খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০ কার্তিক, ১৪৩৩

বাউফলে বস্তাবন্দি মরদেহ, নিখোঁজ আলমের বলে সন্দেহ পরিবারের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউফলে বস্তাবন্দি মরদেহ, নিখোঁজ আলমের বলে সন্দেহ পরিবারের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহটি নিখোঁজ আলম গাজীর (৫৫) হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তবে এখনো মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বাউফল পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার জামে মসজিদের ঘাটসংলগ্ন খাল থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, গত বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বাউফল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলম গাজী। তার বাবার নাম মজিবুর রহমান গাজী এবং মায়ের নাম জুলেখা বেগম।

নিখোঁজ আলম গাজীর বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরনে থাকা লুঙ্গি ও গেঞ্জি তার বাবার পোশাকের মতো মনে হয়েছে। মরদেহটির হাত-পা বাঁধা ছিল। একটি বস্তার ভেতরে ২০ থেকে ২৫টি ইট রাখা হয়েছিল। বস্তার মুখ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল এবং রশির আরেকটি অংশ মরদেহের কোমরের সঙ্গে বাঁধা ছিল।

সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, মরদেহটি তার বাবার হতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ও তার মা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ তাদের জানিয়েছে, পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় মরদেহটি অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে পটুয়াখালীতে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আলম গাজীর প্রথম স্ত্রী পিয়ারা বেগমের অভিযোগ, প্রায় ৩৮ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। তবে আলম গাজী স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন না। মাঝেমধ্যে তাদের কাছে আসতেন। তিনি মূলত তার ছোট স্ত্রীর সঙ্গে থাকতেন। ছোট স্ত্রী তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতেন না বলেও অভিযোগ করেন পিয়ারা বেগম।

পিয়ারা বেগমের দাবি, তার স্বামীর সঙ্গে ছোট স্ত্রীর প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো এবং তাকে মারধরও করা হতো। আলম গাজীর নিখোঁজ হওয়ার খবর জানার পর ছোট স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সন্তোষজনক উত্তর পাননি তিনি। এসব কারণে তার সন্দেহ আরও বেড়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তার স্বামীর হতে পারে এবং তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আলম গাজীর দ্বিতীয় স্ত্রী কমলা বেগম গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া গ্রামে থাকেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় ১৫ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তবে গত আট থেকে ১০ বছর ধরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল না বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, আলম গাজী তার ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগমের সঙ্গে বাউফলের দাসপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফারজানা বেগমের কোনো সন্তান নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বগা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক হিন্দু নারীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেছিলেন আলম গাজী। পরে তার নাম রাখা হয় ফারজানা বেগম।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আলম গাজীর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ পটুয়াখালীতে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য মৃত ব্যক্তির মাথার চুলসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ আলম গাজীর কি না। পরিচয় নিশ্চিত করতে পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দুই প্রাথমিক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দুই প্রাথমিক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও চলমান রয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই শিক্ষক হলেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার। তারা বেগমগঞ্জ উপজেলার মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি অনুযায়ী তারা খোরপোশ ভাতা পাবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে তদন্ত শুরু করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। পরে তাদের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে অন্য দুটি বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে এবিএম সাইফুল ইসলামকে বালুচরা সমাজ কল্যাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তবে কাগজপত্রে তাদের কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে অবস্থান করার সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং এতে প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারেপত্তিকর ভিডিও ছড়ানো

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারেপত্তিকর ভিডিও ছড়ানো

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে আবু সাঈদ (৩০) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আবু সাঈদ গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার ডাকবাংলোর পেছনে অবস্থিত লালমাটিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, এক শিক্ষার্থীর মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে ওই নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করেন শিক্ষক আবু সাঈদ। পরে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে প্রথম দফায় ওই নারীর কাছ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আদায় করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আরও ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে ওই টাকা নিতে গেলে স্থানীয় লোকজন আবু সাঈদকে আটক করে মারধর করেন। এতে তার মাথায় আঘাত লাগে। খবর পেয়ে পুলিশ ভোর ৫টার দিকে ঘটনাস্থল সম্পর্কে জানতে পারে। পরে আহত শিক্ষকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সকাল ৯টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দা কাশেম বলেন, ওই নারীর সঙ্গে মাদ্রাসাশিক্ষক আবু সাঈদের সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনায় পুলিশের কাছে সঠিক তদন্তের দাবি জানান তিনি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম কালবেলাকে বলেন, ভুক্তভোগী নারী লিখিত অভিযোগ করলে আবু সাঈদকে রোববার সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চন্দনাইশে এসআরবি সদস্যদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চন্দনাইশে এসআরবি সদস্যদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৫

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ দল। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মেহেদী হাসান সিফাত (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (২৮), আজিজুর রহমান সবুজ (২১), মঞ্জুর ইসলাম (৩৯) ও মো. নবাব শরীফ ওরফে নবাব মিয়া (৩৪)।

এসআরবি-৭-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়নের কানাই মাদারি গ্রামের ঘাটকুল পাড়ায় অভিযান চালায় এসআরবির একটি দল।

এ সময় বিভিন্ন থানায় ২০টির বেশি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মো. আলমগীর এসআরবি দলের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে চিৎকার করে ৪০ থেকে ৫০ জনকে জড়ো করেন। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসআরবি সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা আরও মারমুখী হয়ে উঠলে নিজেদের নিরাপত্তা এবং সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রক্ষায় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়তে বাধ্য হন এসআরবি সদস্যরা।

এসআরবি-৭ জানায়, হামলার ঘটনায় শনিবার ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে এসআরবি-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে উত্তর কানাইমাদারী এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চন্দনাইশ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম