খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকেরের মাথায় মিলল গুলির কার্তুজ, হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাগুরায় যুবদল নেতা সাকেরের মাথায় মিলল গুলির কার্তুজ, হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের মাথা থেকে গুলির কার্তুজ উদ্ধার করেছেন চিকিৎসক। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের সময় তার মাথা থেকে এ কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার মৃত্যু গুলিতে হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত সাকের হোসেনের মাথা থেকে গুলির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মৃত্যু দুর্বৃত্তের গুলিতে হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অপরাধীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এর আগে বুধবার ভোর ৬টার দিকে মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে যান সাকের হোসেন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে কাউন্টারের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুরুতে তার মৃত্যু স্ট্রোকের কারণে হয়েছে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে মরদেহ গোসল করানোর সময় স্বজনরা মাথার পেছনে ক্ষতচিহ্ন দেখতে পান। এতে সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে ময়নাতদন্তের সময় মাথা থেকে গুলির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানিয়েছিলেন, সাকের হোসেনকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে, সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তার বিরুদ্ধে বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল বলে জানা গেছে।

এর আগে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেছিলেন, সাকের হোসেনের মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে আলামত সংগ্রহসহ তদন্ত চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি।

সাকের হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় শহরের পারনান্দুয়ালী ঢাকারোড এলাকায় কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন, ভোট চাইলেন ওমর ফারুক সিকদার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন, ভোট চাইলেন ওমর ফারুক সিকদার

ছবিতে ওমর ফারুক সিকদার

মনজুরুল ইসলাম || সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

‎আসন্ন সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং রাজ: ২১৭) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। 
‎ 
‎​এবারের নির্বাচনে 'মোমবাতি' প্রতীক নিয়ে কার্যকারী সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক কার্যকারী সদস্য মোঃ ওমর ফারুক সিকদার।
‎
‎সাধারণ শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের অধিকার আদায়ে সার্বক্ষণিক সোচ্চার থাকায় পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ব্যানারে তার সমাদৃত স্লোগান ফুটে উঠেছে— "ডাকলে যারে কাছে পাই, সে আমাদের ফারুক ভাই"।  

‎​নির্বাচনী প্রচারণায় ওমর ফারুক সিকদার বলেন, শ্রমিক ভাইদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য। অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও মোটর শ্রমিকদের যেকোনো প্রয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা ও তাদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

‎​উক্ত নির্বাচনে তার নাম প্রস্তাব করেছেন মোঃ কালাম ড্রাইভার এবং সমর্থন জানিয়েছেন মোঃ রবিউল ড্রাইভার। সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সম্মানিত সকল শ্রমিকবৃন্দও মোমবাতি মার্কাকে বিজয়ী করতে একযোগে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।  

‎​আসন্ন নির্বাচনে সকল শ্রমিক ভাইয়ের মূল্যবান ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান মোঃ ফারুক শিকদার।

গোপালগঞ্জে বিজয় দশমীর নৌকা বাইচ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে বিজয় দশমীর নৌকা বাইচ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম || গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

দূর্গাপূজার বিজয়া দশমীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 আজ বুধবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘাঘর নদীতে এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 এ নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দু’পাড়ে কয়েক হাজার লোকের  সমাগম ঘটে।

শত বছরেরও বেশী সময় ধরে চলে আসা এ নৌকা বাইচ প্রতিবছর বিজয়া দশমীর দিনে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের আয়োজন ছাড়াই এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 এ বছর কোটালীপাড়ার আশপাশের এলাকা ছাড়াও মাদারীপুর বাগেরহাট,  বরিশাল জেলা থেকে অসংখ্য দর্শক এ নৌকা বাইচ উপভোগ করতে আসেন। এ বাইচে অংশ নিয়ে ছিল ১৪ টি বাচারী নৌকা।

 নান্দনিক এ নৌকা  বাইচ দেখার জন্য প্রতি বছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে নানা ধর্ম বর্ণের মানুষ। 

কোটালীপাড়ার অনেকে  গ্রামের বাইরে গিয়ে নানা কাজে জীবন যাপন করেন। কিন্তু, এদিন তারা পরিবার নিয়ে কাটান একেবারেই গ্রাম্য পরিবেশ আর গ্রামীন সাংস্কৃতির সঙ্গে। 

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, কথিত আছে যে আজ থেকে প্রায় দেড়শত বছর আগে  যশোরের বিঘাপতির জমিদার খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ঘাঘর নদীতে দূর্গা পূজার বিজয়া দশমীর দিন এখানে মেলা ও নৌকা বাইচের আয়োজন করেছিলেন। সেখান থেকেই প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় এখানে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। 

কোটালীপাড়া উপজেলার সকল ধর্মের জনগন এই নৌকা বাইচে অংশ গ্রহন করেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, নদী খাল বিল বেষ্টিত কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত বছর ধরে বিশ্বকর্মা, দূর্গা ও লক্ষ্মী পূজায় নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এই বাইচ কেউকে আয়োজন করতে  হয় না। এই নৌকা বাইচে কাউকে পুরস্কারও দেওয়া হয় না।কোটালীপাড়ার এই নৌকা বাইচ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। আগামীতে এই নৌকা বাইচ যাতে টিকে থাকে আমি সে বিষয়ে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো

শ্রমিকদের কোমল পানি ও স্যালাইন বিতরণ করলেন মিরপুর বন্ধুসভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিকদের কোমল পানি ও স্যালাইন বিতরণ করলেন মিরপুর বন্ধুসভা

ছবি যোগফল

মোঃ সিমান্ত তালুকদারঃ

শ্রমজীবী মানুষের পাশে মিরপুর বন্ধুসভার বন্ধুরা 

মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের হাতে কোমল পানীয় ও স্যালাইন তুলে দেন মিরপুর বন্ধুসভার সদস্য বন্ধুরা। এসময় মিরপুর বন্ধুসভার সদস্যরা শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের জীবিকা নির্বাহ ও দৈনন্দিন সংগ্রামের গল্প শুনেন। 

দৈনন্দিন জীবিকার তাগিদে প্রতিকূল পরিবেশ ও তীব্র গরম উপেক্ষা করে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করে চলেছেন অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। তাঁদের এই নিরলস পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী স্বস্তি দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াস থেকেই মিরপুর বন্ধুসভার এ উদ্যোগ।

কর্মসূচির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন মিরপুর বন্ধুসভার কার্যনির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইফ আল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিরপুর বন্ধুসভার উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া, বন্ধু তানিয়া হক, হাসান মাহমুদ রাজা ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্য বন্ধুরা। তাঁদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় কর্মসূচি সুন্দরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

মিরপুর বন্ধুসভার এ উদ্যোগ কেবল কোমল পানীয় ও স্যালাইন বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর মধ্য দিয়ে সমাজের শ্রমজীবী ও পরিশ্রমী মানুষের প্রতি সম্মান, সহমর্মিতা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সমাজের প্রতিটি মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ এবং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে থাকার যে শিক্ষা বন্ধুত্ব ধারণ করে, এ ধরনের কর্মসূচি তারই প্রতিফলন।

সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোট ছোট উদ্যোগও মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার বন্ধন দৃঢ় করতে সহায়ক। সেই ভাবনা থেকেই মিরপুর বন্ধুসভার বন্ধুরা বন্ধুত্বের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করা, মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করা এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে মিরপুর বন্ধুসভার এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা বন্ধুদের। বন্ধুত্ব, মানবিকতা ও ভালো কাজের পথে মিরপুর বন্ধুসভার এই অগ্রযাত্রা হয়ে উঠুক আরও বিস্তৃত, আরও প্রাণবন্ত।