খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

নরসিংদীতে গ্যাস সংকট নিরসনে মতবিনিময় সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নরসিংদীতে গ্যাস সংকট নিরসনে মতবিনিময় সভা

যোগফল প্রতিবেদক:

নরসিংদীতে চলমান গ্যাস সংকট নিরসন ও শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ব্যবসায়ী, সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির প্রতিনিধি, তিতাস গ্যাস ও পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, গ্যাস সংকটের এ সময়ে নরসিংদীর চাহিদা পূরণের পর অন্য জেলার চাহিদা বিবেচনা করা উচিত। শিল্পসমৃদ্ধ জেলা হিসেবে নরসিংদীর বিভিন্ন কারখানা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জেলার উৎপাদিত কাপড় দেশের বড় একটি অংশের চাহিদা পূরণ করে। গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হলে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।

বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে নরসিংদীর শিল্পকারখানাগুলো বড় ধরনের সংকটে পড়বে। এর প্রভাব স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই শিল্পকারখানাগুলো সচল রাখতে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।

জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান কেয়ার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রাশেদুল হাসান রিন্টু, আমানত শাহ্ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া, নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মাখন দাসসহ সংশ্লিষ্টরা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঝিনাইদহে ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঝিনাইদহে ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে এক কৃষক ও তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কৃষক অমরেন্দ্র ভৌমিক ও তাঁর স্ত্রী মিনাক্ষী রাণী ভৌমিক।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে অমরেন্দ্র ভৌমিক গরুর জন্য ঘাস কাটতে মেশিন চালু করেন। এ সময় বৈদ্যুতিক তারে লিকেজ থাকায় মেশিনটি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। মেশিনে হাত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পর্শে অমরেন্দ্র চিৎকার করে ওঠেন।

স্বামীর চিৎকার শুনে তাঁকে বাঁচাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্ত্রী মিনাক্ষী রাণী। স্বামীকে জড়িয়ে ধরার পর তিনিও বিদ্যুৎস্পর্শে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে পরিবারের সদস্যরা দুজনকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রাজবাড়ীতে সারের সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজবাড়ীতে সারের সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

 যোগফল প্রতিবেদক:

রাজবাড়ীতে চলতি রোপা আমন মৌসুমে সারের সংকট দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে টিএসপি ও ডিএপি সার চাহিদা অনুযায়ী না পাওয়ার পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় সার সংকট নেই; বরং জমিতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে চাহিদা বেড়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রাজবাড়ীতে প্রায় ৫২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ জমিতে আমন আবাদ শেষ হয়েছে। রোপা আমন ও পেঁয়াজের মৌসুমে জেলায় সারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

ডিলারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জেলায় টিএসপি সারের চাহিদা ৬ হাজার ১১ মেট্রিক টন হলেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ১ মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক।

এ ছাড়া ডিএপি সারের চাহিদা ২৬ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন, বরাদ্দ ১৬ হাজার ৭১৮ মেট্রিক টন। এমওপি সারের চাহিদা ২৩ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন, বরাদ্দ ৯ হাজার ৭৭৯ মেট্রিক টন। ইউরিয়ার চাহিদা ৩০ হাজার ১৫৫ মেট্রিক টন হলেও বরাদ্দ হয়েছে ২২ হাজার ৪৭৪ মেট্রিক টন। জিপসামের চাহিদা ২২ হাজার ৮৯ মেট্রিক টন, বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৯৭৮ মেট্রিক টন।

ডিলারদের দাবি, চাহিদা ও বরাদ্দের বড় ব্যবধানের কারণেই বাজারে সারের সংকট তৈরি হয়েছে।

পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের কৃষক কার্তিক শীল বলেন, ধানের চারা রোপণের সময় টিএসপি ও ডিএপি এবং পরে ইউরিয়া সার প্রয়োজন হয়। কিন্তু দোকানে গিয়ে চাইলেও অনেক সময় সার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সার ছাড়াই ধান রোপণ করতে হচ্ছে তাঁকে।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত দামে সার পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি ও ইউরিয়া কিনতে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের কৃষক তুফান মণ্ডলও একই অভিযোগ করেন। তাঁর ভাষ্য, টিএসপি ও ইউরিয়া এক বস্তা করে ১ হাজার ৮০০ টাকা দরে কিনেছেন। সারের দাম বাড়ায় তাঁদের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

রাজবাড়ী সার ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হক বাদশা বলেন, ডিলাররা যে পরিমাণ সারের চাহিদা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়াই সংকটের অন্যতম কারণ। বরাদ্দের একটি অংশ আবার সাব-ডিলারদের মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। ফলে চাহিদার মৌসুমে সরবরাহ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

একাধিক সাব-ডিলারের দাবি, বরাদ্দকৃত সার মাসের শুরুতেই শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের অন্য জেলা থেকে বাড়তি দামে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে পরিবহনসহ বিভিন্ন অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হয়ে কৃষকের কাছে বেশি দামে সার বিক্রির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

একজন সাব-ডিলার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আগস্ট মাসে মূল ডিলারের কাছ থেকে পাওয়া সার মাসের প্রথম ১০ দিনেই শেষ হয়ে যায়। এরপর অন্য জেলা থেকে সার সংগ্রহ করতে হয়েছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ খরচ হওয়ায় বিক্রয়মূল্যও বেড়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।

আরেক সাব-ডিলার অভিযোগ করেন, তাঁর ইউনিয়নের মূল ডিলারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সার না পাওয়ায় তাঁকে বিকল্পভাবে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে বাড়তি খরচের চাপ শেষ পর্যন্ত কৃষকদের ওপর পড়ছে।

তবে কৃষি বিভাগ সারের সংকটের অভিযোগ পুরোপুরি স্বীকার করছে না। রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম রসুল বলেন, জেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী সার বরাদ্দ রয়েছে। তবে কৃষকরা জমিতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহার করায় চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারে একদিকে মাটির ক্ষতি হয়, অন্যদিকে কৃষকের উৎপাদন খরচও বাড়ে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তবে খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বৃদ্ধাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, ফের আলোচনায় মিল্টন সমাদ্দার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৃদ্ধাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, ফের আলোচনায় মিল্টন সমাদ্দার

যোগফল প্রতিবেদক:

মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হয়ে ওঠা মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে এবার এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এক বৃদ্ধ নারীকে আশ্রয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার পর ওই সাংবাদিককে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগকারী সাংবাদিকের নাম নাহিদ হাসান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে কাজ করেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

নাহিদের দাবি, এক বৃদ্ধ নারীর চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে তিনি কয়েক দিন ধরে কাজ করছিলেন। মানুষের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা সংগ্রহ করে ওই নারীকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরে মিল্টন সমাদ্দারের পরিচালিত ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ প্রতিষ্ঠানে তাঁকে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নাহিদ জানান, শুরুতে ওই নারীকে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মাসে ১৮ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেই অর্থ দিতে রাজিও ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি ওই নারীকে রাখতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ সহায়তা চেয়ে পোস্ট দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।

পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মিল্টন সমাদ্দার নাহিদকে জিডি নিয়ে আসার কথা বলেন এবং বৃদ্ধাকে আশ্রয় দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন তিনি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে নাহিদ ওই নারীকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

নাহিদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ২টা ৩৩ মিনিটের দিকে তাঁরা প্রতিষ্ঠানটিতে পৌঁছান। সেখানে প্রথমে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার দেবাশীষের সঙ্গে কথা হয়। কিছুক্ষণ পর মিল্টন সমাদ্দার সেখানে আসেন।

নাহিদের অভিযোগ, কথা বলার একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টের কারণে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। পরে মিল্টন সমাদ্দার তাঁর ওপর হামলা করেন এবং চোখে আঘাত করেন। তাঁর গেঞ্জি ধরে চড় মারা হয় এবং এতে বুকে আঘাত লাগে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় তাঁকে ছাড়াতে এগিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানের কর্মী দেবাশীষও তাঁর গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ নাহিদের। এতে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল বলে জানান তিনি। তাঁর সঙ্গে থাকা ইলিয়াস নামের আরেক ব্যক্তিকেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন নাহিদ।

নাহিদের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন লোক থাকলেও তাঁরা ছিলেন মাত্র তিনজন। প্রতিষ্ঠানটি নির্জন এলাকায় হওয়ায় এবং বের হওয়ার রাস্তা সীমিত থাকায় তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

নাহিদ জানান, সেখানে যাওয়ার আগে পরিবেশ নিয়ে আশঙ্কা হওয়ায় তিনি পরিচিত কয়েকজনকে লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে রেখেছিলেন। পাশাপাশি মোবাইলে অডিও রেকর্ডও চালু রেখেছিলেন। পুরো ঘটনার অডিও রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাঁদের কাছে কোনো অর্থ চাওয়া হয়নি—এমন বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি তাঁর।

পরে বৃদ্ধা নারীকে ওই প্রতিষ্ঠানে রেখে তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সেখানে চোখ পরীক্ষা ও এক্স-রে করানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন বলে জানান নাহিদ।

এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি প্রকাশ করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে মিল্টন সমাদ্দার ২০২৪ সালে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে মানবিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে অনিয়ম, ডেথ সার্টিফিকেট জালিয়াতি, মানবপাচার, জমি দখলসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।

তবে বর্তমান ঘটনায় ওঠা সাংবাদিককে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের বিষয়ে মিল্টন সমাদ্দারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম