খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

আসন্ন ইউপি নির্বাচন: যশোরের ৮ উপজেলায় ৫৪ ভোটকেন্দ্রে রদবদল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আসন্ন ইউপি নির্বাচন: যশোরের ৮ উপজেলায় ৫৪ ভোটকেন্দ্রে রদবদল

ছবি যোগফল



মেহেদী হাসান রিপন, স্টাফ রিপোর্টার:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে যশোরের আট উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকায় ব্যাপক রদবদল এনেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়। নাম ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় সংশোধন, ঝুঁকিপূর্ণ বা জরাজীর্ণ ভবন পরিবর্তন, নতুন কেন্দ্র নির্ধারণ, দুটি কেন্দ্র বিলুপ্তি এবং ওয়ার্ড পুনর্গঠনের সূত্রে ভোটার এলাকা পুনর্বিন্যাসসহ সব মিলিয়ে মোট ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই জেলার ৮১৯টি খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি দাখিলের সময় দেওয়া হয়েছিল। প্রাপ্ত সাতটি আবেদনের নিষ্পত্তি শেষে এই চূড়ান্ত সম্ভাব্য তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। 'ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫' অনুসরণ করে অবকাঠামো, কক্ষ সংখ্যা, যোগাযোগ সুবিধা, খেলার মাঠের উপস্থিতি ও ওয়ার্ডের ভৌগোলিক সীমানাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ শরিফুল ইসলাম।

উপজেলাভিত্তিক পরিবর্তনের চিত্র:
 
* শার্শা (১৯টি): জেলায় সর্বাধিক রদবদল হয়েছে শার্শায়। উপজেলার ১১৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টির নাম সংশোধন করা হয়েছে। যেমন—রহিমপুর আলিম মাদ্রাসা পরিবর্তন হয়ে রহিমপুর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা, লক্ষণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হয়েছে লক্ষণপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বড় মান্দারতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়েছে বিএম শ্রীকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঘিবা দাখিল মাদ্রাসা হয়েছে ঘিবা দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা। পাশাপাশি বেনাপোল পৌরসভার সীমানা পরিবর্তন ও অবকাঠামো বিলুপ্তির কারণে ধান্যখোলা, উত্তর কাগজপুকুর ও আমড়াখালীর কেন্দ্রগুলোতে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করা হয়েছে।
 
* ঝিকরাগাছা (১০টি): আটটি বিদ্যমান কেন্দ্র পরিবর্তনের পাশাপাশি দুটি স্থানে ভোটার এলাকা পুনর্গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের গত ১১ জুনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্বাসখোলা ইউনিয়নে ওয়ার্ড পুনর্গঠন করে মির্জাপুর-খরুষা এবং রাজারডুমুরিয়া-বেড়ারুপানি এলাকা যুক্ত করার প্রভাবে এই পরিবর্তন আসে।

* মনিরামপুর (৮টি): ভৌগোলিক সীমানা ও স্থানীয় যাতায়াত সুবিধা বিচারে ৮টি কেন্দ্র সরানো হয়েছে। ফলে ভোজগাতী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জায়গায় টুনিয়াঘরা মহিলা আলিম মাদ্রাসা, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলে শ্রীপুর আদর্শ মহিলা আলিম মাদ্রাসা, বাকোশপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় বাকোশপোল বাগে জান্নাত মহিলা কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং জালঝাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্থলে জালঝাড়া নুরানী হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

* বাঘারপাড়া (৫টি): ভোটার বৃদ্ধি ও যাতায়াত সুবিধার কথা চিন্তা করে বন্দবিলা ইউনিয়নের খাজুরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং রায়পুর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে বিদ্যমান কেন্দ্রের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া নারিকেলবাড়িয়াতেও কেন্দ্র বদল হয়েছে।

* যশোর সদর (৩টি): ফতেপুর ইউনিয়নে অবকাঠামোগতভাবে দুর্বল একটি কেন্দ্র সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। অন্য দুটি পরিবর্তনের মধ্যে লেবুতলা ইউনিয়নে আনসার ভিডিপি ক্লাবের বদলে একই স্থানে থাকা লেবুতলা দক্ষিণপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

* অভয়নগর (৩টি): বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলে বাহিরঘাট মেছেরিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং চেঙ্গুটিয়ার পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বদলে আরাজি বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করা হয়েছে। এছাড়া ধোপাদী পশ্চিমে অস্তিত্বহীন ব্র্যাক স্কুলের জায়গায় সঠিক নাম সংশোধন করা হয়।

* কেশবপুর (৩টি): পর্যাপ্ত কক্ষ, বড় মাঠ ও প্রধান সড়কের পাশে অবস্থান হওয়ায় আড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে আড়ুয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে কেন্দ্র নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া শংকরপুর ও হরিদ্রাপোতা ইউনিয়নে কেন্দ্রসংক্রান্ত সংশোধন আনা হয়েছে।

* চৌগাছা (৩টি): উপজেলার সিংহঝুলী, মাড়ুয়া ও হাকিমপুর ইউনিয়নে একটি করে মোট তিনটি পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আবেদন নাকচ:

উলাশী ইউনিয়নের যদুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটি সরিয়ে বড়বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার জন্য স্থানীয় ওসমান গনি গত ১৭ আগস্ট একটি আবেদন করেন। তবে ২০ আগস্ট সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বর্তমান যদুনাথপুর কেন্দ্রটি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত, অন্যদিকে প্রস্তাবিত বড়বাড়িয়া কেন্দ্রটি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অংশ।ভৌগোলিক সীমানা জটিলতার কারণে নির্বাচন অফিস আবেদনটি নাকচ করে যদুনাথপুর কেন্দ্রটিই বহাল রাখে।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন


সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের অপেক্ষা শেষ হতে যাচ্ছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টার দিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রজ্ঞাপনটি আপলোড হতে পারে।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের পর এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানানো হলেও প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে যায়। পরে খসড়ার বিভিন্ন অংশ আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। ভেটিং শেষ হওয়ার পর এখন গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় বা বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজও এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। সব প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে শনিবারই নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হতে পারে।

নতুন জাতীয় বেতন স্কেলে আগের মতো ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে মূল বেতন একসঙ্গে নয়, তিন ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত রয়েছে। অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মূল গেজেটের পাশাপাশি বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, বিজিবি, সশস্ত্র বাহিনী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক বাস্তবায়ন আদেশ বা এসআরও জারি করা হবে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সুবিধা পাবেন। এতে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়।

তাহিরপুরে তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বিষপান, তিন শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুরে তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বিষপান, তিন শিশুর মৃত্যু

ছবিতে নিহত তিন শিশু

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে তিন সন্তানকে নিয়ে কীটনাশক পান করেছেন এক বাবা। এতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই বাবাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হলো- রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে প্রবাসে যান। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তার তিন সন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমাতে যান। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তিন সন্তানসহ কীটনাশক পান করেন বলে জানা গেছে।

বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান এবং দাবি না রাখতেবলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে খবর দেন। পরে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত সরফত আলীর বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন।

পরে তাদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অনলাইন ডেস্ক

গোপনে দেশ ছেড়েছেন কি নায়ক রিয়াজ ?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপনে দেশ ছেড়েছেন কি নায়ক রিয়াজ ?

ছবি সংগৃহীত

যোগফল বিনোদন:

দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় ও জনসম্মুখ থেকে অনেকটা আড়ালে রয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রিয়াজ। এর মধ্যেই নতুন করে তার দেশত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে গোপনে দেশ ছেড়েছেন এই অভিনেতা। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলচ্চিত্রপাড়ায় গুঞ্জন রয়েছে—১৬ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন রিয়াজ। তবে বিমানবন্দরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের নজরে আসেনি। তিনি স্থলবন্দর দিয়েও দেশ ছাড়তে পারেন বলে মন্তব্য করেছে সূত্রটি।

এর আগে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট রাতেও যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন রিয়াজ। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল তার।

এদিকে চলতি মাসের ৩ সেপ্টেম্বর আবারও আলোচনায় আসেন রিয়াজ। সেদিন খবর প্রকাশ হয়, জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট দুটি হত্যা মামলায় আগাম জামিন চেয়েছেন তিনি। হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন এই অভিনেতা। তবে শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেননি।

দীর্ঘদিন আড়ালে থাকায় রিয়াজকে ঘিরে এর আগেও নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবরও ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে তার স্ত্রী বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে জানান এবং রিয়াজ ভালো আছেন বলে নিশ্চিত করেন। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ফলে নতুন করে তার দেশত্যাগের খবর সামনে এলেও বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। রিয়াজ বর্তমানে দেশে নাকি বিদেশে রয়েছেন, তা নিয়ে আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।

উল্লেখ্য, একসময় বিমানবাহিনীতে প্রশিক্ষিত পাইলট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন রিয়াজ। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি।

‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘হৃদয়ের আয়না’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’ ও ‘মোল্লাবাড়ির বউ’সহ বহু সিনেমায় অভিনয় করেছেন রিয়াজ। পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদের বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘অপারেশন সুন্দরবন’, যা ২০২২ সালে মুক্তি পায়।

অনলাইন ডেস্ক