খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

কওমি-আলিয়া শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কওমি-আলিয়া শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগ

যোগফল প্রতিবেদক:

কওমি ও আলিয়া ধারার শিক্ষার্থীদের মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে নতুন দুটি প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)।

‘নিশ-৩’ নামের এসব প্রোগ্রামের মাধ্যমে কওমি ধারার আগ্রহী শিক্ষার্থী এবং আলিয়া ধারার ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরা বাউবির মাধ্যমে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাউবির ঢাকা আঞ্চলিক কেন্দ্রে ‘বাউবিতে এসএসসি (নিশ-৩) ও এইচএসসি (নিশ-৩) প্রোগ্রামের সিলেবাস ও রেগুলেশন’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে। কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এবং প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য দ্বিতীয়বার শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি বলেন, কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে এসএসসি নিশ-৩ ও এইচএসসি নিশ-৩ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ধর্মীয় শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রেখেই জাতীয় ও মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

উপাচার্য আরও বলেন, নিশ-৩ প্রোগ্রামের সিলেবাস ও রেগুলেশন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কর্মশালায় শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এগুলো আরও সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী করা হবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এসব প্রোগ্রাম চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ সফল হলে বাউবির শিক্ষা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত হবে। বয়স, লিঙ্গ, পেশা ও সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত রেখে বাউবি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউবির ওপেন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মোছা. শিরিন সুলতানা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউবির প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম এবং ঢাকা মোহাম্মদপুরের জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

এনজো ফার্নান্দেজের দলবদলে নতুন রেকর্ড, প্রিমিয়ার লিগে টাকার ঝড়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনজো ফার্নান্দেজের দলবদলে নতুন রেকর্ড, প্রিমিয়ার লিগে টাকার ঝড়

 যোগফল প্রতিবেদক:

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ ফুটবল লিগে এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে মোট ১ হাজার ৪৩৭টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবগুলোর খরচ হয়েছে প্রায় ৬৫০ কোটি পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ লাখ ৭ হাজার ৭৪২ কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টায় শেষ হয়েছে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময়সীমা। আর্থিক হিসাবে এবারও সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। তাদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৪৬ কোটি পাউন্ডে, যা লিগটির ইতিহাসে এক মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে নতুন রেকর্ড।

শেষ দিনে এভারটন থেকে সেনেগালিজ উইঙ্গার ইলিমান এনদিয়ায়েকে ৬ কোটি পাউন্ডে দলে ভেড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি। তার দলবদলের পরই প্রিমিয়ার লিগের মোট খরচ গত মৌসুমের ৩১৪ কোটি পাউন্ডের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। গতবারই প্রথমবারের মতো দলবদলে ৩০০ কোটি পাউন্ডের বেশি খরচ করেছিল লিগটির ক্লাবগুলো।

তবে শেষ দিনের সবচেয়ে বড় চমক আসে এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে। চেলসি থেকে আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডারকে ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে দলে নেয় ম্যানচেস্টার সিটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৭১ কোটি টাকা।

এই দলবদলের মাধ্যমে ব্রিটিশ ফুটবলে সবচেয়ে দামি চুক্তির রেকর্ডে যৌথভাবে উঠে এসেছেন ফার্নান্দেজ। গত মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ দিনে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে একই দামে আলেকসান্দার ইসাককে কিনেছিল লিভারপুল।

অথচ ২০২৩ সালে বেনফিকা থেকে তৎকালীন ব্রিটিশ রেকর্ড ১০ কোটি ৭ লাখ পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দিয়েছিলেন ফার্নান্দেজ। এবার সেই রেকর্ডের সমান দামে আবারও দলবদল করলেন তিনি।

শেষ দিনেও রেকর্ড খরচ

দলবদলের শেষ দিনেই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড। গত মৌসুমের শেষ দিনে খরচ হয়েছিল ৩৯ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড। অর্থাৎ শেষ দিনের ব্যয়েও আগের মৌসুমকে ছাড়িয়ে গেছে ইংলিশ ক্লাবগুলো।

ফুটবলট্রান্সফার্স ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা পল ম্যাকডোনাল্ডের মতে, মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সম্মিলিত খরচ ছিল ১১৩ কোটি পাউন্ড। এবার সেই অঙ্ক কয়েক গুণ বেড়েছে।

এবারের দলবদলে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১০টি চুক্তির তিনটিই হয়েছে প্রিমিয়ার লিগে। শুধু তাই নয়, লিগটির ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাঁচটি চুক্তির চারটিই সম্পন্ন হয়েছে এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে।

ফার্নান্দেজের ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের চুক্তির আগে ম্যানচেস্টার সিটি ১১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডে নটিংহাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে দলে নেয়। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে মরগান রজার্সকে কিনেছে চেলসি।

এদিকে পিএসজি থেকে ব্র্যাডলি বারকোলাকে দলে নিতে লিভারপুল খরচ করেছে ১০ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড। বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে এই চুক্তির মূল্য বেড়ে ১২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে।

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে বড় খরচ কম

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে ৬ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের দলবদল হয়েছে মাত্র দুটি। এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিওমান্দের যোগদান এবং নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় অ্যান্টনি গর্ডনের দলবদল রয়েছে।

এবারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ২০টি দলবদলের মধ্যে মাত্র ছয়টি হয়েছে প্রিমিয়ার লিগের বাইরে। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউন খেলোয়াড় কেনায় যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, তা বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্টাস ও বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মতো ক্লাবগুলোর চেয়েও বেশি।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের হিসাবে, এবার অন্তত ১০ কোটি ইউরো মূল্যে ছয়জন খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবের সঙ্গে জড়িত। বাকি একজন ইয়ান দিওমান্দে, যিনি রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন।

এর আগে ২০১৭-১৮, ২০১৯-২০ ও ২০২৩-২৪ মৌসুমে সর্বোচ্চ তিনজন করে খেলোয়াড়কে ১০ কোটি ইউরো বা তার বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছিল।

খরচে সবার ওপরে ম্যানচেস্টার সিটি

এবারের দলবদলে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। এনজো ফার্নান্দেজকে দলে ভেড়ানোর পর তাদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডে।

এক মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাবের দলবদলে এত বেশি অর্থ খরচের নজির আগে ছিল না। গত গ্রীষ্মে লিভারপুলের করা ৪১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের রেকর্ড এবার ভেঙে দিয়েছে সিটি।

তবে খেলোয়াড় কেনায় বিপুল অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি বিক্রি থেকেও বড় অঙ্কের আয় করেছে ক্লাবটি। খেলোয়াড় বিক্রি করে তাদের আয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড।

খরচের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চেলসি। খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবটি ব্যয় করেছে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। বিপরীতে খেলোয়াড় বিক্রি করে আয় করেছে ৩৮ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড। ফলে দলবদল শেষে চেলসির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে টটেনহাম হটস্পার। খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবটির মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ কোটি ২ লাখ পাউন্ড।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই, সঙ্গে উপহার গাছের চারা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই, সঙ্গে উপহার গাছের চারা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী বই বিক্রির আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শুভোদয়’। তারুণ্যের অনুপ্রেরণা ও জ্ঞানচর্চার বিকাশে মাত্র ৪৮ টাকা প্রতীকী মূল্যে শিক্ষামূলক, প্রেরণামূলক ও ইতিহাসভিত্তিক বই বিক্রি করা হয়। বইয়ের সঙ্গে দেওয়া হয় একটি করে গাছের চারা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে এ কর্মসূচি শুরু হয়। আয়োজকদের এ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তরুণ পাঠক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করা, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আয়োজন সম্পর্কে শুভোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হাসান শাকিল বলেন, প্রথাগত রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে গিয়ে তরুণ প্রজন্মের মেধা ও মনন বিকাশে কিছু করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতীকী মূল্য ৪৮ টাকায় যুবসমাজের উপযোগী বই বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে পরিবেশবান্ধব গাছের চারাও উপহার দেওয়া হচ্ছে।

জাহিদ হাসান শাকিল আরও বলেন, বর্তমান তরুণ সমাজের মধ্যে ইতিহাসের সঠিক তথ্য জানা এবং বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পেয়ে তারা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও শুভোদয় সমাজ গঠনমূলক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘শুভোদয়’-এর এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে বই পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান তারা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

 যোগফল প্রতিবেদক:

প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

আদালতে বিদিশার পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মো. আতিকুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। পরে আইনজীবী জানান, বিদিশা কারাগারে যাওয়ার পর যে সময় পার হয়েছে, তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় আদালত জামিন আবেদন বিবেচনা করেননি।

অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি জানান, কারাবাসের সময়কাল বিবেচনায় আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেছেন।

ফ্ল্যাট বিক্রিকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গত ২০ মে বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বিদিশা। ফলে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটির সূত্রপাত ২০০৮ সালে। ওই বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন গুলশান থানায় বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে আদালত অভিযোগ গঠন করলে মামলাটির বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ২০ মে বিদিশাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি হয়। পরে ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরদিন কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে যাওয়ার পর বিদিশার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে বুধবার এর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম