খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

টানা দুই বছর শতভাগ ফেল, এসএসসিতে পাস করেনি কেউ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টানা দুই বছর শতভাগ ফেল, এসএসসিতে পাস করেনি কেউ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে টানা দুই বছর এসএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। চলতি বছর বিদ্যালয়টি থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাদের একজনও উত্তীর্ণ হয়নি। এর আগের বছরও ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছিল।

এমপিওভুক্ত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন চারজন। পরপর দুই বছর শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করায় বিদ্যালয়টির পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পড়াশোনার পরিবেশ ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। গত বছরও একই বিদ্যালয় থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছিল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ পারভিন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভালো ফল করানোর জন্য আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু নানা কারণে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হয়নি। এ বছর ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। দুঃখজনকভাবে তাদের কেউই পাস করতে পারেনি।’

শিক্ষার্থীদের পারিবারিক ও সামাজিক পরিস্থিতিকে ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতি ছিল। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে নয়জনই বিবাহিত। এমনকি এসএসসি পরীক্ষার মাত্র তিন দিন আগে তিনজন ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তারপরও তাদের ভালো ফলাফলের জন্য বিভিন্নভাবে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি।’

টানা দুই বছর ফল বিপর্যয়ের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘গত বছরও ১০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু সেবারও কেউ পাস করতে পারেনি। পরপর দুই বছর শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় আমরাও উদ্বিগ্ন। কীভাবে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি।’

বিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ প্রসঙ্গে শাহনাজ পারভিন বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় বিদ্যালয়ে নানা ধরনের রাজনৈতিক সমস্যারও সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। আমরা চাই সব ধরনের সমস্যা কাটিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও ভালো করতে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।’

এদিকে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার শেফালী মফিজ মহিলা মাদ্রাসার ফলাফলও হতাশাজনক। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাদের একজনও পাস করতে পারেনি।

সরিষাবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ‘চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক রয়েছেন। চলতি বছর বিদ্যালয়টি থেকে একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। গত বছরও কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। ফলে টানা দুই বছর শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (১২ আগস্ট) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সরকারি বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী এ উপলক্ষে এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে দেশে কোনো সরকারি সাধারণ ছুটি নেই; এটি ঐচ্ছিক ছুটির আওতাভুক্ত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বুধবার দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর অধিভুক্ত সব কলেজ বন্ধ থাকবে। একইভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও পৃথক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বুধবার ছুটি ঘোষণা করেছে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ইতোমধ্যে ছুটির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

‘আখেরি চাহার সোম্বা’ শব্দটি আরবি ও ফারসি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘আখেরি’ অর্থ শেষ, ‘চাহার’ অর্থ চার এবং ‘শোম্বা’ অর্থ বুধবার। অর্থাৎ, আখেরি চাহার সোম্বা বলতে সফর মাসের শেষ বুধবারকে বোঝানো হয়।

এই দিনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় নানা আয়োজন করা হয়। দোয়া, মিলাদ মাহফিল, ওয়াজ-নসিহত, জিকির-আজকার ও বিশেষ মোনাজাতসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে কেরানীগঞ্জের নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ মাঠে রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সরকারের কাঙ্ক্ষিত পাঁচ কোটি গাছ টিকিয়ে রাখতে হলে এর চেয়ে বেশি পরিমাণে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা প্রতিটি চারার নিবিড় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। একটি চারা রোপণের পর সেটিকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে। গাছ বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সুফল দীর্ঘমেয়াদে পাওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, চরম আবহাওয়া ও পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সারাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও সবাইকে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে এখন থেকেই বেশি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলোর সংরক্ষণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এ ধরনের কর্মসূচিতে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও প্রকৃতির সঙ্গেও এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে গাছের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি শামীম হাসান, নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল রাজ্জাক মিয়া, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউর নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে এসব গাছ ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাভারে জানালার গ্রিল কেটে ৮৪ লাখ টাকার মালামাল চুরি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাভারে জানালার গ্রিল কেটে ৮৪ লাখ টাকার মালামাল চুরি

ঢাকার সাভারে একটি বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে নগদ ২৮ লাখ টাকা ও ২২ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৮৪ লাখ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তৃতীয় লিঙ্গের শাপলা চৌধুরী (৪৫) সাভার মডেল থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পাশাপাশি জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে সাভারের ডগরমোড়া এলাকায় সাবাব হোসেন ভূঁইয়ার বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শাপলা চৌধুরী জানান, রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শয়নকক্ষের দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কাটা দেখতে পান। ঘরের ভেতরে আসবাবপত্রও এলোমেলো অবস্থায় ছিল। পরে কাঠের আলমারির লক ভাঙা দেখতে পান তিনি।

শাপলার দাবি, আলমারিতে রাখা নগদ ২৮ লাখ টাকা এবং আনুমানিক ৫৬ লাখ টাকা মূল্যের ২২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকার তার দীর্ঘদিনের সঞ্চয় বলে জানান তিনি।

শাপলা চৌধুরী বলেন, চুরি যাওয়া অর্থ ও স্বর্ণালংকারের সবগুলো তার ব্যক্তিগত নয়। সাভারে বসবাসরত তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ একটি জায়গা কিনে নিজেদের বসবাসের স্থান তৈরির উদ্দেশ্যে এসব টাকা ও স্বর্ণালংকার তার কাছে গচ্ছিত রেখেছিলেন। এগুলো উদ্ধার না হলে তিনি ও সংশ্লিষ্ট অন্যরা চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন বলে জানান।

এদিকে একই বাড়ির অপর তিন ভাড়াটিয়া সুমন, রুবেল ও ঝর্না বেগমের তিনটি মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এসব মোবাইলের আনুমানিক মূল্য ২৯ হাজার টাকা।

ঘটনার পর ৩ আগস্ট শাপলা চৌধুরী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। মামলাটি সাভার মডেল থানার মামলা নম্বর ২১।

চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম। তিনি বাড়ির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং চুরির আলামত পর্যালোচনা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে চুরি যাওয়া টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ওসি সাইফুল আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর একই দিনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্তে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম