খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩

বগুড়ায় রেস্তোরাঁর খাবার খেয়ে সাতজন অসুস্থ, ইউএনওর কাছে অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বগুড়ায় রেস্তোরাঁর খাবার খেয়ে সাতজন অসুস্থ, ইউএনওর কাছে অভিযোগ

ছবির ক্যাপশন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বগুড়ার সান্তাহারে ‘বিসমিল্লাহ হোটেল’ নামে একটি রেস্তোরাঁয় মুরগির চাপ ও গ্রিল খেয়ে সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ভুক্তভোগীদের পক্ষে আবু সাইফ নিহাদ ও আবু হামজা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সান্তাহার স্টেশন রোড এলাকার ‘বিসমিল্লাহ হোটেলে’ ছয়জন মুরগির চাপ ও গ্রিল খান। খাওয়া শেষে তারা আরও একজনের জন্য খাবার পার্সেল করে নিয়ে যান। খাবার খাওয়ার পরপরই তাদের সবার পেটে ব্যথাসহ শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দেয়।

একপর্যায়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সাতজনকেই নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অভিযোগকারী দুজন কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও বাকি পাঁচজনের অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

রেস্তোরাঁর খাবার খেয়ে এমন অসুস্থতার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানান। পাশাপাশি অভিযোগটি তদন্ত করে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তে রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তে রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার

ছবিতে গ্রেফতারকৃত যুবক

আবু মুসা | টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে রবি আলম (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ২১ নম্বর চাকমারকুল সিআইসি চেকপোস্টের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রবি আলম টেকনাফের উনচিপ্রাং ২২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/২ ব্লকের বাসিন্দা।

এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ মডেল থানায় দায়ের করা ৭৯ নম্বর মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) প্রকাশ চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। এতে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৫৭ ও ৩৮০ ধারা উল্লেখ রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে এপিবিএন সদস্যদের পাহারায় টেকনাফ মডেল থানায় পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার কথা রয়েছে।

সূত্র: এপিবিএন

গোপালগঞ্জে ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ পিতার ঠাঁই হয়েছে গাছ তলায়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ পিতার ঠাঁই হয়েছে গাছ তলায়

ছবিতে গাছ তলায় বৃদ্ধ পিতা

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

জীবনের সবটুকু সুখ ও শ্রম বিলিয়ে দিয়ে ৬ সন্তানকে বড় করেছেন বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লা (৯৫)।জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে সেই সন্তানদের কাছে তিনি এখন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ছয় সন্তানের  মধ্যে কারো কাছেই তার ঠাঁই হয়নি।ছেলে মেয়েরা সকলে মিলে জমিজমা লিখে নিয়ে তাকে রেখে দিয়েছে বাড়ির পাশে একটি গাছের নিচে।এখানে এখন দিন কাঁটছে বৃদ্ধ শামসুল হক।

বৃদ্ধ শামসুল হক গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরন গ্রামের  ওমেদ আলী মোল্লার ছেলে।

জানাগেছে, হাজী শামসুল হক মোল্লার দুটি ছেলে ও চারটি মেয়ে রয়েছে। ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে আজিজুল মোল্লা পেশায় একজন ফেরিওয়ালা।ছোট ছেলে রেয়াজুল মোল্লা বাসের হেলপার। 

অপরদিকে চার মেয়ের মধ্যে মায়া বেগম, সাবিনা বেগম ও সালমা বেগমকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছোট মেয়ে কাজুলী বেগম শারীরিক প্রতিবন্ধী।

বৃদ্ধ হাজী শামসুল হকের ছোট সন্তান কাজুলী বেগম বাদে আর পাঁচ সন্তান তাদের সংসার সন্তান নিয়ে ব্যস্ত।
গত কয়েক বছর আগে হাজী শামসুল হক তার জমি বিক্রি করে হজ্ব করতে যায়।তখন বাকি জমি জমা সন্তানদের মাঝে ভাগ করে দেন।কিন্তু বর্তমানে বিপত্নীক এই বৃদ্ধের কোন সন্তানই খোঁজ খবর তেমন রাখছে না। 

শামসুল হক মোল্লা গত কয়েক দিন ধরে তার বড় মেয়ে মায়া বেগমের বাড়িতে ছিলেন।
কিন্তু আজ মঙ্গলবার সকালে মায়া বেগম তার বৃদ্ধ বাবাকে ভাইদের বাড়িতে নিয়ে আসলে ভাই ও তাদের স্ত্রীরা মিলে হাজী শামসুল হক মোল্লাকে বাড়ি থেকে বের করে একটি গাছে নিচে রেখে দেয়।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মাঝে শামসুল হক মোল্লার সন্তানদের নিয়ে একটি বিরুপ প্রতিক্রিয়া হয়।

মায়া বেগম বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ্য।তার পরে আমার বাড়িতে আবার প্রতিবন্ধী ছোট বোন কাজুলী থাকে। যার কারণে আমার পক্ষে আমার বাবাকে রাখা সম্ভব নয়।

সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতেই চলছে অনুমোদনহীন ড্রেন নির্মাণকাজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতেই চলছে অনুমোদনহীন ড্রেন নির্মাণকাজ

ছবিতে নির্দেশনাসহ কাজে আগে ও পরের চিত্র

গাজীপুর প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কোনাবাড়ী এলাকার আমবাগ মিতালী হাউজিংয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই রাস্তার ওপর ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। 

তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রকৌশলগত তদারকি ছাড়া ড্রেন নির্মাণ করা হলে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল, পানি নিষ্কাশন এবং রাস্তার স্থায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার জোন ৭ (কোনাবাড়ি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মোশারফ হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক কাজটি বন্ধ করে দেন বলে জানান। পরবর্তী সময়ে ১৫ অক্টোবর উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে ১৮ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়।

শুনানিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপর পক্ষকে রাস্তা খনন ও ড্রেন নির্মাণের আগে সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন গ্রহণ, নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুনানিতে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ না করে এবং রাস্তা খননের অনুমোদন গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই পরবর্তী সময়ে পুনরায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কাজ চলাকালে সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক সুপারভাইজার নাসির হোসেনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ১১৯ ধারায় নগরীর রাস্তা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। একই আইনের ১২০ ধারায় রাস্তা নির্মাণ ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়ে কর্পোরেশনের অনুমোদন ও নির্দেশনার বিধান রয়েছে।
এ ছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘সড়ক খনন অনুমতি পদ্ধতি’ অনুযায়ী, রাস্তা খননের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন, সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরিমাপের মাধ্যমে ফি নির্ধারণ এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর অনুমতি প্রদানের প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী মো. তারেক হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কাজের অনুমোদন এখনো দেওয়া হয়নি এবং অনুমোদন পেতে সময় প্রয়োজন। 
অন্যদিকে, সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৭ (কোনাবাড়ী) জোনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজরাতুন নাঈমার কাছে বিষয়টি জানানো হলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।