খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ছোট্ট ডানায় প্রকৃতির রঙিন দূত ‘পাতি জহুর’ প্রজাপতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ছোট্ট ডানায় প্রকৃতির রঙিন দূত ‘পাতি জহুর’ প্রজাপতি

প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আরও মোহনীয় করে তোলে রঙিন ডানার প্রজাপতি। ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ানো এসব কোমল প্রাণী শুধু চোখ জুড়ানো সৌন্দর্যেরই প্রতীক নয়, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও পালন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তেমনি পরিচিত একটি প্রজাতি হলো পাতি জহুর, যা সূর্যচঞ্চল নামেও পরিচিত।

পাতি জহুরের বৈজ্ঞানিক নাম পেলোপিডাস ম্যাথিয়াস (Pelopidas mathias)। এটি হেসপারিডি (স্কিপার) পরিবারের একটি ছোট আকৃতির প্রজাপতি। দ্রুতগতির উড়ান, ছোট্ট ডানার আকর্ষণীয় নকশা এবং জলপাই-বাদামি আভাযুক্ত রঙের কারণে সহজেই নজর কাড়ে এ প্রজাতি। পূর্ণবয়স্ক প্রজাপতির ডানার বিস্তার সাধারণত ৩২ থেকে ৩৮ মিলিমিটার। ডানায় ছড়িয়ে থাকে ছোট ছোট সাদা বা হলদেটে অর্ধস্বচ্ছ ছোপ, যা একে অন্য প্রজাতি থেকে আলাদা করে।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলে এ প্রজাপতির দেখা মেলে। ধানক্ষেত, তৃণভূমি, ঝোপঝাড়, বনাঞ্চল, বাগান, পতিত জমি কিংবা নগর উদ্যান—প্রায় সব ধরনের পরিবেশেই এদের বিচরণ রয়েছে। মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলের দিকে এরা সবচেয়ে সক্রিয় থাকে।

পাতি জহুর ফুলের মধু পান করলেও ভেজা মাটি, স্যাঁতসেঁতে পাথর কিংবা পাখির বিষ্ঠা থেকে প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ সংগ্রহ করে। মাঝে মধ্যেই পাতার ওপর ডানা আংশিক মেলে সূর্যের আলোয় বসে থাকতে দেখা যায় এ প্রজাপতিকে, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক অনন্য দৃশ্য।

তবে এই প্রজাপতির আরেকটি পরিচয়ও রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর না হলেও এর শূককীট ধান, আখ, লেবুঘাস, উলুঘাসসহ বিভিন্ন ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের পাতা খেয়ে ফসলের ক্ষতি করতে পারে। এ কারণে কৃষিবিজ্ঞানে এটি ধানের একটি পরিচিত ক্ষতিকর পোকা হিসেবে বিবেচিত হয় এবং অনেক সময় রাইস স্কিপার নামেও পরিচিত।

স্ত্রী পাতি জহুর সাধারণত ধান বা ঘাসজাতীয় গাছের পাতায় একটি করে ডিম পাড়ে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ডিম ফুটে শূককীট বের হয়। পরে পাতাকে ভাঁজ করে নিজের আশ্রয় তৈরি করে কয়েক ধাপে খোলস বদলে পুত্তলিতে পরিণত হয়। প্রায় এক সপ্তাহ পর সেই পুত্তলি থেকে জন্ম নেয় নতুন একটি প্রজাপতি।

স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জামাল হোসেন বলেন, প্রজাপতি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়ায় না, এটি একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্রেরও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। কোনো এলাকায় প্রজাপতির বৈচিত্র্য বেশি থাকলে সেখানে জীববৈচিত্র্যের পরিবেশও সমৃদ্ধ থাকে। তাই তাদের আবাসস্থল রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা সময়ের দাবি।

অন্যদিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল মতিন বলেন, পূর্ণাঙ্গ পাতি জহুর প্রজাপতি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে এর শূককীট ধানের পাতার ক্ষতি করতে পারে। তাই কৃষকদের নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং অপ্রয়োজনে কীটনাশক ব্যবহার না করে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকারী ও অপকারী পোকামাকড়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত।

প্রকৃতির রঙিন এই ছোট্ট দূত তাই একদিকে যেমন সৌন্দর্যের প্রতীক, অন্যদিকে কৃষির বাস্তবতায়ও বহন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণীর মতো পাতি জহুর সম্পর্কেও সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতাই পারে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করতে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জাপানে-৭.১-মাত্রার-শক্তিশালী-ভূমিকম্প,-শপিংমলে-বিস্ফোরণ;-আহত-অন্তত-৫০

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানে-৭.১-মাত্রার-শক্তিশালী-ভূমিকম্প,-শপিংমলে-বিস্ফোরণ;-আহত-অন্তত-৫০

ছবি: সংগৃহীত

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের কুমামতো প্রিফেকচারে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভূমিকম্পের পর একটি শপিংমলে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ভবনের একাংশ ধসে পড়ায় বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিবিসি, আল জাজিরা ও জাপানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল কুমামতো শহরের দক্ষিণে উকি শহরের কাছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের পর জাপান আবহাওয়া সংস্থা উপকূলীয় এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কায় সুনামি সতর্কতা জারি করলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

শপিংমলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ভূমিকম্পের কিছুক্ষণের মধ্যেই কুমামোটোর কাশিমা শহরের এইওন মল কুমামোটো-তে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শপিংমল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘এইওন’ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই সব গ্রাহককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি অংশ ধসে পড়ে। এতে ভবনের ভেতরে কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এনএইচকে-র হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণের ফলে শপিংমলের বাইরের দেয়ালের বড় একটি অংশ ভেঙে পড়ে গেছে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও রেল যোগাযোগে বড় প্রভাব

ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ৪০ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কিউশু ইলেকট্রিক পাওয়ার। একই সঙ্গে জেআর কিউশু নিরাপত্তার স্বার্থে বুলেট ট্রেনসহ বিভিন্ন রেল পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এদিকে কুমামোটো অঞ্চলে একটি ফুটব্রিজ ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সরকারের সতর্কতা

জাপান সরকার কুমামতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা ও মিয়াজাকি প্রিফেকচারে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বাসিন্দাদের সম্ভাব্য আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং উদ্ধার তৎপরতায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

এদিকে পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিকতা বা দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, কুমামতো অঞ্চলের কাছাকাছি সনি ও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চিপ নির্মাতা টিএসএমসির গুরুত্বপূর্ণ কারখানা রয়েছে। তবে এসব স্থাপনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য এখনো নিশ্চিত হয়নি।

বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিশ্বে ৬ বা তার বেশি মাত্রার প্রায় ২০ শতাংশ ভূমিকম্পই দেশটিতে সংঘটিত হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভাগনেকে হত্যা করে প্রতিশোধ, খালুর মৃত্যুদণ্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভাগনেকে হত্যা করে প্রতিশোধ, খালুর মৃত্যুদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানার টোল রোডের গলাচিপা এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু মো. মাহফুজকে হত্যার দায়ে তার খালু আল আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং হত্যার আলামত গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার অপরাধে আরও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নিশাদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শহীদুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আল আমিনকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এছাড়া আলামত গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার দায়ে তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কারপাশা পুতিহারা এলাকার মৃত জিন্নাত আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত মাহফুজ চট্টগ্রামের হালিশহর হাউজিং এস্টেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মাহফুজের মা সীমা এবং আল আমিনের স্ত্রী ছিলেন আপন দুই বোন।

তদন্তে উঠে আসে, আল আমিনের সন্দেহ ছিল তার স্ত্রীর সঙ্গে সীমার স্বামী মাহবুবের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া মাহবুবের কাছ থেকে নেওয়া সাড়ে তিন হাজার টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে তিনি মারধরের শিকার হন। এসব ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই শিশু মাহফুজকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আল আমিন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকালে মাহফুজকে সাগর দেখানোর কথা বলে টোল রোডের গলাচিপা এলাকায় নিয়ে যান আল আমিন। বিকেল পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর আল আমিনকে আটক করলে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গলায় গামছা পেঁচিয়ে মাহফুজকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মাহবুব বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর মঙ্গলবার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

এইচএসসি পরীক্ষা শেষে কুড়িগ্রামে টানা ৭ দিন লোডশেডিং

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি পরীক্ষা শেষে কুড়িগ্রামে টানা ৭ দিন লোডশেডিং

চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে কুড়িগ্রামে সম্ভাব্য টানা সাত দিনের লোডশেডিং আপাতত স্থগিত করেছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)। পরীক্ষার কারণে সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজ ৭ আগস্ট পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আগামী ৮ আগস্ট থেকে কাজ শুরু হলে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলায় আংশিক লোডশেডিং হতে পারে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কুড়িগ্রামের নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রতি বছর এ সময় সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজ করা হলেও চলমান এইচএসসি পরীক্ষা বিবেচনায় আপাতত কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে মৌখিক নির্দেশনা পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, ৮ আগস্ট থেকে উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নেসকো ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন এবং আংশিক লোডশেডিং হতে পারে।

এর আগে নেসকোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জি-টু-জি) প্রকল্প’-এর আওতায় রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এতে কুড়িগ্রাম জেলায় আংশিক লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়।

এ সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর জেলাজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই অভিযোগ করেন, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে এবং তীব্র গরমের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হতে পারত।

গত ২৫ জুলাই প্রকল্প পরিচালক (প্রধান প্রকৌশলী) মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, প্রকল্পের নির্মাণকাজের স্বার্থে রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন বন্ধ থাকলে নেসকোর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং আংশিক লোডশেডিং হতে পারে। তবে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম