খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

৭৮ কোটি টাকায় বিক্রি হচ্ছে ব্যক্তিগত দ্বীপ, সঙ্গে নেপোলিয়ন আমলের দুর্গ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৭৮ কোটি টাকায় বিক্রি হচ্ছে ব্যক্তিগত দ্বীপ, সঙ্গে নেপোলিয়ন আমলের দুর্গ

 যোগফল প্রতিবেদক:

ইতালির ভেনিসের কাছে বিক্রি হচ্ছে একটি পুরো ব্যক্তিগত দ্বীপ। ৫৫ লাখ ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৮ কোটি ৫০ লাখ টাকায় বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ‘ক্রেভান’ নামের দ্বীপটি। দ্বীপটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নেপোলিয়ন আমলে নির্মিত একটি পুরোনো দুর্গ, যা পরবর্তী সময়ে সংস্কার করে আবাসিক ভবনে রূপ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোনিউজের এক প্রতিবেদনে দ্বীপটি বিক্রির তথ্য জানানো হয়েছে।

ভেনিসের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার দূরে ভেনিস লেগুনে অবস্থিত ক্রেভান দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৫ হাজার ৭০০ বর্গমিটার। সবুজ গাছপালায় ঘেরা দ্বীপটি থেকে আশপাশের ভেনিসীয় দ্বীপগুলোর বিস্তৃত দৃশ্য দেখা যায়।

দ্বীপটিতে রয়েছে চারটি শোবার ঘর ও তিনটি বাথরুমের একটি আবাসিক ভবন। ভবনটি মূলত নেপোলিয়ন আমলের পুরোনো দুর্গের কাঠামো ধরে সংস্কার করা হয়েছে। এর আয়তন প্রায় ২১৫ বর্গমিটার।

দ্বীপটিতে নৌকা ভেড়ানোর জন্য দুটি জায়গার পাশাপাশি একটি ডক বা নৌঘাট রয়েছে। ক্রেভানে যেতে হলে নৌপথ অথবা হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে হয়।

দ্বীপটি বিক্রির দায়িত্বে থাকা লিওনার্ড লাক্সারি রিয়েল এস্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী দিমিত্রি কর্টি বলেন, ভেনিসের খুব কাছে থেকেও ক্রেভানে প্রায় সম্পূর্ণ নিরিবিলি ও ব্যক্তিগত পরিবেশ উপভোগের সুযোগ রয়েছে। প্রকৃতি, ব্যক্তিগত পরিসর ও ইতিহাসের সমন্বয়ে দ্বীপটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য তৈরি করেছে।

ক্রেভান থেকে বুরানো ও তোরচেল্লো দ্বীপের দৃশ্যও দেখা যায়। কাছের বুরানো রঙিন বাড়িঘরের জন্য পরিচিত। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী লেস ও কাচের কাজের জন্যও দ্বীপটির খ্যাতি রয়েছে।

অন্যদিকে তুলনামূলক নিরিবিলি তোরচেল্লো দ্বীপে বর্তমানে প্রায় এক ডজন মানুষ বসবাস করেন। স্থানীয় ইতিহাস ও নানা কিংবদন্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা দ্বীপটিতে ‘আত্তিলার সিংহাসন’ নামে পরিচিত একটি মার্বেল আসনও রয়েছে।

ক্রেভানের আবাসিক ভবনটি পুরোনো দুর্গের কাঠামো ধরে তৈরি হওয়ায় এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ভেনিস লেগুনের ইতিহাসও। বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন মালিক শুধু একটি ব্যক্তিগত দ্বীপ ও বাড়ির মালিকই হবেন না, বরং ভেনিসের ইতিহাসের একটি অংশেরও মালিকানা পাবেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পুকুরে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুকুরে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক বৃদ্ধ এবং তাঁর নাতি-নাতনি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাকচর এলাকায় ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—আবু সিদ্দিক (৭০), তাঁর নাতি পিয়াস (৮) ও নাতনি পপি আক্তার (৬)। স্থানীয়দের ধারণা, দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে ওই দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আবু সিদ্দিক তাঁর দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে যান। একপর্যায়ে তিনি পানিতে ডুব দেন। দীর্ঘ সময় পরও তিনি পানি থেকে উঠে না আসায় পিয়াস ও পপি তাঁকে খুঁজতে পানিতে নামে। পরে তারাও পানিতে ডুবে যায়।

ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর স্থানীয়রা পুকুর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, পানিতে নামার পর আবু সিদ্দিক স্ট্রোক করে অচেতন হয়ে যেতে পারেন। এ কারণে তিনি আর পানির ওপরে উঠতে পারেননি। পরে তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে দুই শিশুও পানিতে ডুবে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত আবু সিদ্দিক পাটোয়ারী শাকচর ইউনিয়নের ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির আব্দুল মান্নান পাটোয়ারীর ছেলে। পিয়াস তাঁর ছেলে আব্দুল আজিজের সন্তান এবং পপি তাঁর মেয়ে সুমি আক্তারের সন্তান।

শাকচর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুচিয়ামোড়ায় ১৫ হাজার বাসক চারা রোপণ করল ব্র্যাক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুচিয়ামোড়ায় ১৫ হাজার বাসক চারা রোপণ করল ব্র্যাক

 যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে ১৫ হাজার বাসক চারা বিতরণ ও রোপণ করেছে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি+) পাবনা-২ অঞ্চল।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় আতাইকুলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুচিয়ামোড়া সারদিয়ার গোরস্থান রোডে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় পুষ্পপাড়া অঞ্চলের কুচিয়ামোড়া শাখা কার্যালয়ের সামনে সদস্যদের মধ্যে বাসক চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি পাকা সড়কের দুই পাশে এসব চারা রোপণ করা হয়।

ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স পাবনা-২ অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে আলোচনা সভা, চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুধীর কুমার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর। তিনি বলেন, বাসক একটি উপকারী ও ঔষধিগুণসম্পন্ন গাছ। সাধারণত পশু এ গাছ খায় না। তাই জমির চারপাশে বাসক রোপণ করলে এটি প্রাকৃতিক বেড়া হিসেবেও কাজ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ব্র্যাকের এ উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও তৈরি করবে।

এলাকা ব্যবস্থাপক সাজ্জাত হোসেনের সঞ্চালনায় চারা রোপণের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আতাইকুলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মোল্লা, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রুহুল আমিন এবং আতাইকুলা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক আব্দুল মজিদ, সদর থানা তাঁতি দলের সভাপতি হারুন অর রশিদ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় বাসিন্দা মো. ওহিদুল্লাহ, পিএম জসিম উদ্দিন, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, শাখা ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র শাখা ব্যবস্থাপক সুমন হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজার হাসানুজ্জামান (বিডিইউ), শাখা হিসাব কর্মকর্তা দীপঙ্কর দেবনাথসহ এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ঔষধি গাছের ব্যবহার ও চাষে স্থানীয়দের উৎসাহিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইলিশের দামে আগুন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশের দামে আগুন

 যোগফল প্রতিবেদক:

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ইলিশের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের অনেকেই ইলিশ কিনতে গিয়ে পড়ছেন বিপাকে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছের দোকানগুলোতে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও দাম তুলনামূলক বেশি। বড় আকারের ইলিশের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে অনেকে মাছ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বিকল্প মাছ কিনছেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আকার ও ওজনভেদে ইলিশের দামে বেশ পার্থক্য রয়েছে। তিনটি ইলিশে এক কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে। দুটি ইলিশে এক কেজি ওজনের মাছের দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৪০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।

চড়া দামের কারণে ইলিশ এখন অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কয়েক হাজার টাকা দিয়ে একটি মাছ কেনার পরিবর্তে ওই অর্থে পরিবারের প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল ও সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য কিনছেন অনেক ক্রেতা।

বাকেরগঞ্জ বন্দর বাজারে মাছ কিনতে আসা লোকমান হোসেন বলেন, ইলিশের দাম শুনলে এখন মনে হয়, মাছ না কিনে ওই টাকা দিয়ে সংসারের অন্য বাজার করাই ভালো। এক কেজি ইলিশের দাম যদি ৩ হাজার টাকা হয়, তাহলে মাসের বাজার সামলানো কঠিন।

বাকেরগঞ্জ পৌর মার্কেটের ক্রেতা মাসুদুর রহমান বলেন, ইলিশ কিনে খাওয়া এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অনেকটা বিলাসিতার মতো হয়ে গেছে। পরিবারের অন্যান্য খরচ সামলে এত টাকা দিয়ে ইলিশ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বাসিন্দা দিনমজুর কালাম গাজী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইলিশ খাওয়া হয়নি। তাঁর সন্তানরা ইলিশ খাওয়ার আবদার করায় বাজারে এসেছিলেন। কিন্তু ৬০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশের দাম দেড় হাজার টাকা চাওয়ায় তিনি আর কিনতে পারেননি। তাঁর ভাষ্য, এই টাকা তাঁর দুই দিনের আয়ের সমান।

পৌর মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী জাফর গাজী বলেন, আড়তদারদের কাছ থেকে বেশি দামে ইলিশ কিনতে হচ্ছে। ফলে বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া তাদেরও উপায় থাকছে না। আড়ত থেকে কম দামে মাছ পাওয়া গেলে তারাও কম দামে বিক্রি করতে পারবেন।

বাকেরগঞ্জ পৌর মার্কেটের উন্নয়ন কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মিলটন চন্দ্র পাল বলেন, মানুষের চাহিদার তুলনায় ইলিশের সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। ঘাটতির কারণে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম বেশি রয়েছে।

ফলে একসময় সাধারণ মানুষের পাতে নিয়মিত দেখা মিললেও চড়া দামের কারণে জাতীয় মাছ ইলিশ এখন অনেক পরিবারের কাছেই হয়ে উঠেছে দুর্লভ খাবার।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম