খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে এক কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে এক কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  :

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার উনিশিয়া গ্রামে বাড়ির পেছনের একটি গাছ থেকে ওই কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে বাড়ির পিছনের কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় শরিফাকে দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।

শরিফা ইসলাম উনিশিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে ও কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।

শরিফা ইসলাম মেধাবী ছাত্রী ছিল বলে জানিয়েছেন তার বোন মাহমুদা খানম। তিনি বলেন,

চলতি মাসের ২৮ তারিখ শরিফার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরীক্ষায় তার প্রস্তুতি ভালো না থাকায় সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

এদিকে আত্মহত্যার পর শরিফার পড়ার টেবিলে মা-বাবার উদ্দেশ্যে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

চিরকুটে মা-বাবার উদ্দেশ্যে শরিফা ইসলাম লিখেছেন, ‘২৮ তারিখ আমার পরীক্ষা, আজ ১৮ তারিখ চলছে, এখন পর্যন্ত সিলেবাস কমপ্লিট করতে পারি নাই। পরীক্ষা দিলে আমার রেজাল্ট ভালো হবে না। আর রেজাল্ট ভালো না হলে তোমরা ও স্যার-ম্যামদের সামনে কীভাবে গিয়ে দাঁড়াবো।তাই আমি তোমাদের কষ্ট দিয়ে চলে গেলাম, আমাকে মাফ করে দিও।’

শরিফা ইসলামের আত্মহত্যার বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ওসি রিয়াদ মাহমুদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি ইউডি মামলা (অপমৃত্যু মামলা) হয়েছে। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক

গিধুরিয়ায় কালভার্টের মুখে দেয়াল, পানি নিষ্কাশন বন্ধের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গিধুরিয়ায় কালভার্টের মুখে দেয়াল, পানি নিষ্কাশন বন্ধের অভিযোগ

ছবিতে বন্ধ কালভার্ট

 মো. সজিব । শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গিধুরিয়া গ্রামে পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত কালভার্টের মুখে দেয়াল নির্মাণ ও কংক্রিট ঢালাই করে পানি চলাচল বন্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে বর্ষা মৌসুমে দুই পাশের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৩৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত কালভার্টটি সরকারি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত। এর পশ্চিম পাশে প্রায় ১৫০ বিঘা এবং পূর্ব পাশে প্রায় ১ হাজার বিঘা কৃষিজমি রয়েছে। কালভার্টটি মূলত দুই পাশের পানি স্বাভাবিকভাবে চলাচল ও নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহার হয়ে আসছিল।

তবে বর্তমানে পূর্ব পাশে দেয়াল নির্মাণ এবং কালভার্টের অংশে কংক্রিট ঢালাই করে পানি চলাচল বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে বর্ষা মৌসুমে দুই পাশের পানি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে না পারলে আশপাশের কৃষিজমি ও বসতবাড়িতে পানি জমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, জমিটি ব্যক্তিমালিকানাধীন হলেও যদি কালভার্টটি পানি নিষ্কাশনের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়ে থাকে, তাহলে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে কৃষকদের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা কীভাবে হবে?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালভার্ট নির্মাণের কাজটি স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদের ঠিকাদারি/কাজের সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোরশেদের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, কালভার্টের বাউন্ডারি দেওয়ার পর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হচ্ছে কেন? পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজন থাকলে নির্মাণকাজের সময়ই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া যেত বলে দাবি তাদের।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, জমিটি কসমো গ্রুপের মালিক জহির কিনেছেন। জমি কেনার পর সেখানে স্থাপনা বা সীমানা নির্মাণের ক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের পথ যাতে বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে দুই পাশের পানি চলাচলের পথ বন্ধ থাকলে কৃষিজমির পাশাপাশি আশপাশের বাড়িঘরেও পানি উঠে যেতে পারে। এতে কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক দুর্ভোগের সৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়নের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় কোনো ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করে কালভার্টের পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখা এবং স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর


যোগফল প্রতিবেদন:

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সহযোগিতা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব বেবী রাণী কর্মকার এবং আইসিসিসিএডি'র রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভাইজার ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো:  দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।  সচিব বলেন, সমঝোতা স্মারকটি যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। এর আওতায় গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কার্যকর অবদান রাখতে হবে। মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর-অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার সর্বোচ্চ সুবিধা নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

সচিব বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমঝোতা স্মারকটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ অধিদপ্তর ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা করবে আইসিসিসিএডি। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য প্রকল্প প্রণয়ন ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের নীতি, কর্মসূচি ও কার্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে কারিগরি সহায়তা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ফোরাম ও পলিসি ডায়ালগে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব জোরদারে সহযোগিতা করা হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জাতিসংঘের সম্মেলন (কপ)-এ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেবে আইসিসিসিএডি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের মো: মীর হোসেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নীলুফা আক্তার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো: লতিফুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও মূল্যায়নকোষের চীফ ড: মো: হাবিবুর রহমান, আইসিসিসিডি'র ব্যবস্হাপনা পরিচালক সাকিব হক প্রমুখ। 

অনলাইন নিউজ

কেশবপুরে প্রেসক্লাব দখল ও সাংবাদিকদের ওপর হামলায় আহত ৩, বিতর্কিত কমিটি গঠন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কেশবপুরে প্রেসক্লাব দখল ও সাংবাদিকদের ওপর হামলায় আহত ৩, বিতর্কিত কমিটি গঠন

ছবিতে আহতরা

মেহেদী হাসান রিপন । যোগফল প্রতিবেদন: 

যশোরের কেশবপুর প্রেসক্লাবে নির্বাচনকালীন প্রস্তুতি ভেস্তে দিতে হামলা, ভাঙচুর ও সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। রোববার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তিন সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনাস্থল সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের দ্বিবার্ষিক সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রেসক্লাবে দাপ্তরিক কাজ চলছিল। এ সময় সাবেক সভাপতি ডাবলুর নেতৃত্বে বহু বহিরাগত ভবনে ঢুকে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে দৈনিক লোকসমাজ-এর প্রতিনিধি জয়দেব চক্রবর্তী, দৈনিক কল্যাণ-এর প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ এবং দৈনিক সময়ের খবর-এর প্রতিনিধি জাহিদ হাসানসহ বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্লাব অবরুদ্ধ করে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর হামলাকারীরা নিজেদের পছন্দের ৫১ সদস্যের একটি বিতর্কিত আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে। নতুন এই কমিটিতে মাহাবুর রহমানকে আহ্বায়ক, হারুন-অর রশিদকে সদস্য সচিব এবং ওয়াজেদ আলী খান ডাবলুকে সদস্য করা হয়েছে। ক্লাবের সাবেক সভাপতি আশরাফউজ জামান অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে 'মব' তৈরি করে পেশাদার সাংবাদিকদের আটকে রেখে ক্লাব দখলের মহড়া দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু হামলা চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, "অবৈধভাবে দখল হয়ে থাকা প্রেসক্লাব উদ্ধার করা হয়েছে মাত্র।" তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের হামলায় মাহাবুর রহমান সবুজ ও সাদেক হোসেন নামে তাঁদের দুই সদস্য আহত হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সমস্যা সমাধানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কেশবপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, সাংবাদিকদের দুই গ্রুপের উত্তেজনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং উভয় পক্ষকে নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক