খুঁজুন
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বিরোধীদল হাসিনার ভাষায় কথা বলা শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিরোধীদল হাসিনার ভাষায় কথা বলা শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

বিরোধীদল আগের মতো ভূমিকা পালন করে শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিরোধীদল গণতন্ত্রের গলা টিপে ধরার চেষ্টা করছে এবং সব সংকটের সমাধান এখনই চাচ্ছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের একমাত্র গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটিকেও ধ্বংস করে গেছে। নানা সংকট মোকাবিলা করে দ্রুত গ্যাস সংকটের সমাধান করা হবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে চার হাজার ছাত্র, নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। গত ১৭ বছরে লাখ লাখ মামলা, গুম ও হাজার হাজার খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রায় চার বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। এসব ক্ষতি কাটিয়ে দেশকে ঘুরে দাঁড়াতে কিছুটা সময় লাগবে।

বিরোধীদলের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা এখন শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন এবং সরকারকে নানাভাবে টেনে ধরার চেষ্টা করছেন। সব সংকট তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল। গুম, খুন ও নির্যাতনের রেকর্ড করেছিল ওই সরকার। বর্তমানে দেশের মানুষ শান্তিতে নিশ্বাস নিতে পারছে।

উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী উত্তরাঞ্চলকে কৃষিভিত্তিক শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, দেশে জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে এমনটি হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে ও লিখতে পারছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধীদলের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা যে ভাষায় কথা বলছে, সেটি গণতন্ত্রের ভাষা নয়। সরকার উন্নয়নকাজ শুরু করেছে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরানোর আন্দোলনে দেশের বাইরে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও অংশ নিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে লাভ শেয়ার বিডির নিজস্ব অর্থায়নে ‘সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প’-এর উদ্বোধন করা হয়। পরে ২৫ জন সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তির মধ্যে ২৫টি ঘর হস্তান্তর করা হয়।

লাভ শেয়ার বিডির চেয়ারম্যান জাহিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শামসুজ্জামান সামু, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম এবং রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, সর্বনিম্ন মাদ্রাসায়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, সর্বনিম্ন মাদ্রাসায়

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। সবচেয়ে কম পাসের হার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে, ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট।

জাতীয়ভাবেও এবার পাসের হার কমেছে। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার তা কমে হয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন, এবার পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন। অনলাইনে ফল দেখতে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

এসএমএসে এসএসসির ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026। এ ছাড়া ১৬২২২ নম্বরেও এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার্থীদের Dakhil MAD 123456 2026 লিখে ১৬২২২ নম্বরে এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC 123456 2026 লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

এবার শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল শিট পেতে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লা বোর্ডে শতভাগ পাস ২৪ প্রতিষ্ঠানে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লা বোর্ডে শতভাগ পাস ২৪ প্রতিষ্ঠানে

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। ছয় জেলার ১ হাজার ৮২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮১৪ জন শিক্ষার্থী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবারের পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়নি।

বিষয়ভিত্তিক ফলাফলেও ইংরেজি ও গণিতে পাসের হার ৮০ শতাংশের বেশি। ইংরেজিতে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং গণিতে ৮১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

ফলাফলে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে পাসের সংখ্যায়ও বড় পার্থক্য দেখা গেছে। এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৪৩ হাজার ৭৮০ জন ছেলে শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে পাস করেছে ৬২ হাজার ৮০১ জন ছাত্রী।

গত বছরের তুলনায় এবার কুমিল্লা বোর্ডে মোট পাসের সংখ্যা কমেছে। ২০২৫ সালে এ বোর্ডে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮১ জন শিক্ষার্থী পাস করেছিল। ওই বছর পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ।

তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও পাসের সংখ্যায় পরিবর্তন থাকলেও পাসের হারের হিসাবে এবার কুমিল্লা বোর্ডের ফল কিছুটা ভালো হয়েছে। গত বছরের ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে এবার পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশে। অর্থাৎ পাসের হার বেড়েছে ১ দশমিক ৮২ শতাংশীয় পয়েন্ট।

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং বোর্ডের ফলাফলসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের জানান।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার ৯৮২ জন বেশি।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

গত বছরের তুলনায় এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা উভয়ই কমেছে। ২০২৫ সালে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। এবার পাসের হার কমে হয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশে। অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট।

ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন। অনলাইনে ফল দেখতে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।

এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার ফল জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026। এ ছাড়া ১৬২২২ নম্বরেও এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার্থীরা Dakhil MAD 123456 2026 লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানতে পারবেন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC 123456 2026 লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

এবার শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের শিট পেতে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম