পাঁচজন সদস্য রয়েছেন।

পুলিশের তথ্যমতে, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশের অভিযানে পাঁচ গ্রাম হেরোইনসহ দুজন মাদক ব্যবসায়ী, পাঁচজন মাদকসেবী ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ২০৫ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী, একজন মাদকসেবী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ছয়জন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্যসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ৩৬ পিস ইয়াবাসহ দুজন মাদক ব্যবসায়ী, চারজন মাদকসেবী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত একজন, নিয়মিত মামলার একজন আসামি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুজন সদস্যসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বন্দর থানা পুলিশের অভিযানে সাতজন মাদকসেবী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজন এবং অন্যান্য ধারায় ছয়জনসহ মোট ১৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

সোনারগাঁ থানা পুলিশ ১৪ জন মাদকসেবী, দুজন ছিনতাইকারী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত দুজন, নিয়মিত মামলার একজন আসামি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্যসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রূপগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৬৫০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ী, ১৪ জন মাদকসেবী, একজন ছিনতাইকারী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত দুজন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্যসহ মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ছাড়া আড়াইহাজার থানা পুলিশ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজন ও নিয়মিত মামলার চার আসামিসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে জেলা পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাউফলে খালে মিলল অজ্ঞাত মরদেহ, নিখোঁজ বাবাকে দাবি করে মেয়ের হত্যা মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউফলে খালে মিলল অজ্ঞাত মরদেহ, নিখোঁজ বাবাকে দাবি করে মেয়ের হত্যা মামলা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর বাউফলে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহকে নিখোঁজ বাবা আলম গাজীর (৫৫) দাবি করে হত্যা মামলা করেছেন তাঁর বড় মেয়ে রিপা বেগম (৩২)। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাউফল থানায় মামলাটি করেন রিপা বেগম। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল পৌর শহরের বাংলাবাজার জামে মসজিদসংলগ্ন আলোকি খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর বাউফলে ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগমের বাসা থেকে নিখোঁজ হন আলম গাজী। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। আলম গাজীর তিন স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী পিয়ারা বেগম বাউফল পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী কমলা বেগম গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া গ্রামে থাকেন। ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগম থাকেন বাউফলের দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আলম গাজী ছোট স্ত্রীর সঙ্গেই থাকতেন।

রোববার কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের লুঙ্গি ও টি-শার্ট দেখে সেগুলো নিখোঁজ আলম গাজীর বলে দাবি করেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ও চার সন্তান। পরে তাঁর বড় মেয়ে রিপা বেগম হত্যা মামলা করেন।

কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মনিরুজ্জামান সরদার বলেন, মরদেহটির সঙ্গে প্রায় ১৭টি ইটভর্তি একটি প্লাস্টিকের বস্তা বাঁধা ছিল। মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে এভাবে খালে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে মরদেহটি পটুয়াখালী সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মরদেহটি নিখোঁজ আলম গাজীর কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। আলামত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামি কবির হোসেনকে (৬০) কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার সদর থানার কলাতলী বিচ এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার কবির হোসেন আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর এলাকার মৃত মোমতাজ উদ্দিনের ছেলে।

এসআরবি-১১-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় হামলার শিকার হন আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জহির ফকির।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার রাতে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন জহির ফকির। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় কবির হোসেনকে তিন নম্বর আসামি করা হয়েছে।

এসআরবি জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মামলার আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কবির হোসেনের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর সোমবার সকালে এসআরবি-১১ ও এসআরবি-১৫-এর যৌথ দল কক্সবাজারের কলাতলী বিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পরে গ্রেপ্তার কবির হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনারগাঁ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার, ছাত্রদল নেতা উদয়কে পদ থেকে অব্যাহতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার, ছাত্রদল নেতা উদয়কে পদ থেকে অব্যাহতি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে ২১৭ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা আমানুল্লাহ আমান উদয়কে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদসহ সংগঠনের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বকশীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুবাইদুল ইসলাম শামীম ও সাধারণ সম্পাদক বায়োজিদ আল আমিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণমাধ্যমে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, বকশীগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান উদয়কে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদসহ সংগঠনের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সুমিল বলেন, ‘আমাদের সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তাই মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতাকে দলের সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে, রোববার দুপুরে আমানুল্লাহ আমান উদয়কে ২১৭ বোতল বিদেশি মদসহ আরও চারজনের সঙ্গে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। শনিবার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বকশীগঞ্জ উপজেলার বৈষ্ণবপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম