গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস, জ্বলছে আগুন
ছবি যোগফল
ছবি যোগফল
ছবি সংগৃহীত
ছুটির দিনে শুক্রবার সকালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বগুড়া ও সিলেটে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। বগুড়ায় বাসের চাপায় সাতজন এবং সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছেন।
বগুড়া
বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে বাসের চাপায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন বগুড়ার বেলাল হোসেন (৩৭), গাইবান্ধার আমিরুল ইসলাম (৪৫), নূর আলম (৩৫), ফয়জার রহমান (৪৩), আবদুর রহিম (৪৬) এবং জয়পুরহাটের তাজমুল (৪৫)।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি বৈদ্যুতিক পিলারে ধাক্কা দেয়। এ সময় সেখানে কাজের সন্ধানে অপেক্ষা করছিলেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। বাসটি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন।
সিলেট
সিলেটের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটগামী বেঙ্গল স্লিপার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইউনিক পরিবহনের সাত যাত্রী নিহত হন। পরে গুরুতর আহত এক শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আটজনই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম
ছবি সংগৃহীত
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে মারসা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ পৌরসভার গাছবাড়িয়া এলাকায় ব্র্যাক কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার সৈয়দ মো. রিদোয়ান (৪৫), সৈয়দ মো. মনজুর (১৩), জান্নাতুল আফরা (৭), মোছাম্মৎ আনিস খাতিজা (৩৫) এবং প্রাইভেটকারের চালক মো. আনোয়ার (৩২)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার থেকে আসা মারসা পরিবহনের একটি বাস ওভারটেক করার সময় চট্টগ্রাম থেকে সাতকানিয়াগামী একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ভেঙে যায় সামনের কাচ এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। এ সময় চালকসহ প্রাইভেটকারের পাঁচ আরোহী আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আহত সৈয়দ মো. রিদোয়ানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য জানান।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আবছার বলেন, ‘দুর্ঘটনাস্থল থেকে বাস ও প্রাইভেটকার জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম
ছবি সংগৃহীত
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে সাহাব উদ্দিন (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে মুছাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব জাকারিয়া তছলিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জাকারিয়া তছলিমের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সাহাব উদ্দিনের ওপর হামলা চালান। এ সময় রিদোয়ান, তাহের, মাহফুজ ও সাহাবুদ্দীন নামে আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
হামলায় সাহাব উদ্দিনের হাত, মাথা, বুক ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে সেলাই দিতে হয়েছে তাকে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ছাড়া জাকারিয়া তছলিমের বিরুদ্ধে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, গরু চুরি ও ইয়াবা কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে—এমন একটি চক্রের সদস্যদের সঙ্গে মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন মিলে এ হামলা চালিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জাকারিয়া তছলিমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার বলেন, ‘সাহাব উদ্দিন নামের একজনের ওপর হামলার ঘটনা শুনেছি। হয়তো দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় কেউ মামলা করতে আসেননি। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
আপনার মতামত লিখুন