খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

সাংবাদিকের ছদ্মবেশে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল| আতংকে তিন সন্তানের জননী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিকের ছদ্মবেশে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল| আতংকে তিন সন্তানের জননী

ছবিতে অভিযুক্ত

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের নালিয়াটেকি গ্রামে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকের ছদ্মবেশে একাধিক বিবাহিত নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে মোঃ সজিব (৩৫) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করলে নতুন করে আলোচনায় আসে তার পুরোনো অপরাধের ইতিহাস। স্থানীয়রা অভিযুক্ত সজিবকে ‘ভয়ংকর রেপিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শিক্ষাজীবনের পতন ও অপরাধী চরিত্রের উত্থান

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সজিব বিল্লাল পালোয়ানের ছেলে। তিনি ২০১২ সালে এসএসসি পাস করার পর ধলাদিয়া ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানে নিয়মিত পড়ালেখা না করায় তিনি দ্রুত পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়েন। পরে তিনি মুন্সীগঞ্জ পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ডিপ্লোমা programme-এ ভর্তি হলেও পঞ্চম সেমিস্টার পর্যন্ত কোন সেমিস্টারেই পাস করেননি। শিক্ষাজীবনের এই ব্যর্থতাই তাকে অপরাধের পথে ঠেলে দেয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে প্রতারণা ও নারী নির্যাতন: পড়ালেখা ছেড়ে দেওয়ার পর সজিব নিজেকে সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। কিন্তু তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময় মানুষকে নিজেকে উচ্চ শিক্ষিত হিসেবে পরিচয় দিতেন। তিনি স্থানীয় বিবাহিত নারীদের পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন এবং গোপনে তা ভিডিও ধারণ করতেন। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে তিনি তাদের মানসিকভাবে ব্ল্যাকমেইল করতেন। এমনকি ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তিনি নারীদের যৌন ব্যবসায় বাধ্য করার চেষ্টা করতেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন দপ্তরে দালালি ও সাংবাদিক পেশা ব্যবহার করে প্রতারণা করেছেন। জমির নামজারির নামে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সমাজের পারিবারিক ছোটখাটো বিষয়কে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করেছেন। মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মেও তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

একাধিক মামলা ও পূর্বের কারাদণ্ড:
পুলিশ জানিয়েছে, সজিবের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় এর আগেও একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তিনি এর আগে ধর্ষণ মামলায় কারাভোগও করেছেন। তবে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসেও তিনি তার অপরাধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত ছিলেন না। সম্প্রতি তিনি আবারও এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। ওই নারী সাহস করে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আবারও তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে।

ভুক্তভোগীর বর্ণনা ও প্রতিক্রিয়া:
মামলার বাদী ওই গৃহবধূ জানিয়েছেন, সজিব তাকে বিশ্বাসের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং পরে ভিডিও ধারণ করে তাকে হুমকি দেয়। তিনি দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করার পর শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যেন সজিবের মতো প্রতারক আর কাউকে শিকার করতে না পারে।

পুলিশের অবস্থান ও গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা:
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি বলেন, *"আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। অভিযুক্ত সজিবকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তার আগের অপরাধের রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে। আমরা দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।"

স্থানীয় জনমত ও দাবি:
স্থানীয় বাসিন্দারা সজিবের এই কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলছেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এই অপরাধ করে আসছিল কিন্তু ভয়-ভীতির কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। সম্প্রতি ভুক্তভোগী সাহস করে মামলা করায় অন্য নির্যাতিত নারীরাও আইনের কাছে ন্যায়বিচার চাইবেন বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। তারা প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন যেন এ ধরনের অপরাধ পুনরায় না ঘটে।

আইনজীবীদের মতামত:
আইনজীবীরা বলছেন, সজিবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণা—এই তিনটি ধারায় একযোগে মামলা হওয়া উচিত। তারা বলেন, ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা সাইবার অপরাধও বটে। তাই এ মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনও প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে।

সাংবাদিকতার মহান পেশাকে ব্যবহার করে এক ব্যক্তি যখন অপরাধী কর্মকাণ্ড চালায়, তখন তা সমাজে আতঙ্ক ছড়ায়। সজিবের এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সজাগ দৃষ্টি থাকা আবশ্যক যেন এই ধরনের ছদ্মবেশী অপরাধীরা সমাজের শান্তি নষ্ট করতে না পারে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।