খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ভুয়া কনের ফাঁদে নিঃসঙ্গ চীনা পুরুষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভুয়া কনের ফাঁদে নিঃসঙ্গ চীনা পুরুষ

চীনে বিয়ের জন্য জীবনসঙ্গী খুঁজছেন—এমন নিঃসঙ্গ পুরুষদের টার্গেট করে ভুয়া কনের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। দ্রুত বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিছু ম্যাচমেকিং এজেন্সি পুরুষদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ। বিবিসির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমনই চিত্র।

৩৭ বছর বয়সী ওয়াং ঝুয়াংও এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। দীর্ঘদিন জীবনসঙ্গী খুঁজে না পেয়ে গুইঝৌ প্রদেশের একটি ম্যাচমেকিং বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হন তিনি। ওই বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়েছিল, গুইঝৌর নারীরা সংসারী, মিতব্যয়ী এবং পরিবারকে ভালোভাবে দেখাশোনা করেন।

বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে গুইঝৌর রাজধানী গুইইয়াংয়ে যান ওয়াং। সেখানে এক নারীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। কয়েকবার দেখা করার পরই দুজন বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর স্ত্রী সম্পর্কে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারেন ওয়াং।

ওয়াংয়ের দাবি, তাঁর স্ত্রী নিজের বয়সসহ জীবনের বিভিন্ন তথ্য গোপন করেছিলেন। এমনকি ওই নারী এর আগে তিনবার বিয়ে করেছিলেন, তাঁর তিন সন্তান রয়েছে, গুরুতর যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং বড় অঙ্কের ঋণের বোঝায় ছিলেন বলেও জানতে পারেন তিনি।

ওয়াং বলেন, এ ঘটনায় তাঁর পুরো পরিবার বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে গেছে। বর্তমানে তিনি বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আইনি লড়াই করছেন। তাঁর অভিযোগ, ম্যাচমেকিং এজেন্সিকে নিজের সঞ্চয়ের একটি বড় অংশ দিতে হয়েছিল। প্রতারণার পর থেকে তিনি অনিদ্রা ও উদ্বেগে ভুগছেন এবং কাজে মনোযোগ দিতে পারছেন না।

কেন বাড়ছে এ ধরনের প্রতারণা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের দীর্ঘদিনের লিঙ্গ বৈষম্য ও জনসংখ্যাগত সংকট এ ধরনের প্রতারণার সুযোগ তৈরি করছে। কয়েক দশকের এক-সন্তান নীতি এবং ছেলে সন্তানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতার কারণে দেশটিতে বর্তমানে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

চীনে নারীর তুলনায় প্রায় ৩ কোটি বেশি পুরুষ রয়েছে। বিশেষ করে ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকায় ৩০-এর কোঠায় থাকা অনেক পুরুষের জন্য জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।

এর সঙ্গে রয়েছে দেশটির প্রচলিত ‘ব্রাইড প্রাইস’ বা বিয়ের আগে কনের পরিবারকে অর্থ দেওয়ার রীতি। পুরুষের সংখ্যা বেশি এমন অঞ্চলে এই অর্থের পরিমাণ অনেক পরিবারের জন্য বড় আর্থিক চাপ তৈরি করেছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে কিছু ম্যাচমেকিং এজেন্সি। দ্রুত বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিঃসঙ্গ পুরুষদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্ককে সময় না দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বিয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাকে অনেকে ‘ফ্ল্যাশ ম্যারেজ’ বলে অভিহিত করছেন।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমেও সম্প্রতি দেশটির ম্যাচমেকিং শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের পাশাপাশি অবৈধ কর্মকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

জীবনসঙ্গী খোঁজার সংকট, পুরুষের আধিক্য এবং বিয়েকে ঘিরে বাড়তি আর্থিক চাপ—সব মিলিয়ে কিছু অসাধু চক্রের জন্য প্রতারণার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিঃসঙ্গ পুরুষদের ফাঁদে ফেলার অভিযোগ সেই সংকটেরই একটি ভয়াবহ দিক তুলে ধরছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।