খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের তৃতীয় দিনের বিক্ষোভ, সতর্ক পুলিশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের তৃতীয় দিনের বিক্ষোভ, সতর্ক পুলিশ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের টানা তৃতীয় দিনের বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর মিরপুরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালেও মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে কারখানায় ফিরে যান।

মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রোজিনা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পোশাকশ্রমিকেরা আজও রাস্তায় নামার চেষ্টা করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই পুলিশের কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রথমে কারখানার ভেতরে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভের মাধ্যমে শুরু হওয়া আন্দোলন রোববার প্রকাশ্যে রূপ নেয়। এদিন শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা সড়কে নেমে যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মুখে আন্দোলনকারীরা সরে যেতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালেও মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকার কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা রাস্তায় নামার চেষ্টা করেন। তারা মিছিল নিয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে অগ্রসর হতে চাইলে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা বাধা দেন।

একপর্যায়ে শ্রমিকেরা পুলিশের বাধা অতিক্রমের চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দেয়। একই সময়ে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা থেকেও শ্রমিকদের আরেকটি দল জড়ো হওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের তৎপরতায় তাদের সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়। পরে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে কারখানার ভেতরে ফিরে যান।

মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার জরিনা খাতুন বলেন, শনিবার থেকে শুরু হওয়া শ্রমিক অসন্তোষের জেরে সোমবার সকালেও শ্রমিকেরা রাস্তায় নামার চেষ্টা করেন। তারা মিরপুর-১৪ নম্বর থেকে ১০ নম্বরের দিকে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। পরে শ্রমিকেরা কারখানার ভেতরে চলে যান। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে গত দুই দিনের বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে হামলার ঘটনার পর মিরপুরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মিরপুর-১০, ১১, ১২ ও ১৪ নম্বর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মাদ্রাসায় ১০ ইভেন্টসহ আরচারি, শুটিং ও হকি আয়োজনের নির্দেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদ্রাসায় ১০ ইভেন্টসহ আরচারি, শুটিং ও হকি আয়োজনের নির্দেশন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ১০টি ইভেন্টসহ আরচারি, শুটিং ও হকি খেলার নিয়মিত অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এ জন্য অধিদপ্তরের আওতাধীন সব মাদ্রাসার প্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. চাঁদ মিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিটি অধিদপ্তরের আওতাধীন সব মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের ক্রীড়ার উন্নয়নে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায় থেকে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

এ লক্ষ্যে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও পেশাদার নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতেও ক্রীড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

এ অবস্থায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ১০টি ইভেন্টের পাশাপাশি আরচারি, শুটিং ও হকি খেলার নিয়মিত অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য মাদ্রাসাপ্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ; ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ; ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও একটি পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাঁচ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে জড়ো হয়ে অবরোধ শুরু করেন শ্রমিকেরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। দীর্ঘ যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বিভিন্ন পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিলেও পরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে একে একে কারখানা থেকে বের হয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একটি পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিজিবির সদস্যসংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের শিল্প পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন।

এদিকে শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সড়কটি প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ে। এ সময় আন্দোলনরত শ্রমিকদের কাউকে ফুটবল খেলতে, আবার কাউকে ক্রিকেট খেলায় মেতে উঠতে দেখা যায়।

শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ায় সফিপুর ও আশপাশের এলাকার ১৮টি পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এর আগে শনিবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত একই দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। পরে রাতে তারা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে রোববার সকাল থেকে আবারও সড়কে অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, মৌচাক ও সফিপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ ও অসন্তোষ চলছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিলেও শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, রোববার সকাল থেকেই শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে গাজীপুরে ফের মহাসড়ক অবরোধ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে গাজীপুরে ফের মহাসড়ক অবরোধ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন গাজীপুরের পোশাকশ্রমিকরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে জেলার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ১০ প্লাটুন বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

সকাল ৮টা ২৬ মিনিটে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল গ্রুপে পাঠানো এক খুদেবার্তায় অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জেলা প্রশাসন ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিল্প পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের পাশাপাশি ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) আমজাদ হোসেন বলেন, জেলার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, কোনাবাড়ী ও মৌচাক এলাকায় বিজিবি, শিল্প পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা কাজ করছেন।

এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) একই দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকরা। প্রথমে কালিয়াকৈরের মৌচাক, সফিপুর ও চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অবরোধ শুরু হয়। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

একপর্যায়ে কালিয়াকৈরের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় কয়েকটি কারখানার ফটক, মৌচাক এলাকায় একটি পুলিশ বক্স এবং কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া আনসার একাডেমির সামনে একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

পরে রতনপুর, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুরসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে এসব এলাকার প্রায় ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম