খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

ব্যাটারিচালিত রিকশার বিকল্প নিয়ে এআইইউবির শিক্ষার্থীদের গবেষণা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যাটারিচালিত রিকশার বিকল্প নিয়ে এআইইউবির শিক্ষার্থীদের গবেষণা

যোগফল প্রতিবেদক: 

দেশের প্রচলিত তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানিসাশ্রয়ী, নিরাপদ ও আধুনিক যানবাহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করেছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) শিক্ষার্থীরা।

বৈদ্যুতিক যান (ইভি) ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড বৈদ্যুতিক যান (পিএইচইভি) নিয়ে পরিচালিত এ গবেষণায় পরিবেশ সুরক্ষা, জ্বালানি সাশ্রয়, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নিরাপত্তা এবং টেকসই নগর পরিবহণ ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এআইইউবিতে আয়োজিত ‘ফ্রম রিসার্চ টু রিয়েলিটি: হাউ উই বিল্ট দ্য ইভি/পিএইচইভি ফিজিবিলিটি প্রজেক্ট’ শীর্ষক গবেষণা ও উদ্ভাবনী অনুষ্ঠানে গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন এআইইউবির বাণিজ্য গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ও চিফ ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক ড. মুস্তাফা হাসান। প্রধান বক্তা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এআইইউবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও উপদেষ্টা এবং নর্দান ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথি ছিলেন থ্রিলীফ টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ তাজুল ইসলাম রুমেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক উন্নয়ন) রন্টি চৌধুরী এবং প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আল-আমরান।

গবেষণায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের গুরুত্ব

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কোনো প্রযুক্তি বা বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে যথাযথ গবেষণা ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা জরুরি। এর মাধ্যমে প্রকল্পের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অর্থনৈতিক বাস্তবতা, পরিবেশগত প্রভাব, নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

গবেষণাকে বাস্তব সমস্যার সমাধানের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা থাকলে গবেষণার ফলাফল সরাসরি দেশ ও মানুষের কাজে লাগানো সম্ভব।

গবেষণায় বাংলাদেশের নগর বাস্তবতায় ইভি ও পিএইচইভির সম্ভাবনার পাশাপাশি চার্জিং অবকাঠামো, বিদ্যুৎ সরবরাহ, ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

‘গবেষণা থেকে উদ্ভাবন, উদ্ভাবন থেকে বাস্তবায়ন’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ তাজুল ইসলাম রুমেল বলেন, কোনো ধারণা বাস্তবে প্রয়োগের আগে এর প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক দিক যাচাই করা প্রয়োজন। গবেষণা ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে একটি প্রকল্পের বাস্তব সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যায়।

তিনি তরুণ প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, গবেষণা থেকে উদ্ভাবন, উদ্ভাবন থেকে বাস্তবায়ন এবং বাস্তবায়ন থেকে বাস্তব প্রভাব তৈরি করতে হবে।

থ্রিলীফ টেকনোলজিস লিমিটেড গবেষণা, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও টেকসই প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এআইইউবির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌথভাবে বাস্তবমুখী গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে।

টেকসই পরিবহণে নতুন সম্ভাবনা

বিশেষ অতিথি রন্টি চৌধুরী বলেন, গবেষণার ফলাফল বাস্তবে প্রয়োগ করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার সঙ্গে শিল্পখাতের প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, উৎপাদন ও বাজার অভিজ্ঞতা যুক্ত হলে বাস্তবমুখী প্রকল্প তৈরি করা সম্ভব।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে যানজট, বায়ুদূষণ, জ্বালানি ব্যয় ও পরিবহণ ব্যবস্থাপনার নানা সমস্যা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বৈদ্যুতিক ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড যানবাহন ভবিষ্যতের নগর পরিবহনে বিকল্প সমাধানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তবে ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত চার্জিং অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ব্যাটারি নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা, যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা এবং অর্থনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

গবেষণায় শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি

অনুষ্ঠানে এআইইউবি এফবিএ স্টুডেন্ট রিসার্চ গ্রুপের গবেষণা কার্যক্রম এবং বাংলাদেশে ইভি/পিএইচইভি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে অবদান রাখায় প্রধান অতিথিকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের যৌথ উদ্যোগে গবেষণা ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের পরিবহণসহ বিভিন্ন খাতে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব, জ্বালানিসাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সমাধান তৈরি করা সম্ভব হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

এনজো ফার্নান্দেজের দলবদলে নতুন রেকর্ড, প্রিমিয়ার লিগে টাকার ঝড়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনজো ফার্নান্দেজের দলবদলে নতুন রেকর্ড, প্রিমিয়ার লিগে টাকার ঝড়

 যোগফল প্রতিবেদক:

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ ফুটবল লিগে এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে মোট ১ হাজার ৪৩৭টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবগুলোর খরচ হয়েছে প্রায় ৬৫০ কোটি পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ লাখ ৭ হাজার ৭৪২ কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টায় শেষ হয়েছে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময়সীমা। আর্থিক হিসাবে এবারও সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। তাদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৪৬ কোটি পাউন্ডে, যা লিগটির ইতিহাসে এক মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে নতুন রেকর্ড।

শেষ দিনে এভারটন থেকে সেনেগালিজ উইঙ্গার ইলিমান এনদিয়ায়েকে ৬ কোটি পাউন্ডে দলে ভেড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি। তার দলবদলের পরই প্রিমিয়ার লিগের মোট খরচ গত মৌসুমের ৩১৪ কোটি পাউন্ডের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। গতবারই প্রথমবারের মতো দলবদলে ৩০০ কোটি পাউন্ডের বেশি খরচ করেছিল লিগটির ক্লাবগুলো।

তবে শেষ দিনের সবচেয়ে বড় চমক আসে এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে। চেলসি থেকে আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডারকে ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে দলে নেয় ম্যানচেস্টার সিটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৭১ কোটি টাকা।

এই দলবদলের মাধ্যমে ব্রিটিশ ফুটবলে সবচেয়ে দামি চুক্তির রেকর্ডে যৌথভাবে উঠে এসেছেন ফার্নান্দেজ। গত মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ দিনে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে একই দামে আলেকসান্দার ইসাককে কিনেছিল লিভারপুল।

অথচ ২০২৩ সালে বেনফিকা থেকে তৎকালীন ব্রিটিশ রেকর্ড ১০ কোটি ৭ লাখ পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দিয়েছিলেন ফার্নান্দেজ। এবার সেই রেকর্ডের সমান দামে আবারও দলবদল করলেন তিনি।

শেষ দিনেও রেকর্ড খরচ

দলবদলের শেষ দিনেই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড। গত মৌসুমের শেষ দিনে খরচ হয়েছিল ৩৯ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড। অর্থাৎ শেষ দিনের ব্যয়েও আগের মৌসুমকে ছাড়িয়ে গেছে ইংলিশ ক্লাবগুলো।

ফুটবলট্রান্সফার্স ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা পল ম্যাকডোনাল্ডের মতে, মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সম্মিলিত খরচ ছিল ১১৩ কোটি পাউন্ড। এবার সেই অঙ্ক কয়েক গুণ বেড়েছে।

এবারের দলবদলে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১০টি চুক্তির তিনটিই হয়েছে প্রিমিয়ার লিগে। শুধু তাই নয়, লিগটির ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাঁচটি চুক্তির চারটিই সম্পন্ন হয়েছে এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে।

ফার্নান্দেজের ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের চুক্তির আগে ম্যানচেস্টার সিটি ১১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডে নটিংহাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে দলে নেয়। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে মরগান রজার্সকে কিনেছে চেলসি।

এদিকে পিএসজি থেকে ব্র্যাডলি বারকোলাকে দলে নিতে লিভারপুল খরচ করেছে ১০ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড। বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে এই চুক্তির মূল্য বেড়ে ১২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে।

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে বড় খরচ কম

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে ৬ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের দলবদল হয়েছে মাত্র দুটি। এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিওমান্দের যোগদান এবং নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় অ্যান্টনি গর্ডনের দলবদল রয়েছে।

এবারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ২০টি দলবদলের মধ্যে মাত্র ছয়টি হয়েছে প্রিমিয়ার লিগের বাইরে। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউন খেলোয়াড় কেনায় যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, তা বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্টাস ও বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মতো ক্লাবগুলোর চেয়েও বেশি।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের হিসাবে, এবার অন্তত ১০ কোটি ইউরো মূল্যে ছয়জন খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবের সঙ্গে জড়িত। বাকি একজন ইয়ান দিওমান্দে, যিনি রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন।

এর আগে ২০১৭-১৮, ২০১৯-২০ ও ২০২৩-২৪ মৌসুমে সর্বোচ্চ তিনজন করে খেলোয়াড়কে ১০ কোটি ইউরো বা তার বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছিল।

খরচে সবার ওপরে ম্যানচেস্টার সিটি

এবারের দলবদলে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। এনজো ফার্নান্দেজকে দলে ভেড়ানোর পর তাদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডে।

এক মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাবের দলবদলে এত বেশি অর্থ খরচের নজির আগে ছিল না। গত গ্রীষ্মে লিভারপুলের করা ৪১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের রেকর্ড এবার ভেঙে দিয়েছে সিটি।

তবে খেলোয়াড় কেনায় বিপুল অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি বিক্রি থেকেও বড় অঙ্কের আয় করেছে ক্লাবটি। খেলোয়াড় বিক্রি করে তাদের আয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড।

খরচের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চেলসি। খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবটি ব্যয় করেছে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। বিপরীতে খেলোয়াড় বিক্রি করে আয় করেছে ৩৮ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড। ফলে দলবদল শেষে চেলসির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে টটেনহাম হটস্পার। খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবটির মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ কোটি ২ লাখ পাউন্ড।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই, সঙ্গে উপহার গাছের চারা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই, সঙ্গে উপহার গাছের চারা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী বই বিক্রির আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শুভোদয়’। তারুণ্যের অনুপ্রেরণা ও জ্ঞানচর্চার বিকাশে মাত্র ৪৮ টাকা প্রতীকী মূল্যে শিক্ষামূলক, প্রেরণামূলক ও ইতিহাসভিত্তিক বই বিক্রি করা হয়। বইয়ের সঙ্গে দেওয়া হয় একটি করে গাছের চারা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে এ কর্মসূচি শুরু হয়। আয়োজকদের এ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তরুণ পাঠক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করা, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আয়োজন সম্পর্কে শুভোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হাসান শাকিল বলেন, প্রথাগত রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে গিয়ে তরুণ প্রজন্মের মেধা ও মনন বিকাশে কিছু করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতীকী মূল্য ৪৮ টাকায় যুবসমাজের উপযোগী বই বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে পরিবেশবান্ধব গাছের চারাও উপহার দেওয়া হচ্ছে।

জাহিদ হাসান শাকিল আরও বলেন, বর্তমান তরুণ সমাজের মধ্যে ইতিহাসের সঠিক তথ্য জানা এবং বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পেয়ে তারা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও শুভোদয় সমাজ গঠনমূলক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘শুভোদয়’-এর এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে বই পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান তারা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

 যোগফল প্রতিবেদক:

প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

আদালতে বিদিশার পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মো. আতিকুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। পরে আইনজীবী জানান, বিদিশা কারাগারে যাওয়ার পর যে সময় পার হয়েছে, তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় আদালত জামিন আবেদন বিবেচনা করেননি।

অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি জানান, কারাবাসের সময়কাল বিবেচনায় আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেছেন।

ফ্ল্যাট বিক্রিকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গত ২০ মে বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বিদিশা। ফলে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটির সূত্রপাত ২০০৮ সালে। ওই বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন গুলশান থানায় বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে আদালত অভিযোগ গঠন করলে মামলাটির বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ২০ মে বিদিশাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি হয়। পরে ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরদিন কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে যাওয়ার পর বিদিশার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে বুধবার এর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম