খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩

কত টাকায় মিলছে ডলার, ইউরো ও রুপি?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কত টাকায় মিলছে ডলার, ইউরো ও রুপি?

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক লেনদেনের পরিধি দিন দিন বাড়ছে। ফলে আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয়, বিদেশ ভ্রমণ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজার এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিনই মুদ্রার বিনিময় হারে পরিবর্তন আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিম্নরূপ—

  • ১ মার্কিন (ইউএস) ডলার = ১২৩ টাকা ৮০ পয়সা
  • ১ ইউরো = ১৪০ টাকা ৯৫ পয়সা
  • ১ ব্রিটিশ পাউন্ড = ১৬৪ টাকা ৪৭ পয়সা
  • ১ অস্ট্রেলিয়ান ডলার = ৮৬ টাকা ৩৩ পয়সা
  • ১ জাপানি ইয়েন = ৭৬ পয়সা
  • ১ কানাডিয়ান ডলার = ৮৭ টাকা ৭৫ পয়সা
  • ১ সুইডিশ ক্রোনা = ১২ টাকা ৭৭ পয়সা
  • ১ সিঙ্গাপুর ডলার = ৯৫ টাকা ৭৮ পয়সা
  • ১ চীনা ইউয়ান (রেনমিনবি) = ১৮ টাকা ২৮ পয়সা
  • ১ ভারতীয় রুপি = ১ টাকা ২৯ পয়সা
  • ১ শ্রীলঙ্কান রুপি = ২ টাকা ৭১ পয়সা

প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বিদেশে অর্থ পাঠানো, ভ্রমণ, আমদানি-রপ্তানি কিংবা অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের আগে সর্বশেষ বিনিময় হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিশ্ব বাঘ দিবস: বাঘ বাঁচুক ‘বাঘের মতোই’, বাঁচুক সুন্দরবনের প্রাণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ২:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ব বাঘ দিবস: বাঘ বাঁচুক ‘বাঘের মতোই’, বাঁচুক সুন্দরবনের প্রাণ

আজ ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। বাঘ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, যা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের একমাত্র প্রাকৃতিক আবাসস্থল হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য এই দিবসের গুরুত্ব বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এবারের প্রতিপাদ্য— “সবাই হই সচেতন, বাঘ করি সংরক্ষণ।”

বাঘ শুধু একটি প্রাণী নয়, পুরো বন রক্ষার প্রহরী

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঘ একটি বনের বাস্তুতন্ত্রের শীর্ষ শিকারি। বাঘের উপস্থিতিই বনাঞ্চলের খাদ্যচক্র ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি বাঘ যখন হরিণ শিকার করে, তখন তার অবশিষ্ট খাদ্যে বেঁচে থাকে অসংখ্য পাখি, শিয়াল, পোকামাকড়সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী। তাই বাঘ সংরক্ষণ মানে শুধু একটি প্রাণীকে রক্ষা করা নয়, বরং পুরো সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষিত রাখা।

সুন্দরবনে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ক্যামেরা ট্র্যাপিং জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫টি। ২০১৮ সালে ছিল ১১৪টি এবং ২০১৪ সালে ছিল ১০৬টি। অর্থাৎ গত এক দশকে সুন্দরবনে ১৯টি বাঘ বেড়েছে। সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ২০২৭ সালের পরবর্তী জরিপে এই সংখ্যা আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে অতীতের চিত্র ছিল ভিন্ন। ১৯৭৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫০টি। ২০১০ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত টাইগার সামিটে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ ২০২২ সালের মধ্যে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার অঙ্গীকার করলেও বাংলাদেশ এখনও সেই লক্ষ্যে পুরোপুরি পৌঁছাতে পারেনি।

নিরাপদ আবাসস্থল ও পর্যাপ্ত খাদ্যই মূল চাবিকাঠি

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে জরুরি দুটি বিষয় হলো নিরাপদ আবাসস্থল এবং পর্যাপ্ত খাদ্য। জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের কারণে সুন্দরবনের আবাসস্থল ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পর্যটক ও জেলেদের বনাঞ্চলে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় বর্তমানে সুন্দরবন অনেকটাই মানব কোলাহলমুক্ত। ফলে বাঘ নির্বিঘ্নে বিচরণ ও প্রজননের সুযোগ পাচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় বাঘকে নদী সাঁতরাতে কিংবা বন অফিসের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাওয়ার ঘটনাও সেই ইতিবাচক পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত।

হরিণ রক্ষা করলেই উপকৃত হবে বাঘ

বাঘের প্রধান খাদ্য হরিণ। কিন্তু অবৈধ হরিণ শিকার এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরিণের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিকার নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাঘের খাদ্য সংকট কমবে, ফলে তাদের প্রজননও বাড়বে।

প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতে মিলছে সুফল

গত আড়াই দশকে সুন্দরবনে অন্তত ৯১টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো চোরা শিকারিদের হাতে এবং কিছু লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় মানুষের হামলায় মারা গেছে।

তবে গত এক দশকে সরকার স্মার্ট পেট্রোলিং, ক্যামেরা ট্র্যাপ, ড্রোন নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব পদক্ষেপের ফলে বাঘ হত্যা এবং মানুষ-বাঘ সংঘাত আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি বননির্ভর মানুষের বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাঘ বাঁচলেই বাঁচবে সুন্দরবন

বিশ্ব বাঘ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক— বাঘকে তার নিজস্ব অরণ্যে নিরাপদে, স্বাধীনভাবে এবং ‘বাঘের মতোই’ বাঁচতে দেওয়া। কারণ বাঘ বাঁচলে সুন্দরবন বাঁচবে, আর সুন্দরবন টিকে থাকলেই সুরক্ষিত থাকবে দেশের উপকূলীয় জনপদ, পরিবেশ ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


পাঁচ-মাসের-অন্তঃসত্ত্বা-গৃহবধূকে-নিয়ে-উধাও-যুবক,

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাঁচ-মাসের-অন্তঃসত্ত্বা-গৃহবধূকে-নিয়ে-উধাও-যুবক,

অভিযোগে আলোচিত নাঈম ও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের পাবরিয়ারচালা এলাকায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে নিয়ে নাঈম আহমদ নামে এক যুবক উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন তার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রীপুর থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নারী অভিযোগকারীর পুত্রবধূ এবং তিনি বর্তমানে প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত ১৬ জুলাই ২০২৬ দুপুরে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে নাঈম আহমদের সঙ্গে তিনি বাড়ি থেকে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, যাওয়ার সময় তিনি ঘরে থাকা নগদ ৪৫ হাজার টাকা, আনুমানিক ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি মোবাইল ফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে বাধ্য হয়ে তারা শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, অভিযোগে উল্লিখিত বিষয়গুলো অভিযোগকারী পরিবারের দাবি। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তদন্তে প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মেসির ‘অসম্মান করবেন না’ মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন রেফারি পিনেইরো

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসির ‘অসম্মান করবেন না’ মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন রেফারি পিনেইরো

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে লিওনেল মেসির সঙ্গে হওয়া বহুল আলোচিত বাক্যবিনিময় নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন ম্যাচ রেফারি জোয়াও পিনেইরো। তার দাবি, মাঠের ওই কথোপকথন ছিল ফুটবলের স্বাভাবিক অংশ, যা অযথাই বড় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩৮ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ রেফারি বলেন, মেসির সঙ্গে তার আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ গঠনমূলক এবং ম্যাচ পরিচালনার সময় এমন সংলাপ প্রায়ই হয়ে থাকে।

পিনেইরোর ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচের এক পর্যায়ে তার রেফারিং দল প্রথমে আর্জেন্টিনার লিয়েন্দ্রো পারেদেসের একটি চ্যালেঞ্জকে হলুদ কার্ডযোগ্য ফাউল হিসেবে বিবেচনা করেছিল। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, কোনো ফাউলই হয়নি। বরং সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউলের অভিনয় করেছিলেন। যেহেতু সেটি তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পরিস্থিতি ছিল, তাই নিয়ম অনুযায়ী তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়তে বলা হয়। পিনেইরোর দাবি, সেটি প্রথম হলুদ কার্ডের ঘটনাও হলেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।

মেসির সঙ্গে কথোপকথন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মেসি আমার সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিল। অন্য খেলোয়াড়রাও এমন আলোচনা করে থাকেন। অধিনায়করা সাধারণত রেফারিদের সঙ্গে বেশি কথা বলেন এবং নতুন নিয়মেও তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে মেসির নাম জড়িত থাকায় বিষয়টি বেশি আলোচিত হয়েছে। একই ঘটনা অন্য খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও ঘটে, কিন্তু মেসি বা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো থাকলে মানুষ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখে।”

বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পিনেইরো আরও বলেন, “এসব ছিল গঠনমূলক আলোচনা। প্রতিটি বিতর্কেই হলুদ কার্ড দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। হয়তো মেসি আমার কোনো সিদ্ধান্ত ভুল বুঝেছিল। আমরা কথা বলেছি, একে অপরকে বুঝেছি এবং এরপর খেলা স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে গেছে। বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।”

উল্লেখ্য, ম্যাচের ৭২তম মিনিটে সুইজারল্যান্ড সমতায় ফেরার পর ভিএআর পর্যালোচনায় ব্রিল এম্বোলোর ডাইভ ধরা পড়ে। এরপর তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ চলাকালে মেসি ও পিনেইরোর কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে আর্জেন্টিনা অধিনায়ককে বলতে শোনা যায়, “ভালোভাবে কথা বলুন, অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে সম্মান রেখে কথা বলুন। আমিও আপনার সঙ্গে সম্মান রেখেই কথা বলেছি।”

তবে ম্যাচের পর ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) জানায়, এম্বোলোকে লাল কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে ভিএআর ব্যবহারে নিয়মগত ভুল হয়েছিল। সংস্থাটির ব্যাখ্যায় বলা হয়, ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ ধারা কেবল অপরাধী খেলোয়াড়কে শনাক্ত করার জন্য প্রযোজ্য; অপরাধের ধরন পরিবর্তন বা নতুন করে মূল্যায়নের জন্য নয়।

যদিও আইএফএবির এই ব্যাখ্যা সামনে এসেছে, তবুও পিনেইরোর মতে, মাঠে অধিনায়কদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে আলোচনা করেই ম্যাচ পরিচালনা করা একজন রেফারির দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম