খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

নির্যাতন নয়, ভালোবাসায় গড়ে উঠুক প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নির্যাতন নয়, ভালোবাসায় গড়ে উঠুক প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ

ছবি : সংগৃহীত

আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের সমাজ, রাষ্ট্র ও নেতৃত্ব। তাই প্রতিটি শিশুর নিরাপদ, সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করা শুধু একটি পরিবারের দায়িত্ব নয়, বরং রাষ্ট্র, সমাজ এবং প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য শিশু প্রতিদিন শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। শুধু দরিদ্র পরিবার নয়, বিত্তবান পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র এমনকি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও শিশুরা নানা ধরনের সহিংসতার মুখোমুখি হচ্ছে।

শাসন আর নির্যাতন এক নয়

শিশুকে শৃঙ্খলাবোধ শেখানো এবং সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা অভিভাবক ও শিক্ষকদের দায়িত্ব। তবে সেই শাসন কখনোই অপমান, ভয়ভীতি, শারীরিক শাস্তি কিংবা মানসিক নির্যাতনে পরিণত হওয়া উচিত নয়।

শাসনের উদ্দেশ্য ভুল সংশোধন করা, আর নির্যাতনের ফল ভয়, আত্মবিশ্বাসহীনতা ও মানসিক ক্ষত। যে শিশু সম্মানের বদলে ভয় পেয়ে বড় হয়, সে কখনো সুস্থ ব্যক্তিত্ব নিয়ে বিকশিত হতে পারে না।

মানসিক নির্যাতনের ক্ষত সবচেয়ে গভীর

শুধু শারীরিক আঘাতই নয়, অপমানজনক কথা, অবহেলা, তুলনা কিংবা ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করাও শিশুর জন্য ভয়াবহ মানসিক নির্যাতন।

‘তুমি কিছুই পারবে না’, ‘তুমি আমাদের লজ্জা’—এ ধরনের কথাগুলো শিশুর আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়। অনেক মানুষ বড় হওয়ার পরও শৈশবের এসব অপমান ভুলতে পারেন না। শারীরিক ক্ষত একসময় শুকিয়ে যায়, কিন্তু মানসিক ক্ষত অনেক সময় সারাজীবন থেকে যায়।

শিশুর বিকাশে প্রয়োজন নিরাপত্তা ও ভালোবাসা

শৈশবেই মানুষের মস্তিষ্ক সবচেয়ে দ্রুত বিকশিত হয়। এই সময়ে নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও ইতিবাচক পরিবেশ শিশুর মানসিক ও সামাজিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিপরীতে ভয় ও সহিংসতার পরিবেশ তার শেখার ক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যৎ জীবনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

ইসলামের দৃষ্টিতে শিশু

ইসলাম শিশুদের প্রতি দয়া, স্নেহ ও সম্মান প্রদর্শনের শিক্ষা দেয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শিশুদের সঙ্গে কোমল আচরণ করতেন এবং তাদের মর্যাদা দিতেন।

তিনি বলেছেন, “যে আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (জামে তিরমিজি)

এ শিক্ষা প্রমাণ করে, শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা ইসলামের মানবিক আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে

বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা এমন জায়গা হওয়া উচিত, যেখানে শিশুরা ভয় নয়, আনন্দ নিয়ে শিখবে। শিক্ষক শুধু পাঠদান করবেন না, বরং একজন পথপ্রদর্শক হিসেবে শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে ভূমিকা রাখবেন। ইতিবাচক শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা ও সম্মানই হতে পারে শিক্ষার প্রকৃত ভিত্তি।

ডিজিটাল যুগের নতুন চ্যালেঞ্জ

বর্তমান সময়ে শিশুদের নিরাপত্তা শুধু বাস্তব জগতেই নয়, ডিজিটাল জগতেও নিশ্চিত করতে হবে। সাইবার বুলিং, অনলাইন হয়রানি এবং ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।

করণীয়

শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইতিবাচক অভিভাবকত্বের চর্চা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়ন, সহজ অভিযোগ ব্যবস্থা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার শিশুদের ওপর। তাই শিশুদের ভয় দেখিয়ে নয়, ভালোবাসা, নিরাপত্তা, নৈতিক শিক্ষা ও সম্মানের মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে। কারণ একটি নিরাপদ শৈশবই পারে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

লেখক: সাবেক প্রিন্সিপাল, জামেয়া দ্বীনীয়া এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, তা'মিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা, টঙ্গী শাখা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন

ছবিতে ইসমাইল উদ্দিন

আফজাল মিয়া |বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি :

যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ-বাংলাদেশী  কাউন্সিলর(সাবেক) বিশ্বনাথের ইছমাইল হোসেন সিরাজী উদ্দিন লিডস ইউনিভার্সিটি থেকে 'পলিটিক্স' বিষয়ে সর্বোচ্চ সম্মানসহ  ব্যাচেলর অফ আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ২৪ জুলাই শুক্রবার বাবা - মায়ের উপস্থিতিতে বার্ষিক সমাবর্তনে ইউনিভার্সিটির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই ডিগ্রী অর্জন করেন।

ইছমাইল উদ্দিন ২০০৪ সালে ১৪ জুলাই ব্রিটেনের ব্রাডফোর্ড সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বনাথের সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশ্বনাথ পৌরসভার কারিকোনা গ্রামের অধিবাসী যুক্তরাজ্যের ব্রাডফোর্ড সিটির বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা মোঃ জমির উদ্দিন ও গৃহিণী আছমা খাতুনের জ্যৈষ্ঠ পুত্র। ৬ ভাই বোনের মধ্যে ইছমাইল উদ্দিন বাবা-মায়ের ৩য় সন্তান।

ছেলেবেলা থেকে প্রখর মেধার অধিকারী ইছমাইলের মধ্যে তার সহপাঠীরা ও স্কুলের শিক্ষকরা নেতৃত্বের গুণাবলী দেখতে পাওয়ায় তাকে হ্যানসন একাডেমীর ডেপুটি হেড বয় নির্বাচিত করা হয়। এরপর প্রতিভা ও নেতৃত্বের অসাধারণ গুণাবলীর কারণে তাকে ডিক্সনস সিক্সথ ফর্ম'-এর ১ম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়।

 এছাড়া সে লিডস ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের স়ংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ইছমাইল ছাত্র থাকা অবস্থায় ব্রাডফোর্ড সিটীসহ যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন টাউনে ফিলিস্তিনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কথা বলতে থাকেন। মানবতার পক্ষে একজন উদীয়মান তরুণ ইছমাইলের জ্বালাময়ী বক্তব্য ব্রাডফোর্ড সহ পার্শ্ববর্তী সিটির সকল শ্রেণীর মানুষকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হন। 

ইছমাইলের বয়স যখন মাত্র ১৯ অর্থাৎ ২০২৪ সালে তখন ব্রিটেনের মেইন ষ্ট্রিম পলিটিক্সের সাথে জড়িত বড় বড় দলগুলি তাকে সিটি অফ ব্রাডফোর্ড মেট্রোপলিটন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলে কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন দিতে চায়। কিন্তু ইছমাইল কোন দলের পক্ষে নমিনেশন না নিয়ে ব্রাডফোর্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট গ্রুপ থেকে বোলিং অ্যান্ড বার্কারেন্ড  এলাকা থেকে বিপুল ভোটে  ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়।  

মাত্র ১৯ বছর বয়সে সারা  যুক্তরাজ্যে ১ম ব্রিটিশ-বাংলাদেশী ও সর্বকনিষ্ঠ কাউন্সিলর হয়ে ইতিহাস গড়ার গৌরব অর্জন করেন । 

তিনি ২০২৪-২০২৫ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ইছমাইলের নির্বাচনী এলাকার মানুষের আগ্রহ থাকা স্বত্ত্বেও ব্রিটিশ সরকারের সিভিলে সার্ভিসে পলিসি ডিপ্লোম্যাটিক পদের মত মর্যাদাপূর্ণ চাকুরীর সুযোগ পাওয়ায় আর নির্বাচনে প্রার্থী হননি।
ইছমাইল উদ্দিনের মত তার ভাই বোনরাও বেশ মেধাবী। তার বড় বোন একজন ইমিগ্রেশন লয়ার, অপর দুই বোন মেডিক্যালের ছাত্রী।

ইছমাইল উদ্দিন তার এই সাফল্যের জন্য বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। আর তার পিতা বিশ্বনাথের সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশ্বনাথ পৌরসভার কারিকোনা গ্রামের অধিবাসী যুক্তরাজ্যের ব্রাডফোর্ড সিটির বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা জমির উদ্দিন বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা তিনি আমাকে নেক সন্তান দান করেছেন। 

ইছমাইল যেন ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বাংলাদেশের মানুষের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে এই জন্য তিনি সবার দোয়া কামনা করেছেন।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

লাল শাপলা দেখতে নেমে আর ফেরা হলো না কলেজছাত্রের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লাল শাপলা দেখতে নেমে আর ফেরা হলো না কলেজছাত্রের

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা শাপলা বিলে বন্ধুদের সঙ্গে বনভোজনে গিয়ে পানিতে ডুবে রাকিবুল ইসলাম (২২) নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাকিবুল ইসলাম নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের মাদ্রা গ্রামের দিনমজুর আব্দুল হালিম মিয়ার ছেলে। তিনি নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বনভোজন উপলক্ষে নেছারাবাদ থেকে প্রায় ৩০ জন স্কুল-কলেজপড়ুয়া তরুণ ভোরে সাতলা শাপলা বিলে বেড়াতে যান। জনতা বাজার এলাকায় ট্রলার রেখে তারা তিনটি নৌকায় করে বিলের ভেতরে ঘুরছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মো. এস এম ইউসুফুর রায়হান জানান, নৌকায় থাকা অবস্থায় লাল শাপলা দেখে রাকিবুল প্রথমবার পানিতে ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে ফিরে আসেন। কিছুক্ষণ পর আবার শাপলা তুলতে পানিতে নামলে তিনি পানির নিচে তলিয়ে যান।

দীর্ঘ সময় তাকে ভেসে উঠতে না দেখে বন্ধু ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাকিবুলের সঙ্গে থাকা বন্ধুরা জানান, দ্বিতীয়বার পানিতে নামার পর আর তাকে দেখা যায়নি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

মাদ্রা গ্রামের ইউপি সদস্য সদানন্দ মণ্ডল বলেন, প্রথমবার পানিতে নেমে নিরাপদে উঠে এলেও দ্বিতীয়বার ঝাঁপ দেওয়ার পর রাকিবুল নিখোঁজ হয়ে যান। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রাকিবুলের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও সহপাঠীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টঙ্গীতে নাশকতার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টঙ্গীতে নাশকতার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীতে নাশকতার মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা নিয়ামুল হাসান নাহিদকে (১৬) গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ।

সোমবার (২৭ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গীর সাতাইশ চৌরাস্তা ধরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নিয়ামুল হাসান নাহিদ ওই এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, নাহিদের বিরুদ্ধে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে মামলা রয়েছে। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুপুরে তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম