খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১ কার্তিক, ১৪৩৩

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৫

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, চুরি মামলার আসামি ও জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ১০ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শনিবার রাতে ও রোববার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আনন্দপুর এলাকায় উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্যের নেতৃত্বে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। এ সময় ১০ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আনোয়ার হোসেন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া রোববার উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে পৃথক অভিযান চালিয়ে চুরি মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি ইয়াছিন মিয়া প্রকাশ সুজন (২০) এবং জিআর পরোয়ানাভুক্ত হানু মিয়া (৩২) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে, উপপরিদর্শক জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অভিযোগে এনামুল (৩২) ও মাহাবুব আলম (৪৮) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্যও।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়।

মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে তাহিরপুরে উত্তেজনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে তাহিরপুরে উত্তেজনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

ছবিতে কৃপেশ রায়

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে কৃপেশ রায় (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের রাজারগাঁও গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কৃপেশ রায় রাজারগাঁও গ্রামের ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র রায়ের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি পুলিশের সাবেক বা বর্তমান সদস্য হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর চাকরির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) 'Kripash Ray' নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মুসল্লিসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কৃপেশ রায়। তাঁর দাবি, পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই পন্টি রায় তাঁকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তাঁর ফেসবুক পরিচয় ব্যবহার করে অথবা ভুয়া পোস্টের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি সুরক্ষা চেয়ে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে তাহিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, কৃপেশ রায় তাঁকে সামাজিক ও আইনিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন। জিডি করার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ওসি আরও জানান, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজারগাঁও গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, ঘটনার পর এলাকায় শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির নেতারা। দলটির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা এবং তাঁদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানি বা ক্ষতির শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসনের সতর্ক ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন তাঁরা।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবিতে ভূক্তভোগী ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ ও অভিযোগের কপি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদকে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আসলাম শিকদার নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার পর এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন +৮৮০ ১৯৫০-৯৯৯১৭৮ নম্বর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদকে ফোন করা হয়। ফোনদাতা নিজেকে আসলাম শিকদার পরিচয় দিয়ে তাঁকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, তাঁর নেতাকর্মীরা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করবেন এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে হবে।

সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের অর্থ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানালে ফোনদাতা ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় বলেন, ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’—এই দুটির যেকোনো একটি দিতে হবে। পরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানোর কথা বললে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের প্রাণনাশের হুমকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভীতিকর। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনি সহায়তা পাওয়ার জন্য তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে একজন চিকিৎসকের প্রতি এমন হুমকির ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁরা অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।