খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

চার গোলের ঝড়ে মেসির মায়ামি, মন্ট্রিলকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চার গোলের ঝড়ে মেসির মায়ামি, মন্ট্রিলকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত

 যোগফল প্রতিবেদক:

টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার পর অবশেষে জয়ের পথে ফিরেছে ইন্টার মায়ামি। আর সেই ফেরার রাতটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকার চার গোল ও এক অ্যাসিস্টে সিএফ মন্ট্রিলকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মায়ামি।

শনিবার (২৯ আগস্ট) মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ইন্টার মায়ামি। এই জয়টি ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় এবং এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সাত গোল করার নতুন রেকর্ডও গড়েছে।

ম্যাচের ২০ মিনিটে টেলাসকো সেগোভিয়ার কর্নার থেকে হেড করে মায়ামিকে এগিয়ে দেন ক্যাসেমিরো। তবে ৩৭ মিনিটে ফ্যাবিয়ান হারবার্সের গোলে সমতায় ফেরে মন্ট্রিল।

এর মাত্র তিন মিনিট পরই মায়ামিকে আবার এগিয়ে দেন মেসি। ডান দিকের ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠান তিনি। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় মায়ামি।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় মেসির একক আধিপত্য। ৫২ মিনিটে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এরপর ৮০ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন লুইস সুয়ারেজ।

৮৩ মিনিটে গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে চিপ করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি। ৮৯ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আলেক্সান্ডার শ মায়ামির হয়ে ষষ্ঠ গোল করেন। আর যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে আরেকটি ফ্রি-কিক থেকে নিজের চতুর্থ গোল করে ৭-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন মেসি।

এটি এমএলএসে মেসির ক্যারিয়ারে প্রথম চার গোলের ম্যাচ। এই চার গোলের পর চলতি মৌসুমে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮-তে। এর মাধ্যমে তিনি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন। ম্যাচে এক গোল করানোর ফলে মেসির অ্যাসিস্টও দাঁড়িয়েছে ১০টিতে।

সব মিলিয়ে পেশাদার ক্যারিয়ারে এটি মেসির এক ম্যাচে চার বা তার বেশি গোল করার নবম ঘটনা। অন্যদিকে, টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার পর এই দুর্দান্ত জয় মায়ামিকে লিগের পয়েন্ট তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দিয়েছে।

মায়ামির নতুন কোচ ক্রিস্টিয়ান ‘কিলি’ গঞ্জালেজ এখনও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ক পারমিট না পাওয়ায় ম্যাচটিতে দায়িত্বে ছিলেন অন্তর্বর্তী কোচ গুইলের্মো হোয়োস। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি ডাগআউটে ছিলেন না।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না’ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না’  রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না এবং গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয়, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। এর মাধ্যমে শুধু একজন মানুষকে নয়, তার পুরো পরিবারকে অনিশ্চয়তা, কষ্ট ও দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়। গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতিও তৈরি হয়।

গত দেড় দশকে দেশে গুম ও গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তার কঠোর সমালোচনা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ভিন্নমত প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ কিংবা গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনের কারণে অনেক মানুষকে তুলে নিয়ে গুম বা গোপনে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ করে তিনি ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম সুমন, ব্যারিস্টার আরমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীসহ অনেকের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও দুর্ভোগ রাষ্ট্রের কাছে গভীর বেদনার বিষয়।

রাষ্ট্রপতি জানান, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে সুনির্দিষ্টভাবে গুম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গুমের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা যতই ক্ষমতাবান হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। দীর্ঘদিন ধরে প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলোর চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা, সামাজিক নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সনদে স্বাক্ষর করেছে। গুম ও গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না; মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, তবে ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থাকবে, কিন্তু সেই ক্ষমতা সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না।’

তিনি আরও বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে রাষ্ট্র আন্তরিকভাবে দাঁড়াবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর

 যোগফল প্রতিবেদক:

চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম।

মামলাটি সালমান শাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা হয়েছে। এতে তার স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লুছি এবং চলচ্চিত্রের খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত পরে মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি দেন। এ প্রক্রিয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টিও আদালতের নথিতে এসেছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় মারা যান সালমান শাহ। প্রথমে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ তুলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন তিনি।

সিআইডি ১৯৯৭ সালে দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছিল। তবে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা রিভিশন মামলা করেন।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালত মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, আশরাফুল হক ডনসহ আরও কয়েকজন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও নতুন করে হত্যা মামলা ও তদন্তকে ঘিরে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। এখন ২৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিকে নজর থাকবে সংশ্লিষ্টদের।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি হাবিবুল গনি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শপথ নিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি হাবিবুল গনি

 যোগফল প্রতিবেদক:

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি শপথ নিয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

এর আগে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শপথ গ্রহণের দিন থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব সোশ্যাল সায়েন্স (এমএসএস) ও আইন বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল জেলা আদালতে এবং ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

পরবর্তী সময়ে ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান হাবিবুল গনি। ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল তিনি একই বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

দীর্ঘ বিচারিক জীবনে তিনি আইন ও বিচারবিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন সফরে কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, হংকং ও ভারতও ভ্রমণ করেছেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম