খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২০ আশ্বিন, ১৪৩৩

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল ব্রাহ্মণপাড়ার সজিবের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল ব্রাহ্মণপাড়ার সজিবের

ছবি সংগৃহীত:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জীবিকার তাগিদে সুদূর সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার তরুণ মো. সজিব (২৫)। সেখানে কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন বুনছিলেন তিনি। তবে আকস্মিক এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় থেমে গেল তার সব স্বপ্ন। সৌদি আরবের জুবাইল শহরে হামলার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এই বাংলাদেশি যুবক।

রোববার (৪ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাতে জুবাইল শহরে এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত সজিব উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের জুবাইল শহরে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

সৌদি আরবে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সজিবের সহকর্মী আল আমিন মুঠোফোনে তার নিহত হওয়ার বিষয়টি দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের নিশ্চিত করেন। পরে সজিবের মৃত্যুর খবর বাগড়া গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সচ্ছলতার আশায় প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন সজিব। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারের একমাত্র আশা-ভরসার আলো নিভে গেছে।

সজিবের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে দাফনের ব্যবস্থা করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার স্বজনরা।

শশীদল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, সজিবের অকাল মৃত্যু পুরো এলাকার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। তার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পরিবারের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 


মানবিকতা-দেশপ্রেমেই পূরণ হবে জনগণের স্বপ্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মানবিকতা-দেশপ্রেমেই পূরণ হবে জনগণের স্বপ্ন

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ়তা, মানবিকতা, সততা ও দেশপ্রেম জনগণের স্বপ্ন পূরণের অন্যতম নিয়ামক শক্তি। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে কুচক্রী মহলের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি লাল মিয়া পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ‘নবীনবরণ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, কোনো অপশক্তি দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। জনগণের প্রতিবাদঝড়ে স্বার্থান্বেষী মহলের গভীর ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার অপচেষ্টা খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের গর্ব ও অহংকার। জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে তাঁর দূরদর্শী ও দৃঢ়প্রত্যয়ী ভাষণ বিশ্বনেতাদের প্রশংসা পেয়েছে। ওই ভাষণে জাতীয় স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

খন্দকার মারুফ বলেন, ‘বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের মধ্যে একমাত্র তারেক রহমান জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন। জাতি হিসেবে আমরা সম্মানিত হয়েছি। এর সুফল আগামী দিনে দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।’

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ফ্যামিলি, ফার্মার্স ও ই-হেলথ কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার বিভিন্ন সুবিধা সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছেন। এর মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছানো, কৃষি ভর্তুকি ও চিকিৎসাসেবা সহজতর করা সম্ভব হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, স্বাধীনতার পর ফ্যাসিস্ট দলটি যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। তারা নিজ দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যস্ত ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, তখন শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে এবং শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন হয়। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গনে সিট দখল ও অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে এবং ঢালাওভাবে পাসের হার বাড়িয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

খন্দকার মারুফ বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান সরকারের শিক্ষাঋণ এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নারীদের স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমরাই আগামী দিনে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। নিজেদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে লেখাপড়ায় অধিক মনোযোগ দেবে। অনাহুত ঘোরাঘুরি ও আড্ডাবাজিতে গা ভাসাবে না।’

কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মো. জামাল হোসেন মজুমদার।

এ সময় বিএনপি নেতা সাইফুল আলম ভুইয়া, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, শরীফ চৌধুরী, রোমান খন্দকার, কামাল হোসেন, আবদুল কাদেরসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে সাড়ে ৪৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে সাড়ে ৪৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৫ লাখ ২৭ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এবং সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার সালদানদী, শশীদল ও শংকুচাইল বিওপি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও কসবা উপজেলার আখাউড়া, কসবা, চণ্ডীদার, খাদলা ও মাদলা বিওপির টহলদল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথকভাবে অভিযান চালায়।

অভিযানে ভারতীয় বাজি, বাসমতি চাল, শাড়ি, গরু, নবরত্ন তেল, অলিভ অয়েল, ফুচকা, মদ, শিং মাছ, মাছের খাবার, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস ও একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়।

বিজিবির হিসাবে, জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৪৫ লাখ ২৭ হাজার ৯০০ টাকা।

বিজিবি জানায়, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার এবং অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

ঝালকাঠিতে ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৩৪০, মৃত্যু ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঝালকাঠিতে ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৩৪০, মৃত্যু ১

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

ঝালকাঠিতে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৩৪০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ২৯৮ জন। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একজন। বর্তমানে জেলার চারটি সরকারি হাসপাতালে ৪২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত নিয়মিত ডেঙ্গু প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার চারটি সরকারি হাসপাতালে মোট ২ হাজার ৩৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে। সেখানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৬২৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬১৫ জন চিকিৎসা নিয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। মারা গেছেন একজন। বর্তমানে সেখানে ১৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ পর্যন্ত ৩৯০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৭৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ১৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫৮ জন চিকিৎসা নিয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে সেখানে পাঁচজন রোগী চিকিৎসাধীন।

নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ পর্যন্ত ১৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ১১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার চারটি হাসপাতালে নতুন করে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৩ জন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪২ জন রোগীর মধ্যে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ১৩ জন, রাজাপুরে ১৩ জন, নলছিটিতে ১১ জন এবং কাঠালিয়ায় পাঁচজন রয়েছেন।

ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বাড়ির আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম