খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফরিদগঞ্জে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন অতিথিরা। এ সময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ পরিবেশন ও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান (মানিক) বলেন, দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাহসী সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করে এগিয়ে চলছে দৈনিক কালবেলা।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ। একটি দায়িত্বশীল সংবাদপত্র সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরার পাশাপাশি উন্নয়ন, জনসচেতনতা ও ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও জনকল্যাণমুখী সাংবাদিকতার মাধ্যমে কালবেলা ভবিষ্যতেও মানুষের আস্থা অর্জন করে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কালবেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুল কাদির।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল, উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশীদ পাঠান এবং সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা কামাল মানিক।

বক্তারা বলেন, একটি সংবাদপত্রের সাফল্য কেবল প্রকাশনার ধারাবাহিকতায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, জনমানুষের কথা তুলে ধরা এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে অবদান রাখার মধ্যেই এর প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। সংবাদ পরিবেশনা ও সমসাময়িক বিষয় তুলে ধরার মধ্য দিয়ে দৈনিক কালবেলা পাঠকমহলে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। ভবিষ্যতেও পত্রিকাটি সাহসী, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানে দৈনিক কালবেলার উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও মানুষের কল্যাণে পত্রিকাটির ইতিবাচক ভূমিকা আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত অতিথিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি মো. মহিউদ্দিন ও মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহসাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন সৌরভ ও রুহুল আমিন খান স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মমিন, অর্থ সম্পাদক আক্তার হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন ফারুক, আইসিটি সম্পাদক ফাহাদ খান এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি মামুনূর রশিদ পাঠান, প্রবীর চক্রবর্তী, আবদুস ছোবহান লিটন, নুরুল ইসলাম ফরহাদ, এস এম ইকবাল, শিমুল হাসান, আনিছুর রহমান সুজন, সাংবাদিক মামুন হোসাইন, ফখরুল আলম পাঠান, শামীম হাসান, এফ এ মানিক, শাখাওয়াত হোসেন মিন্টু ও মো. জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন, ভোট চাইলেন ওমর ফারুক সিকদার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন, ভোট চাইলেন ওমর ফারুক সিকদার

ছবিতে ওমর ফারুক সিকদার

মনজুরুল ইসলাম || সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

‎আসন্ন সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং রাজ: ২১৭) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। 
‎ 
‎​এবারের নির্বাচনে 'মোমবাতি' প্রতীক নিয়ে কার্যকারী সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক কার্যকারী সদস্য মোঃ ওমর ফারুক সিকদার।
‎
‎সাধারণ শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের অধিকার আদায়ে সার্বক্ষণিক সোচ্চার থাকায় পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ব্যানারে তার সমাদৃত স্লোগান ফুটে উঠেছে— "ডাকলে যারে কাছে পাই, সে আমাদের ফারুক ভাই"।  

‎​নির্বাচনী প্রচারণায় ওমর ফারুক সিকদার বলেন, শ্রমিক ভাইদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য। অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও মোটর শ্রমিকদের যেকোনো প্রয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা ও তাদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

‎​উক্ত নির্বাচনে তার নাম প্রস্তাব করেছেন মোঃ কালাম ড্রাইভার এবং সমর্থন জানিয়েছেন মোঃ রবিউল ড্রাইভার। সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সম্মানিত সকল শ্রমিকবৃন্দও মোমবাতি মার্কাকে বিজয়ী করতে একযোগে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।  

‎​আসন্ন নির্বাচনে সকল শ্রমিক ভাইয়ের মূল্যবান ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান মোঃ ফারুক শিকদার।

গোপালগঞ্জে বিজয় দশমীর নৌকা বাইচ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে বিজয় দশমীর নৌকা বাইচ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম || গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

দূর্গাপূজার বিজয়া দশমীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 আজ বুধবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘাঘর নদীতে এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 এ নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দু’পাড়ে কয়েক হাজার লোকের  সমাগম ঘটে।

শত বছরেরও বেশী সময় ধরে চলে আসা এ নৌকা বাইচ প্রতিবছর বিজয়া দশমীর দিনে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের আয়োজন ছাড়াই এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 এ বছর কোটালীপাড়ার আশপাশের এলাকা ছাড়াও মাদারীপুর বাগেরহাট,  বরিশাল জেলা থেকে অসংখ্য দর্শক এ নৌকা বাইচ উপভোগ করতে আসেন। এ বাইচে অংশ নিয়ে ছিল ১৪ টি বাচারী নৌকা।

 নান্দনিক এ নৌকা  বাইচ দেখার জন্য প্রতি বছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে নানা ধর্ম বর্ণের মানুষ। 

কোটালীপাড়ার অনেকে  গ্রামের বাইরে গিয়ে নানা কাজে জীবন যাপন করেন। কিন্তু, এদিন তারা পরিবার নিয়ে কাটান একেবারেই গ্রাম্য পরিবেশ আর গ্রামীন সাংস্কৃতির সঙ্গে। 

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, কথিত আছে যে আজ থেকে প্রায় দেড়শত বছর আগে  যশোরের বিঘাপতির জমিদার খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ঘাঘর নদীতে দূর্গা পূজার বিজয়া দশমীর দিন এখানে মেলা ও নৌকা বাইচের আয়োজন করেছিলেন। সেখান থেকেই প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় এখানে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। 

কোটালীপাড়া উপজেলার সকল ধর্মের জনগন এই নৌকা বাইচে অংশ গ্রহন করেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, নদী খাল বিল বেষ্টিত কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত বছর ধরে বিশ্বকর্মা, দূর্গা ও লক্ষ্মী পূজায় নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এই বাইচ কেউকে আয়োজন করতে  হয় না। এই নৌকা বাইচে কাউকে পুরস্কারও দেওয়া হয় না।কোটালীপাড়ার এই নৌকা বাইচ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। আগামীতে এই নৌকা বাইচ যাতে টিকে থাকে আমি সে বিষয়ে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো

শ্রমিকদের কোমল পানি ও স্যালাইন বিতরণ করলেন মিরপুর বন্ধুসভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিকদের কোমল পানি ও স্যালাইন বিতরণ করলেন মিরপুর বন্ধুসভা

ছবি যোগফল

মোঃ সিমান্ত তালুকদারঃ

শ্রমজীবী মানুষের পাশে মিরপুর বন্ধুসভার বন্ধুরা 

মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের হাতে কোমল পানীয় ও স্যালাইন তুলে দেন মিরপুর বন্ধুসভার সদস্য বন্ধুরা। এসময় মিরপুর বন্ধুসভার সদস্যরা শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের জীবিকা নির্বাহ ও দৈনন্দিন সংগ্রামের গল্প শুনেন। 

দৈনন্দিন জীবিকার তাগিদে প্রতিকূল পরিবেশ ও তীব্র গরম উপেক্ষা করে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করে চলেছেন অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। তাঁদের এই নিরলস পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী স্বস্তি দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াস থেকেই মিরপুর বন্ধুসভার এ উদ্যোগ।

কর্মসূচির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন মিরপুর বন্ধুসভার কার্যনির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইফ আল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিরপুর বন্ধুসভার উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া, বন্ধু তানিয়া হক, হাসান মাহমুদ রাজা ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্য বন্ধুরা। তাঁদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় কর্মসূচি সুন্দরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

মিরপুর বন্ধুসভার এ উদ্যোগ কেবল কোমল পানীয় ও স্যালাইন বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর মধ্য দিয়ে সমাজের শ্রমজীবী ও পরিশ্রমী মানুষের প্রতি সম্মান, সহমর্মিতা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সমাজের প্রতিটি মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ এবং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে থাকার যে শিক্ষা বন্ধুত্ব ধারণ করে, এ ধরনের কর্মসূচি তারই প্রতিফলন।

সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোট ছোট উদ্যোগও মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার বন্ধন দৃঢ় করতে সহায়ক। সেই ভাবনা থেকেই মিরপুর বন্ধুসভার বন্ধুরা বন্ধুত্বের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করা, মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করা এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে মিরপুর বন্ধুসভার এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা বন্ধুদের। বন্ধুত্ব, মানবিকতা ও ভালো কাজের পথে মিরপুর বন্ধুসভার এই অগ্রযাত্রা হয়ে উঠুক আরও বিস্তৃত, আরও প্রাণবন্ত।