খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাজিরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মিছিল, গ্রেপ্তার ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাজিরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মিছিল, গ্রেপ্তার ১

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শরীয়তপুরের জাজিরায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে বিক্ষোভ মিছিল করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আল-আমিন ঢালী নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের মাদ্রাসা গেট এলাকায় ঢাকা-শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মিছিল হয়। এরই মধ্যে মিছিলের ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে জাজিরা বিকেনগর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন মাদবরকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, মিছিলে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতেও শোনা যায়।

মিছিলের ব্যানারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেনের ছবি দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলেও জাজিরার বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে মিছিল করতে দেখা গেছে। এসব কর্মসূচির ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত এক সপ্তাহে জাজিরা উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, বিকেনগর এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল চলাকালে আল-আমিন ঢালী নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম 

মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা: আপস, মাকছুদার জামিন; নজরুলের আবেদন নামঞ্জুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা: আপস, মাকছুদার জামিন; নজরুলের আবেদন নামঞ্জুর

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় আপস করেছেন নিহত মরিয়ম খাতুনের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। আপসনামায় তিনি জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক সন্দেহের বশে জামাই জি এম নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। তবে আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখতে এখন তিনি আপস করেছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির হয়ে আসামিপক্ষের সঙ্গে আপসনামায় স্বাক্ষর করেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করে নারী বিবেচনায় মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপসনামায় এস এম মাসুম বিল্লাহ ও মো. আব্দুল হামিদ মোড়লকে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হওয়ার পর তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের সঙ্গেও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে তারা সংসারজীবন পরিচালনা করছিলেন।

আপসনামায় মাসুম বিল্লাহ বলেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে ঢাকার নিজ বাসভবনে তার মেয়ে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। জামাই জি এম নজরুল ইসলামের ফোন পেয়ে তিনি বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে ওই বাসায় গিয়ে মেয়ের আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারেন।

এরপর জামাইয়ের বাসায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটায় তাৎক্ষণিক সন্দেহের বশে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে শেরেবাংলানগর থানায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করেন বলে আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে দুই পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়। আপসনামায় বলা হয়েছে, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে বাদী বা তার পরিবারের কারও কোনো আপত্তি নেই। একই সঙ্গে উভয়পক্ষ ভবিষ্যতে হৃদ্যতাপূর্ণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিচারাধীন মামলায় উভয়পক্ষ নির্লিপ্ত থেকে বিচারিক কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আপসনামাটি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত করা হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, বাদী আপস করে স্বাক্ষর করেছেন। কারাগারে থাকা গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। শুনানিতে বাদী উপস্থিত থেকে দুই আসামির জামিনে তার আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। আদালত মাকছুদার জামিন দিলেও গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। এ বিষয়ে তারা আবার জামিন চাইবেন অথবা উচ্চ আদালতে যাবেন।

তবে মামলাটি আইন অনুযায়ী আপসযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি বলেন, দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা আপসযোগ্য নয়। বাদী আপস করলেই মামলা শেষ হয়ে যাবে না। তারা আসামিদের জামিনের বিরোধিতা করেছেন। নারী বিবেচনায় মাকছুদার জামিন দেওয়া হলেও গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর হয়েছে।

পিপি আরও বলেন, বাদীকে চাপ প্রয়োগ করে আপস করানো হয়েছে কি না, তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন।

এর আগে গত সোমবার দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওইদিন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে শয়নকক্ষে থাকতেন। আর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় মাঝে মাঝে রাত কাটাতে হতো।

পুলিশ আদালতকে আরও জানিয়েছিল, তদন্তে মরিয়ম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে এমপি জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে সিআইডির সহায়তায় দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার কক্ষে কয়েকটি চিরকুটও পাওয়া যায়।

ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই রাতেই নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মাকছুদাও এক দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে ছিলেন।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

গোপালগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহ শতভাগ অর্জিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহ শতভাগ অর্জিত

গোপালগঞ্জ জেলা খাদ্য গুদাম

সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

বোরো-২০২৬ সংগ্রহ মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানে মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জিত হয়েছে। ধান সংগ্রহ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। কিছু চালকল মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মিলের অনুকূলে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ এসেছে। সেসব মিলের চাল সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

গোপালগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিক পাল অন্তু এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বোরো মৌসুমে সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় জেলার ৬টি খাদ্য গুদামে ১৪ হাজার ৫৮৩ মেট্রিক টন ধান, ১৪ হাজার ৭৬ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ২৪২ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। এর মধ্যে ধানের সংগ্রহ মূল্য কেজি প্রতি ৩৬ টাকা ও চালের দর ধরা হয় ৪৯ টাকা। আমরা মে মাস থেকে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করি।

নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ধান সংগ্রহ শেষ হয়েছে। আতপ ও সিদ্ধ মিলিয়ে ১৪ হাজার ৩১৮ মেট্রিক টন চাল কেনা হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু চালকল মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ পেয়েছেন। এখন সেসব চাল সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, জেলার ৬টি খাদ্য গুদামের ৩০% বর্ধিত হিসাবে ধারণ ক্ষমতা ১৪ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন। ধান চাল মিলিয়ে ইতোমধ্যে মোট সংগ্রহ করা হয়েছে ২৮ হাজার ৯০১ মেট্রিক টন। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩১১ মেট্রিক টন। খাদ্য অধিদপ্তর দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই অতিরিক্ত সংগ্রহ করা খাদ্যশস্য যে সমস্ত সরকারি গুদামে ধারণ ক্ষমতা অধিক রয়েছে, সেখানে পাঠানো হয়েছে।

ধান-চাল সংগ্রহ করার মাধ্যমে নিরাপদ মজুদ নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ জেলা হতে খাদ্যশস্য ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ সাইলো, মংলা সাইলোসহ বিভিন্ন সরকারি গুদামে পাঠানো হয়েছে।
ধান সংগ্রহ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে জানিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলেন, আমরা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয় করেছি। ৩৬ টাকা কেজি দরে একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৩ টন ধান আমাদের কাছে বিক্রি করেছে। ধান ক্রয়ের টাকা আমরা সরাসরি কৃষকের ব্যাংক একাউন্টে দিয়েছি। ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে আমরা কোন সিন্ডিকেটকেই সক্রিয় হতে দেইনি। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫ হাজার কৃষক সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ি কার্যালয় থেকে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলায় ৮২ হাজার ৫৮৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আবাদ হয় ৮২ হাজার ৫৯৩ হেক্টরে। ১১ হেক্টরে আবাদ বৃদ্ধি পায়। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯২৭ মেট্রিক টন। আবাদ বৃদ্ধি ও বোরোর বাম্পার ফলনে এ জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে উৎপাদিত হয় ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৭০৩ মেট্রিক টন ধান। টার্গেটের চেয়েও উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ১০ হাজার ৭৭৬ মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু বলেন, আমাদের জেলায় ২ লাখ ৯৩ হাজার কৃষি খানা পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে কত পরিবার বোরো ধান আবাদ করে, এমন নির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমাদের দপ্তরে নেই। তবে অনুমান করে বলা যেতে পারে প্রতি হেক্টরে ৫ জন কৃষক বোরো আবাদ করেন। সে হিসাবে এ জেলায় প্রায় ১৭ হাজার কৃষক এ ধান আবাদের সাথে জড়িত রয়েছেন। উৎপাদনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে প্রায় ৫ হাজার কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে। এটি বাড়াতে হবে। তাহলে ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। বাজার মূল্য অপেক্ষা সরকার নির্ধারিত সংগ্রহ মূল্য বেশি ছিল। তাই গুদামে ধান দিতে পেরে অনেকেই খুশি। আবার গুদামে ধান দিতে না পেরে অনেকেই হতাশ।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের পরিমল বিশ্বাস বলেন, ৩৬ টাকা কেজি দর হিসাবে ১ হাজার ৪৪০ টাকা মণ দরে গোপালগঞ্জ খাদ্য গুদামে ৩ টন ধান বিক্রি করতে পেরে আমি খুবই খুশি। সরকার এভাবে আমাদের কাছ থেকে ধান কিনলে, আমরা উপকৃত হই। এ বছর আমি ১২ টন ধান উৎপাদন করেছি। ধান উৎপাদন খরচ, সারা বছরের সংসার খরচ বাদ দিয়ে অন্তত ৩ টন ধান রয়ে যাবে। আগামীতে ৩ টনের জায়গায় আমাদের কাছ থেকে ৬ টন ধান নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মোমিন খান ভর্তুকি ও গুদাম বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষককে ভর্তুকি দিয়ে ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। গোপালগঞ্জে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার ৫৮৩ মেট্রিক টন। এটি খুবই অপ্রতুল। তবে খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকের কাছ থেকে বেশি বেশি করে সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি নতুন নতুন সরকারি খাদ্য গুদাম নির্মাণ করে ধান চলের বিশাল মজুদ বাড়াতে হবে। যাতে আপদকালীন চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এছাড়া মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ করে কৃষকের উৎপাদিত ধরনের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেকটাই সম্ভব হবে।

যোগফল । অনলাইন । ‍ নিউজ ডেস্ক

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সেন্টারে স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গুসহ ১৩ পরীক্ষা , থাকছে পর্যাপ্ত ওষুধ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সেন্টারে স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গুসহ ১৩ পরীক্ষা , থাকছে পর্যাপ্ত ওষুধ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) মেডিকেল সেন্টারে স্বল্পমূল্যে ১৩ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঔষধ ও ইনজেকশন সরবরাহ করছে সেন্টারটি ।

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি নতুন করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় করে প্রশাসন। এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার করে ৭৫ টাকায় ইসিজি, ৫৫ টাকায় ডায়াবেটিস পরীক্ষা, ২৯৫ টাকায় লিপিড প্রোফাইল, ৫৫ টাকায় এস. বিলিরুবিন (টোটাল), ৬৫ টাকায় এসজিপিটি ও এএলপি, ৩৫ টাকায় সিরাম ক্যালসিয়াম, ৯৫ টাকায় সিরাম অ্যালবুমিন, ৪৫ টাকায় এস. ক্রিয়েটিনিন, ৬৫ টাকায় রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ১০০ টাকায় ডেঙ্গু এনএস ১ অ্যান্টিজেন টেস্ট, এস. ইউরিক অ্যাসিড এবং ২৮০ টাকায় সিবিসি টেস্ট করা যাবে।

এখন থেকে অগ্রণী ব্যাংকের বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় (একাউন্ট নং: ০২০০০২৩৫৭৫৪০৫) ফি জমা করে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

এছাড়াও প্যারাসিটামল, অ্যান্টাসিড, মেট্রোনিডাজল, ওমিপ্রাজল, সেটিরিজিন, ফেক্সোফেনাডিন, ডক্সিসাইক্লিন, আয়রন, ভিটামিন সি, ওআরএস ট্যাবলেটের পাশাপাশি ওমিপ্রাজল, ওরাডল, কটসন, ল্যাসিক্স, অনডানসেট্রন, ডেক্সামেথাসোন, এভিল ও স্যালাইন (ডিএনএস, ডিএ, এন/এস, সি/এস) ইনজেকশনের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

যোগফল । অনলাইন । নিউজ ডেস্ক