খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

মিরসরাইয়ে অস্ত্রসহ যুবদল নেতা আটক, জব্দ এলজি-ছোরা ও ফ্লেয়ার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিরসরাইয়ে অস্ত্রসহ যুবদল নেতা আটক, জব্দ এলজি-ছোরা ও ফ্লেয়ার

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অভিযান চালিয়ে নওশাদ আলম (৩৩) নামে এক যুবদল নেতাকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে একটি এলজি বন্দুক, চারটি ছোরা ও পাঁচটি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালী এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক নওশাদ আলম সাহেরখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ডোমখালী এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন।

মিরসরাই থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার থানা-পুলিশের সহায়তায় চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নওশাদ আলমের কাছ থেকে একটি এলজি, চারটি ছোরা ও পাঁচটি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে মিরসরাই থানা যুবদলের সমন্বয়ক এসএম সুমন বলেন, যুবদলে কোনো অস্ত্রবাজের জায়গা হবে না। কারও ব্যক্তিগত দায় দল নেবে না। বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, একটি এলজি, চারটি ছোরা ও পাঁচটি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ারসহ নওশাদ আলম নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপালগঞ্জে সহপাঠীরা মেধাবী শিক্ষার্থীর পিঠে চালাল চাইনিজ কুড়াল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে সহপাঠীরা মেধাবী শিক্ষার্থীর পিঠে চালাল চাইনিজ কুড়াল

ছবিতে মেধাবী শিক্ষার্থী ইমন কাজী

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

মেধাবী শিক্ষার্থী ইমন কাজী (১৮)। গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগের এ শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.৭৫ পেয়েছে। ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার মাঝগাতি ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামে অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করছেন । ওই শিক্ষার্থীর বাবার নাম ছিদ্দিক কাজী। 

সোমবার (২ নভেম্বর) গোপালগঞ্জ শহরের অপটিমাম কোচিং সেন্টার এ কোচিং করতে আসেন । কোচিং শেষ করে বাড়ি যাবার পথে শহরের ট্রাস্ট ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে বাবার পাঠানো ১৯ হাজার ও মামা ইকরাম কাজীর পাঠানো ৭০ হাজার টাকা সহ মোট ৮৯ হাজার টাকা উত্তোলন করে। পরে বন্ধু হামীম মীরের মোটর সাইকেলে করে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেন তারা । তাদের মোটর সাইকেল বেদগ্রাম হাজী নাদের আলী সাদেক আলী স্কুলের সামনে পৌঁছালে বাপ্পী কাজী, শামীম কাজী, তামিম কাজী মোটরসাইকেল ব্যারিকেট দিয়ে রাস্তার ওপর ফেলে দেয় । পরে শামীম কাজী চাইনিজ কুড়াল দিয়ে ইমনের পিঠে ৭টি কোপ দেয়। এছাড়া হাত-পা, মুখ ও মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পেটায় । রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা আলেয়া বেগম বাদী হয়ে গোপীনাথপুর গ্রামের নওশের কাজী ছেলে তুহিন কাজী, আমিনুর কাজী, আমিনুর কাজীর ছেলে বাপ্পী কাজী, জাকির কাজীর ছেলে শামীম কাজী, তামিম কাজীকে আসামী করে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আহত শিক্ষার্থী ইমন কাজী বলেন, চাচাতো ভাই ইসলাম কাজীর ছেলে সালমান কাজী আমার সাথে চলাফেরা করে। ১৫ দিন আগে গ্রামের একটি  তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাপ্পী, শামীমের সাথে  সালমানের বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় আমি ঐ স্থানে উপস্থিত ছিলাম। পরে স্থানীয়রা এটি মিটিয়ে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা আমার ওপর হামলা চালিয়ে হাতুড়ি পেটা ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। এ সময় তারা নগদ ৮৯ হাজার টাকা, আই ফোন ও একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় ভয়ে হামীম মীর নিরাপদে আশ্রয় নেয়। বেদগ্রামের অনেকে এটি দেখেছে। তারা  আমাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসে, কিন্তু চাইনিজ কুড়াল দেখে আতংকে কাছে কেউ আসেনি।

মাঝিগাতী দশপল্লী নেছার উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী আল মামুন বলেন, ইমন কাজী ২০২৪ সালে আমাদের স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়েছিল। মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে সে ভালো রেজাল্ট করেছিল। শুনেছি সহপাঠীদের সাথে বিরোধের জের ধরে তাকে রক্তাক্ত আহত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত বাপ্পী কাজী বলেন, নারী ঘটিত ব্যাপার নিয়ে ইমন কাজী আমাদের এক ছোট ভাইকে মারপিট করতে চায়। আমি এটির প্রতিবাদ জানাই।৭দিন আগে এ বিরোধ নিয়ে ইমন আমাকে মারপিট করে । পরে আমি হাসপাতালে ভর্তি হই ও থানায় অভিযোগ করি ।স্থানীয়রা এটি মিমাংসা করে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমি ইমনকে মেরেছি। স্থানীয়রা এটি মিমাংসা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।    

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার এস আই মুকুল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে মামলা দায়ের হয়েছে । আমি মামলার তদন্ত শুরু করেছি । তদন্ত শেষে পারবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, স্থগিত চারটির সিদ্ধান্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, স্থগিত চারটির সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চারটি প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত রেখে সেগুলো আরও যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমান। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুমোদন স্থগিত হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন, ‘প্রবৃদ্ধি-লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এলইডি) ইন সিলেক্টেড মিউনিসিপ্যালিটিজ’ এবং ‘মেট্রো ঢাকা: ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন’ প্রকল্প। প্রকল্পগুলো আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর একনেকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের কারণে তা স্থগিত করা হয়।

অনুমোদন পাওয়া প্রকল্প

একনেকের অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন কেনা। এ ছাড়া তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন গ্যাসকূপ খনন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনোভেশন ক্লাইমেট স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট, বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন সেন্টার স্থাপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খালের পাড় সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন প্রকল্পের প্রথম পর্ব।

এ ছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় বি-টাইপ অফিসার্স বাসস্থান নির্মাণ, জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ এবং গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

একনেকে অবহিত করা হয়েছে যেসব প্রকল্প

৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের কয়েকটি প্রকল্প অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অনুমোদন দিয়েছেন। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের বিষয়ে একনেকের বৈঠকে অবহিত করা হয়েছে।

এ ধরনের প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হৃদ্‌রোগ চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, শিশু-কিশোর ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

১৩৭ সাপ কোথায় অবমুক্ত হবে, সিদ্ধান্তহীনতায় হবিগঞ্জ বন বিভাগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৩৭ সাপ কোথায় অবমুক্ত হবে, সিদ্ধান্তহীনতায় হবিগঞ্জ বন বিভাগ

ছবি: কালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একসঙ্গে ১৩৭টি বিষধর ও নির্বিষ সাপ কোথায় অবমুক্ত করা হবে, তা নিয়ে চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে হবিগঞ্জ বন বিভাগ। বিপুলসংখ্যক সাপ একসঙ্গে অবমুক্ত করা হলে তা মানুষের জন্য হুমকি তৈরি করবে কি না, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।

জানা যায়, গত ২ নভেম্বর সকালে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য রবি কাস্তা জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঘরবাড়ি ও লোকালয় থেকে সাপগুলো উদ্ধার করেন। পরে তিনি সাপগুলো হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন। সেগুলো রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে অবমুক্ত করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তবে পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে রেমা-কালেঙ্গায় সাপগুলো অবমুক্ত না করে হবিগঞ্জ বন বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

বর্তমানে বন বিভাগের হেফাজতে থাকা ১৩৭টি সাপের মধ্যে রয়েছে পদ্ম গোখরা ৭০টি, খৈয়া গোখরা ৬০টি, দাঁড়াশ ৫টি, মা দাঁড়াশ ১টি, মা খৈয়া গোখরা ১টি এবং ডিম ৫টি। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দাঁড়াশ ছাড়া বাকি সবগুলো সাপই অত্যন্ত বিষধর।

বন বিভাগের আশঙ্কা, এতগুলো বিষধর সাপ একসঙ্গে কালেঙ্গা বা সাতছড়ির মতো ছোট বনে অবমুক্ত করা হলে তা আশপাশের লোকালয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, বিষধর সাপগুলো বর্তমানে তাদের হেফাজতে রেসকিউ সেন্টারে নিরাপদে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন সাপ বিশেষজ্ঞ ও বন্যপ্রাণী গবেষকদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞরা সাপগুলোকে ভাগ করে দেশের বিভিন্ন বড় সংরক্ষিত বনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবমুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত নির্দেশনা পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, চুনারুঘাট বন্যপ্রাণী জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সদস্য চিত্র রঞ্জন বর্মন বলেন, এতগুলো বিষধর সাপ একসঙ্গে ছোট কোনো বনে অবমুক্ত করলে লাভের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি। সাপগুলো খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসতে পারে। তাই এগুলোকে সুন্দরবন বা পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো বড় ও গভীর বনে অথবা বিভিন্ন জলাশয় এলাকায় ভাগ করে অবমুক্ত করা উত্তম হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম