খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে ইউএনওর গাড়ি আটকে হামলার চেষ্টা, আটক ৭

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে ইউএনওর গাড়ি আটকে হামলার চেষ্টা, আটক ৭

 যোগফল প্রতিবেদক:

 নওগাঁর আত্রাইয়ে সপ্তম শ্রেণির ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। এ সময় ইউএনওর সরকারি গাড়ি আটকে আটক বরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বরপক্ষের লোকজন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় বর-কনেসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বিশা ইউনিয়নের সমাসপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমাসপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে আল আমিন নামের এক যুবকের বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন। পরে বর আল আমিনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বরযাত্রীদের একটি দল ইউএনওর সরকারি গাড়ির গতিরোধ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, প্রায় ৩০ জন বরযাত্রী উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আটক বরকে ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আত্রাই থানার ওসি মাহবুব আলম অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় প্রথমে বর, কনেসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে আটক করা হয়।

এদিকে বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানে সমাসপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুনিরুল জামান মুনিরসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বাল্যবিয়েতে তাদের উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, মুনিরুল জামান মুনিরের ইন্ধনেই বরপক্ষ ইউএনওর গাড়ি আটকে বরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মুনিরুল জামান মুনির বলেন, বিয়েটি দুই বছর আগে হয়েছে এবং কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি ছিল। বরপক্ষের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকায় তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ইউএনও এসে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার পর কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি হয়। তিনি উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছেন এবং হামলায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা হয়। বরকে আটক করে নিয়ে আসার সময় বরপক্ষের লোকজন সরকারি গাড়ি আটকে দেয় এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজনের ওপর হামলা এবং আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে ইউএনও মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, বাল্যবিবাহ সম্পাদনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে বরের বাবা মো. ইয়ানুস শেখ ও কনের বাবা জুয়েলকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি কাজে বাধা, আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য, পেশকার ও গ্রাম পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগে সমাসপাড়া গ্রামের মান্নানকে এক বছর, মো. রাব্বি শেখকে ছয় মাস এবং মো. মাহাতাব আলীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বর ও কনের বাবার কাছ থেকে বাল্যবিবাহসংক্রান্ত আইন মেনে চলার বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না’ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না’  রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না এবং গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয়, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। এর মাধ্যমে শুধু একজন মানুষকে নয়, তার পুরো পরিবারকে অনিশ্চয়তা, কষ্ট ও দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়। গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতিও তৈরি হয়।

গত দেড় দশকে দেশে গুম ও গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তার কঠোর সমালোচনা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ভিন্নমত প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ কিংবা গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনের কারণে অনেক মানুষকে তুলে নিয়ে গুম বা গোপনে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ করে তিনি ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম সুমন, ব্যারিস্টার আরমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীসহ অনেকের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও দুর্ভোগ রাষ্ট্রের কাছে গভীর বেদনার বিষয়।

রাষ্ট্রপতি জানান, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে সুনির্দিষ্টভাবে গুম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গুমের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা যতই ক্ষমতাবান হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। দীর্ঘদিন ধরে প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলোর চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা, সামাজিক নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সনদে স্বাক্ষর করেছে। গুম ও গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না; মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, তবে ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থাকবে, কিন্তু সেই ক্ষমতা সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না।’

তিনি আরও বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে রাষ্ট্র আন্তরিকভাবে দাঁড়াবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর

 যোগফল প্রতিবেদক:

চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম।

মামলাটি সালমান শাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা হয়েছে। এতে তার স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লুছি এবং চলচ্চিত্রের খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত পরে মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি দেন। এ প্রক্রিয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টিও আদালতের নথিতে এসেছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় মারা যান সালমান শাহ। প্রথমে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ তুলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন তিনি।

সিআইডি ১৯৯৭ সালে দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছিল। তবে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা রিভিশন মামলা করেন।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালত মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, আশরাফুল হক ডনসহ আরও কয়েকজন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও নতুন করে হত্যা মামলা ও তদন্তকে ঘিরে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। এখন ২৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিকে নজর থাকবে সংশ্লিষ্টদের।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি হাবিবুল গনি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শপথ নিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি হাবিবুল গনি

 যোগফল প্রতিবেদক:

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি শপথ নিয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

এর আগে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শপথ গ্রহণের দিন থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব সোশ্যাল সায়েন্স (এমএসএস) ও আইন বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল জেলা আদালতে এবং ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

পরবর্তী সময়ে ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান হাবিবুল গনি। ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল তিনি একই বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

দীর্ঘ বিচারিক জীবনে তিনি আইন ও বিচারবিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন সফরে কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, হংকং ও ভারতও ভ্রমণ করেছেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম