খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

মসজিদের থাকার কক্ষে মুয়াজ্জিনের লাশ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মসজিদের থাকার কক্ষে মুয়াজ্জিনের লাশ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য

 যোগফল প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি মসজিদের থাকার কক্ষ থেকে তরুণ এক মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কক্ষের ভেতর ঝুলন্ত দড়ি পাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে তরুণের মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি বাইতুল মামুর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তরুণের নাম মো. সায়েম (২০)। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের প্রয়াত জব্বার মৃধার ছেলে। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের নামাজ শেষে হাওলাদার বাড়ির মো. ইউসুফ হাওলাদার মসজিদের ভেতরে সায়েমের থাকার কক্ষে যান। সেখানে গিয়ে তিনি সায়েমকে পড়ে থাকতে দেখেন।

এ সময় কক্ষের সিলিংয়ের সঙ্গে একটি দড়ি ঝুলতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা দ্রুত সেখানে ছুটে এসে সায়েমকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে আসা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

কক্ষে ঝুলন্ত দড়ি পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসার পর স্থানীয়দের কেউ কেউ সায়েম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন। তবে নিহতের স্বজনরা এ ধারণার সঙ্গে একমত নন।

স্বজনদের দাবি, সায়েমের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তার মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। ফলে ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত—তা নিয়ে এলাকায় ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের পক্ষ থেকে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেই সায়েমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গুমের আগে উত্তরার যে ফ্ল্যাটে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গুমের আগে উত্তরার যে ফ্ল্যাটে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

যোগফল প্রতিবেদক:

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অন্যতম। ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রায় দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে তার সন্ধান পাওয়া যায়।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দীর্ঘদিন আগের সেই আলোচিত ঘটনার নানা তথ্য নতুন করে সামনে এসেছে। গুম হওয়ার আগে সালাহউদ্দিন আহমদ কোথায় ছিলেন, কীভাবে তাকে উত্তরার ওই ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার দিন সেখানে কী ঘটেছিল—এসব বিষয়ে চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন ওই ফ্ল্যাটের মালিক ও তার ঘনিষ্ঠজন সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

২০১৫ সালের শুরুতে বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই সময় দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদকে দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনের বিষয়ে বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা দিতেন।

সৈয়দ হাবিব হাসনাতের ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সালাহউদ্দিন আহমদকে খুঁজছিল। নিরাপত্তার কারণে তিনি গুলশানের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে অবস্থান পরিবর্তন করে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

হাবিব হাসনাত জানান, গুলশান এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর সালাহউদ্দিনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একদিন দুপুরে সালাহউদ্দিন তাকে ফোন করে দ্রুত গুলশান ছাড়ার কথা জানান এবং তার উত্তরার ফ্ল্যাটে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পরে বিকেলে হাবিব হাসনাত নিজেই গাড়ি নিয়ে গুলশান থেকে সালাহউদ্দিনকে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়ালও ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে তারা পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে উত্তরায় পৌঁছান।

উত্তরার ফ্ল্যাটে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ এড়াতে হাবিব হাসনাত কৌশলের আশ্রয় নেন। তিনি দারোয়ানকে বাইরে পাঠিয়ে সালাহউদ্দিন ও তাবিথ আউয়ালকে দ্রুত ফ্ল্যাটে উঠিয়ে দেন। সেখানে আগে থেকেই একজন বাবুর্চি ও সহকারীকে রাখা হয়েছিল।

হাবিব হাসনাতের দাবি, এরপর ওই ফ্ল্যাট থেকেই সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা পাঠাতেন।

১০ মার্চের সেই রাত

হাবিব হাসনাতের বর্ণনা অনুযায়ী, ১০ মার্চ সন্ধ্যার পর তিনি উত্তরার ওই এলাকায় গেলে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখতে পান। কয়েকটি সড়কের বাতি বন্ধ ছিল, দোকানপাটও ছিল বন্ধ। এমনকি এলাকার খেলার মাঠগুলোতেও সাধারণ সময়ের মতো মানুষের উপস্থিতি ছিল না।

বাড়ির কাছে গিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখতে পান। বাড়ির ভেতরে ঢুকে তিনি দারোয়ানকে মনমরা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ফ্ল্যাটের দরজার কাছে গিয়ে দেখতে পান, দরজা ভাঙা।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে থাকা বাবুর্চি ও সহকারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ‘মেহমানকে তুলে নিয়ে গেছে।’

এরপর নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত হয়ে পড়েন হাবিব হাসনাত। তিনি দ্রুত দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দরে চলে যান। পরে দুবাই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর উত্তরার থানার তৎকালীন ওসির ফোন পান বলে দাবি করেন তিনি।

বিদেশে গিয়েও নীরব থাকার হুমকি

হাবিব হাসনাত জানান, পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল।

তার দাবি, সালাহউদ্দিনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নেয়নি—তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। বরং তিনি আত্মগোপনে গেছেন বলে প্রচার করা হয়।

হাবিব হাসনাত বলেন, একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাকে যুক্তরাষ্ট্র বা দুবাইয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সালাহউদ্দিনকে তার উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তিনি সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তবে পরে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে তাকে চুপ থাকার জন্য ফোনে হুমকি দেওয়া হয় বলে তার দাবি। এরপর তিনি আর সংবাদ সম্মেলন করেননি।

গুমের আগে কয়েক দফা অভিযান

সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার আগে ৭ মার্চ তার দুই চালক শফিক ও খোকন এবং ব্যক্তিগত সহকারী ওসমান গণিকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ৮ মার্চ সালাহউদ্দিনের সন্ধানে গুলশানের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এবং ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ফ্ল্যাটে র‍্যাব তল্লাশি চালায়। ওই অফিস ও ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেন সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

এরপর ১০ মার্চ উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর আগে গুলশানে তিনি যে বাসায় অবস্থান করছিলেন, সেখানেও একাধিকবার তল্লাশি চালানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ঘটনার পর ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তাকর্মীদের বরাতে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, সালাহউদ্দিনকে তুলে নেওয়ার সময় ওই এলাকার কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি পিকআপ অবস্থান করছিল। তবে তাকে কারা তুলে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে সে সময় সরকারি কোনো সংস্থা দায় স্বীকার করেনি।

৬২ দিন পর শিলংয়ে সন্ধান

২০১৫ সালের ১০ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ৬২ দিন পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে সালাহউদ্দিন আহমদের সন্ধান পাওয়া যায়। তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে সে সময় বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

তবে তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্যও দেওয়া হয়েছিল। সে সময় শেখ হাসিনা এবং সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি দাবি করেছিলেন, সালাহউদ্দিন আত্মগোপনে থাকতে পারেন।

অন্যদিকে তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু থেকেই দাবি করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদের নিখোঁজ ও পরে ভারতে সন্ধান পাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল আলোচিত একটি ঘটনা হয়ে আছে। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের প্রেক্ষাপটে সেই ঘটনার নতুন বর্ণনা আবারও সামনে আনল দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিএনপি নেতা ইসহাক হত্যা মামলায় শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিএনপি নেতা ইসহাক হত্যা মামলায় শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার

 যোগফল প্রতিবেদক:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা ইসহাক জোমাদ্দার হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

রোববার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। আদাবর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহেশ চন্দ্র সিংহ শাহজাহান ওমরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, নিহত ইসহাক জোমাদ্দার (৫০) আদাবর থানা এলাকার সাবেক ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে আদাবর থানার শ্যামলী ক্লাব মাঠের বিপরীতে আন্দোলন চলাকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শাহজাহান ওমরকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইসহাক জোমাদ্দার নিহত হন বলে মামলার তদন্তে উঠে এসেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা এবং জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামির আত্মগোপনে যাওয়ার আশঙ্কা ঠেকাতে শাহজাহান ওমরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, শাহজাহান ওমরের বিরুদ্ধে নিউমার্কেট থানা, ঝালকাঠির রাজাপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক হত্যা, দুর্নীতি ও বিস্ফোরক আইনের মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

আদালতের এ আদেশের ফলে ইসহাক জোমাদ্দার হত্যা মামলায় শাহজাহান ওমরকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

করিনার নতুন সিনেমার গুঞ্জনে অপ্রত্যাশিত মোড়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
করিনার নতুন সিনেমার গুঞ্জনে অপ্রত্যাশিত মোড়

 যোগফল প্রতিবেদক:

বলিউড অভিনেত্রী করিনা কাপুরকে ঘিরে নতুন একটি সিনেমায় অভিনয়ের গুঞ্জন ছড়ালেও শেষ পর্যন্ত সেই খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। নির্মাতা আরতি কাদবের আসন্ন একটি প্রজেক্টে করিনা অভিনয় করছেন—সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই গুঞ্জন সঠিক নয়।

জানা গেছে, হরমন বাওয়েজা প্রযোজিত আরতি কাদবের ওই সিনেমার সঙ্গে করিনা কাপুরের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে করিনাকে সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত করার যে দাবি করা হয়েছে, তা ভুল। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত তথ্যও নেই।

তবে নতুন সিনেমা নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও কাজের দিক থেকে ব্যস্ত সময় পার করছেন করিনা। খুব শিগগিরই তাকে দেখা যাবে নির্মাতা মেঘনা গুলজারের ক্রাইম ড্রামা ‘দায়রা’-তে। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করছেন দক্ষিণী তারকা পৃথ্বীরাজ সুকুমারন।

সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত ‘দায়রা’ সিনেমার গল্পে অপরাধ, অপরাধবোধ ও ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে জংলি পিকচার্স ও পেন স্টুডিওজ।

নির্মাতা মেঘনা গুলজার এর আগে ‘রাজি’ ও ‘তালভার’-এর মতো প্রশংসিত সিনেমা নির্মাণ করেছেন। অন্যদিকে পেন স্টুডিওজের প্রযোজনায় ‘আরআরআর’ ও ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’র মতো বড় সিনেমা দর্শকদের সামনে এসেছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে করিনা কাপুর ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারন অভিনীত ‘দায়রা’।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম